গম্ভীরবাবুর ‘‌মন কী বাত’‌

আচ্ছা বলুন তো, সবসময় ক্যামেরার নজরদারিতে থাকা যায়!‌ বিরাট কোহলি চার মারছে, অমনি আমার দিকে ক্যামেরা ঘুরে যাচ্ছে। আমি হাসছি না গম্ভীর আছি, সেসব টিভি স্ক্রিনে ভেসে উঠছে। হাসলে সেই হাসি আন্তরিক না মেকি, তা নিয়ে যে যা পারছে মত দিয়ে যাচ্ছে। যদি হাততালি দিই, তাহলে কবার দিলাম, আওয়াজ উঠল কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। লোকে বলে, ক্রিকেটারদের ওপর নাকি চাপ থাকে। আচ্ছা বলুন তো, সাজঘরে বসে থাকাও কি কম চাপের!‌

রোহিত, টাইমিংয়ে গন্ডগোল হয়ে গেল

মন থেকে চাইছিলাম, জোহানেসবার্গের মতোই দুবাই থেকেও এমনই একটা ঘোষণা আসুক। তাতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ যদি একটু ফিকে হয়, তো হোক। আচ্ছা, সত্যিই বলুন তো, একদিনের ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর এমন মঞ্চ কি আর পাবেন?‌

বিশ্বাসের সিংহাসন থেকে জাস্টিস গাঙ্গুলিকে কে সরাবে!‌

অভিজিৎ গাঙ্গুলি নামটাকে বাঙালি বড্ড ভাল বেসে ফেলেছে। বড্ড বিশ্বাস করে ফেলেছে। সেই ভালবাসা ও বিশ্বাসের সিংহাসন থেকে তাঁকে সরানোর ক্ষমতা ওই কীর্তিমানদের নেই, এমনকী সুপ্রিম কোর্টেরও নেই। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

পাইন বনের মেঘমাখানো চিঠি

আগে যখন গানটা শুনতাম, মনে হত গাঁজাখুরি। খেয়ে-দেয়ে কাজ নেই। ‘মেঘের উপর দিয়ে হাঁটি’! কিন্তু এখন সত্যি সত্যি আমারও হেঁটে বেড়াতে ইচ্ছে করছে। মেঘের কি আর ঠিকানা আছে! কোথায় উড়ে যাবে, কে জানে! তোমার ঠিকানাও তো জানি না। তবু চিঠি লিখতে বাধা কোথায়! যেমনভাবে লিখি, পৌঁছয় না, তবু লিখি।

সত্যজিৎ রায়কে খোলা চিঠি

আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

বোরিয়াদা, নেবে একটা ইন্টারভিউ!‌

স্বরূপ গোস্বামী বোরিয়াদা,   সম্পর্কটা অনেকদিনের। এভাবে চিড় ধরবে, ভাবিনি। কিন্তু সব চিত্রনাট্যের ওপর তো আমাদের হাত থাকে না। আমাদের অজান্তেই অনেক চিত্রনাট্য লেখা হয়ে যায়।   সেই সময় আমি...

পাগলি তোমার সঙ্গে

এখানে আসার আগেও একটা ‘কিন্তু কিন্তু’ ব্যাপার ছিল। কিন্তু যেই সুখিয়া পোখরি পেরোলাম, যেই গাড়ির জানালা দিয়ে মেঘ ঢুকে আসছে, তখনই মনে হল, ঠিক জায়গাতেই এসেছি।পাহাড় থেকে মুগ্ধতা মাখানো চিঠি।

‌প্লিজ লোপা, কবিতা থেকে গান বন্ধ করবেন না

সমীরবাবু না হয় নেই। আর কেউ কি কবিতায় সুর দিতে পারবেন না?‌ ঘরেই তো আছেন এক কৃতী সুরকার। একটু না হয় তাঁকেই ধমকে চমকে সুর করান। মন থেকে বিশ্বাস করি, জয় সরকার চেষ্টা করলে পারেন। সেই গান যদি তিনি অন্য কাউকে দিয়ে গাওয়ানোর চেষ্টা করেন!‌ কোমর বেঁধে ঝগড়া করুন। ওই গান আপনার, শুধু আপনার।

পর্দায় নয়, জীবনের হিরো সোনু

প্রায় দু’‌দশক ধরে পায়ের তলায় একটু মাটি পাওয়ার জন্য কত লড়াই করেছি। কতবার মনে হয়েছে, এভাবে লড়াই করার থেকে বাড়ি ফিরে যাওয়া অনেক ভাল। পকেটে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি আছে। বাবার ব্যবসা আছে। কী দরকার একটা–‌দুটো খুচরো রোল পাওয়ার জন্য এত ঝক্কি নেওয়ার।