কয়েক মাস আগে মেসিকে আনতে গিয়ে যে বিপত্তি হয়েছিল, এবার যেন তার পুনরাবৃত্তি না হয়। সেবার মেসিকে ঘিরে অতিরিক্ত আদিখ্যেতায় মাঝপথেই অনুষ্ঠান পণ্ড হয়েছিল। কলকাতার মুখ পুড়েছিল। এবার যেন উদ্যোক্তারা বাড়তি সতর্ক থাকেন। আর টিকিটের মূল্য যেন আকাশছোঁয়া না হয়। হাজারের মধ্যেই যেন বাঙালি ব্রাজিলের খেলা দেখার সুযোগ পায়, সেটুকুও দেখা উচিত। আবেগের এই মুহূর্ত যেন ব্যবসায়িক ইভেন্টে না বদলে যায়।
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।। কোন ছবির...
সজল পাত্র বেড়ানো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। আগে কোথাও যেতে হলে আগাম তথ্য পাওয়া বেশ কঠিনই ছিল। কীভাবে যেতে হয়, কোথায় থাকবেন, এসব জানতে ভ্রমণের বইয়ের সন্ধান করতে হত।...
শুশুনিয়ায় জল ভরে এক্তেশ্বরের মন্দিরে ঢালতে যাওয়ার কথা। শুশুনিয়া থেকে ফেরার পথে একসঙ্গে জনা দশেক বন্ধু। তখন ভোলেবাবা মানে, অনেক নিষিদ্ধ কৌতূহলের হাতছানি। অনেকের সিগারেট খাওয়ার হাতেখড়ি হয় এই ভোলেবাবাতেই। সেবার কয়েকজনের ইচ্ছে হল, একটু গঞ্জিকা (গাঁজা) সেবনের। গন্ধেশ্বরীর পাড়ে এসে কয়েকজন বসে পড়লাম। এক বন্ধুর অভ্যেস ছিল। সে দিব্যি টান মেরে গেল।
মারাদোনা সরল মনে সেই নামাবলি পরেও নিলেন। ছবি উঠল। সেই ছবি থেকে গেল ইতিহাস হয়ে। ছবিটা যেমন থেকে গেল, তেমনই অমরত্ব পেয়ে গেলেন অমিয় তরফদারও। আজ বিশ্বকাপের আঙিনায় এত রিপোর্টার, এত ফটোগ্রাফার। কিন্তু এমন এক্সক্লুসিভ ছবি আর হল কই!
এমনিতেই কাগজ পড়ার রেওয়াজ কমছে। তার মধ্যেও যাঁরা সকালে কাগজটা হাতে নিচ্ছেন, তাঁরা কি একবারও ভেবে দেখেছএন এই বিশাল কর্মকাণ্ড মাত্র এক দেড় ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে! নেপথ্যে থাকা সেই সংবাদ–সৈনিকদের কথা আড়ালেই থেকে যায়।
একবার ডিম ছোঁড়ার ভিডিও দেখলে বারেবারে সেই লিঙ্কই আসবে। কারণ, ফেসবুক বা ইউটিউব ততদিনে বুঝে নিয়েছে, আমি এই দৃশ্যই দেখতে চাই। কেউ উল্টো যুক্তি দিচ্ছে! দেশদ্রোহী বলে দাও। লোকে এটাও কিন্তু হেব্বি খাচ্ছে।
মহানায়ককে ঘিরে এমন নানা প্রশ্ন। জুলাইয়ের শেষবেলায় এসে তারই উত্তর খোঁজার চেষ্টা বেঙ্গল টাইমসে। কিছু জানা, কিছু অজানা। পুরো বইটি পড়ুন। ভাল লাগলে অন্যদের শেয়ার করতে পারেন।
রজত সেনগুপ্ত কয়েকমাস আগে গিয়েছিলাম পাহাড়ে। বছরে দুই থেকে তিনবার উত্তরবঙ্গে যাওয়াটা বহুদিনের অভ্যেস। শহর নয়, পাহাড়ি গ্রামগুলোই আরও বেশি করে টানে। গ্রামের স্নিগ্ধতা, নির্জন প্রকৃতি যেন মন ভাল করে...
এত বছরের প্রথা। স্পিকার মশাই জানেন না বলেই এই জটিলতা তৈরি হচ্ছে। আগে কীভাবে সময় বণ্টন হত, সেটা জানার চেষ্টাও করেছেন বলে মনে হয় না। এক তো মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়া হল। এতেই শেষ নয়। পরের দিন তাঁর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনা হল। আনলেন স্বয়ং পরিষদীয় মন্ত্রী। এবং কোনও আলোচনা ছাড়াই সেই মোশন গ্রহণ করা হল। বিধানসভাকে কোন নর্দমায় নামাতে চাইছেন?