পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী।
বন্ধুত্ব কতখানি গভীর হলে আর সরবোধ কত প্রখর হলে এমন খুনসুটির চিঠি লেখা যায়। এই ছোট ছোট খুনসুটিগুলোই বোধ হয় বন্ধু্ত্বকে প্রাণবন্ত রেখেছিল। আবার তাঁর নিজের হৃদয়ের একূল–ওকুল দুকূল যখন ভেসে যাচ্ছে প্রেমের প্লাবনে, তখন সেই প্রতিবাদের কবিই যেন বেশ লাজুক প্রেমিক। তিনি ‘হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল’। কিন্তু সাহস করে উঠতে পারছেন না। হারিয়ে যাচ্ছে কথার স্রোত।