রিনচেনপং:‌ রবি ঠাকুর কিন্তু এখানে এসেছিলেন

ভোরে ঘুম ভাঙুক পাখির ডাকে। জানলা খুলে দেখুন, পাহাড়ের গায়ে আলো কীভাবে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে। সকালের চা শেষ করে পায়ে হেঁটে বেরিয়ে পড়ুন। কোনও গন্তব্যের প্রয়োজন নেই। সরু রাস্তা ধরে হাঁটুন। দু’পাশের বাড়ি দেখুন। পাহাড়ি মানুষের দৈনন্দিন জীবন দেখুন। কোনও অচেনা পাখির ডাক শুনে থমকে দাঁড়ান। ইচ্ছে হলে কোনও বাড়িতে ঢুকেও পড়তে পারেন। এটুকু বলতে পারি, গৃহকর্তা বিরক্ত হবেন না। চা খেতে খেতে গল্প জুড়ে দিতেই পারেন। অনেকটা সেই তু মান ইয়া না মান, ম্যায় তেরা ম্যাহেমান–‌এর মতো।

মধ্যবিত্তের মানচিত্রে আসুক সুন্দরবন

বেসরকারি ট্যুর অপারেটররা যদি তিন থেকে সাড়ে তিন হাজারে ভ্রমণ করাতে পারেন, তাহলে সরকার কেন পাঁচ–‌ছয় হাজারে পারবে না?‌ বিদেশি পর্যটকদের জন্য অত্যাধুনিক ক্রুজ থাকুক। কিন্তু মধ্যবিত্ত বাঙালি যেন আরও কম খরচে, নিরাপদে সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারেন, তার উদ্যোগ নেওয়া হোক।

এমন ভ্রমণপ্রিয় জাতি আর কটা আছে?‌

‌পুজো আর দু’‌মাসও বাকি নেই। কোথায় যাবেন, নিশ্চয় এখনও ঠিক করে উঠতে পারেননি। এদিকে, ট্রেনের টিকিট কিন্তু এর মধ্যেই শেষ। আগে চার মাস আগে ট্রেনের টিকিট কাটা যেত। চার মাস...

নিজেকে খুঁজে পাওয়ার ঠিকানা কাফের গাঁও

হাঁটতে হাঁটতে বুঝলাম, এই পথের আসল সৌন্দর্য কোনও নির্দিষ্ট দৃশ্যে নয়। সৌন্দর্যটা লুকিয়ে আছে হাঁটার মধ্যেই। একা হাঁটতে হাঁটতে নিজের সঙ্গে কথা বলার মধ্যে। পাখির ডাক শুনতে শুনতে হঠাৎ কোনও পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে যাওয়ার মধ্যে। কিংবা কোনও কারণ ছাড়াই ভালো লেগে যাওয়ার মধ্যে।

জটায়ু নির্ঘাত লিখে ফেলতেন, সারান্ডায় স্যারেন্ডার

স্নিগ্ধতায় মোড়া দু–‌তিনটে দিন। যার রেশ থেকে যাবে ফেরার পরেও। মনে হবে, সারান্ডার সেই রাস্তা, সেই শালবন, সেই মেঘাতুবুরুর মেঘ—সব কিছু বুঝি এখনও পিছনে পড়ে আছে।

নতুন জায়গা খুঁজেই পর্যটনের বিস্তার ঘটাতে হবে

সজল পাত্র বেড়ানো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। আগে কোথাও যেতে হলে আগাম তথ্য পাওয়া বেশ কঠিনই ছিল। কীভাবে যেতে হয়, কোথায় থাকবেন, এসব জানতে ভ্রমণের বইয়ের সন্ধান করতে হত।...

হোম স্টের নামে রিসর্ট কালচার বন্ধ হোক

রজত সেনগুপ্ত ‌কয়েকমাস আগে গিয়েছিলাম পাহাড়ে। বছরে দুই থেকে তিনবার উত্তরবঙ্গে যাওয়াটা বহুদিনের অভ্যেস। শহর নয়, পাহাড়ি গ্রামগুলোই আরও বেশি করে টানে। গ্রামের স্নিগ্ধতা, নির্জন প্রকৃতি যেন মন ভাল করে...

তাকদার সেই ব্রিটিশ বাংলোয়

এই তাকদাতেই সতেরোখানা বাংলো বানিয়েছিলেন ব্রিটিশরা। এখানেই ছিল তাঁদের ক্যান্টনেন্ট। কালের নিয়মে কোনওটা ভগ্নপ্রায়। কোনওটা হয়েছে স্কুল। কোনওটা হয়েছে গেস্ট হাউস। মেঘমাখানো তাকদার সেই ইতিহাস উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর লেখায়।

গোলপাহাড়ের দেশে যা, চা–‌পাহাড়ের দেশে যা

পাহাড়ের ভোর। সে এক অনাবিল আনন্দ। সাতসকালেই একমুখ হাসি নিয়ে হাজির মনোজ তামাং। বললেন, সামনের ওই পাহাড়টায় চলে যান। আজ ওয়েদার খুব ভাল। কাঞ্চনজঙ্ঘা পরিষ্কার দেখা যাবে।

মেঘ, পাহাড়, নদী, অরণ্য–‌কী নেই উত্তরবঙ্গে?‌

তিস্তা ঘোষাল দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া। আমাদের হয়েছে সেই অবস্থা। আমরা নিজের ঘরকেই ভাল করে চিনিনি। চেনার চেষ্টাও করিনি। পুজো আসছে। বাঙালি ব্যাগপত্তর গুছিয়ে...