জটায়ু নির্ঘাত লিখে ফেলতেন, সারান্ডায় স্যারেন্ডার

স্নিগ্ধতায় মোড়া দু–‌তিনটে দিন। যার রেশ থেকে যাবে ফেরার পরেও। মনে হবে, সারান্ডার সেই রাস্তা, সেই শালবন, সেই মেঘাতুবুরুর মেঘ—সব কিছু বুঝি এখনও পিছনে পড়ে আছে।

নতুন জায়গা খুঁজেই পর্যটনের বিস্তার ঘটাতে হবে

সজল পাত্র বেড়ানো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। আগে কোথাও যেতে হলে আগাম তথ্য পাওয়া বেশ কঠিনই ছিল। কীভাবে যেতে হয়, কোথায় থাকবেন, এসব জানতে ভ্রমণের বইয়ের সন্ধান করতে হত।...

হোম স্টের নামে রিসর্ট কালচার বন্ধ হোক

রজত সেনগুপ্ত ‌কয়েকমাস আগে গিয়েছিলাম পাহাড়ে। বছরে দুই থেকে তিনবার উত্তরবঙ্গে যাওয়াটা বহুদিনের অভ্যেস। শহর নয়, পাহাড়ি গ্রামগুলোই আরও বেশি করে টানে। গ্রামের স্নিগ্ধতা, নির্জন প্রকৃতি যেন মন ভাল করে...

তাকদার সেই ব্রিটিশ বাংলোয়

এই তাকদাতেই সতেরোখানা বাংলো বানিয়েছিলেন ব্রিটিশরা। এখানেই ছিল তাঁদের ক্যান্টনেন্ট। কালের নিয়মে কোনওটা ভগ্নপ্রায়। কোনওটা হয়েছে স্কুল। কোনওটা হয়েছে গেস্ট হাউস। মেঘমাখানো তাকদার সেই ইতিহাস উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর লেখায়।

গোলপাহাড়ের দেশে যা, চা–‌পাহাড়ের দেশে যা

পাহাড়ের ভোর। সে এক অনাবিল আনন্দ। সাতসকালেই একমুখ হাসি নিয়ে হাজির মনোজ তামাং। বললেন, সামনের ওই পাহাড়টায় চলে যান। আজ ওয়েদার খুব ভাল। কাঞ্চনজঙ্ঘা পরিষ্কার দেখা যাবে।

মেঘ, পাহাড়, নদী, অরণ্য–‌কী নেই উত্তরবঙ্গে?‌

তিস্তা ঘোষাল দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া। আমাদের হয়েছে সেই অবস্থা। আমরা নিজের ঘরকেই ভাল করে চিনিনি। চেনার চেষ্টাও করিনি। পুজো আসছে। বাঙালি ব্যাগপত্তর গুছিয়ে...

একটা ছবিতেই ট্যুর অপরারেটর হওয়ার ভূত মাথা থেকে নেমে গেল

ওই সিনেমাতেও দেখেছিলাম, শেষপর্যন্ত ওই বন্ধুরাও আর ট্যুর ব্যবসা করেনি। যে যার নিজের নিজের ধান্দা খুঁজে নিয়েছিল। একটা ট্যুরেই ওরা বুঝে নিয়েছিল, এত ঝক্কি–‌ঝামেলা নেওয়া ওদের কম্ম নয়। আমরাও ওই একটা ছবি দেখেই বুঝলাম, নিজেরা বেড়াতে যাব, সেটাই ভাল। ট্যুর অপারেটর হওয়া আমাদের কম্ম নয়।

উঠল বাই, ভুটান যাই

খুব শখ করেই পাসপোর্ট করিয়েছিলাম। যদি কোনওদিন কাজে লাগে! কালাপানি পেরোব এমন আশা করিনি। কিন্তু প্রতিবেশী দেশে তো যেতেই পারি। অন্ততপক্ষে বাংলাদেশ। না, সেখানেও যাওয়ার সৌভাগ্য এখনও অর্জন করিনি। তাই পাসপোর্ট যেমনকার তেমনই আছে। কোথাও কোনও ছাপ পড়েনি।কিছুদিন হল বিদেশ থেকে ঘুরে এসে দেশের মাটিতে পা দিয়েছি। কিন্তু অত শখ করে বানানো পাসপোর্ট কোনও কাজেই লাগলো না।

পিছনে পড়ে রইল সেই শালবন, কিরিবুরুর সেই মেঘ

সকালে উঠে হাঁটতে বেরিয়ে পড়া। রাস্তা ধরে অলস পায়ে এগিয়ে যাওয়া। কোথাও বসে থাকা। দূরের পাহাড় দেখা। আবার ফিরে আসা। কোনও তাড়া নেই। কোথাও পৌঁছতে হবে না। এই ‘কোথাও পৌঁছতে না হওয়ার’ আনন্দটাই সম্ভবত সবচেয়ে বড় বিলাসিতা।

বাঙালি আর পশ্চিমে যায় না

এত ভাল লেগেছিল, জমিই কিনে ফেলেছিলেন মহানায়ক। দিগন্তজুড়ে নীল জলাশয়। ওপারেই সবুজ পাহাড়। বেশি দূরে নয়, কাছেই আছে তোপচাঁচি। চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।