ভাইরাল হয়েই থেকে গেল ‘‌এমন তো কতই হয়’‌

কিন্তু ওই যে ‘‌ইট হ্যাপেন্স’। একটি বাংলা কাগজে তার বাংলা তর্জমা হয়ে গেল ‘‌এমন তো কতই হয়।’ সেটাই দশকের পর দশক ধরে ভাষণে ভাষণে ছড়িয়ে গেল। কেউ কেউ নিজের মতো করে অতিরঞ্জিত করে বসলেন। আজও সেই অতিরঞ্জনের ট্রাডিশন চলছে।

জ্যোতিবাবুর দলের লোকেরা যদি তাঁর মতো একটু সহজ ভাষায় বলতে পারতেন!‌

ম্যানেজার বলল, স্যার, এটা ফেমাস দার্জিলিং টি। ওই ছোকরা আমাকে দার্জিলিং চেনাচ্ছে। ও জানে না যে দার্জিলিংটা পশ্চিমবঙ্গে আর আমি সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী। ও জানুক আর না জানুক, বিদেশির মুখে দার্জিলিং চায়ের সুনাম শুনে ভাল লাগল। বেশ গর্বই হল। কিন্তু দার্জিলিং চা খেতে আমাকে লন্ডন যেতে হবে কেন?‌

পিছনে পড়ে রইল সেই শালবন, কিরিবুরুর সেই মেঘ

সকালে উঠে হাঁটতে বেরিয়ে পড়া। রাস্তা ধরে অলস পায়ে এগিয়ে যাওয়া। কোথাও বসে থাকা। দূরের পাহাড় দেখা। আবার ফিরে আসা। কোনও তাড়া নেই। কোথাও পৌঁছতে হবে না। এই ‘কোথাও পৌঁছতে না হওয়ার’ আনন্দটাই সম্ভবত সবচেয়ে বড় বিলাসিতা।

‌মেসির মধ্যে তো মারাদোনাকেই খুঁজি

স্বরূপ গোস্বামী তিনি একজন বেঁটে মানুষ। একেবারেই খামখেয়ালি। কখনও শিশুর মতো সরল, কখনও চূড়ান্ত বদমেজাজি। থাকেন সুদূর লাতিন আমেরিকায়। কিন্তু এই চরম বেআক্কেলে লোকটাই বদলে দিলেন বাঙালির ভাবনার ভুবন। এমনিতে...

ক্রীড়া সাংবাদিকতা!‌ রিফ্লেক্টেড গ্লোরিতেই আচ্ছন্ন

মোদ্দা কথা, না আছে পরিশ্রম। না আছে পড়াশোনা। না আছে মেধা। না আছে লেখার মুন্সিয়ানা। না আছে সেই পর্যায়ের যোগাযোগ। না আছে ন্যূনতম সংযম। তাহলে, রইলটা কী? ‌
ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে কি আয়নার সামনে দাঁড়াবেন এই প্রজন্মের ক্রীড়া সাংবাদিকরা?‌

বনস্পতির ছায়া দিলেন, সারাজীবন

আজ ২ জুলাই। কিংবদন্তী জননেতা অশোক ঘোষের জন্মদিন। বেশ কয়েক বছর আগে, তাঁর জন্মদিনে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। তার কয়েকটি লেখা আবার প্রকাশিত হচ্ছে। যাঁরা আগে পড়েননি, তাঁরা এখন পড়ে নিতে পারেন। যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা আবার পড়লেও মন্দ লাগবে না।

সবাইকে মন্ত্রী, এমপি বানিয়েছেন, নিজে হননি

অশোক ঘোষের কথা বললেই মনের মধ্যে ভিড় করে টুকরো টুকরো কত স্মৃতি। আমার জীবনের সঙ্গে, আমার লড়াইয়ের সঙ্গে তিনিও যেন একাত্ম হয়ে আছেন। আজ তিনি আমাদের ধরাছোঁযার বাইরে। তবু কেন জানি না, চোখ বুজলেই তাঁকে দেখতে পাই। এখনও যখন কোনও বিষয় নিয়ে সংশয় তৈরি হয়, মনে মনে ভাবার চেষ্টা করি, তিনি থাকলে কী পরামর্শ দিতেন। তখন কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়।

কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!‌

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার যেমন তেমন রোগী নন। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ড জন কেনেডি।

বিধানবাবু ও একটি আটপৌরে সভা

ভাবা যায়, একজন মুখ্যমন্ত্রী এরকম বার্তা দিচ্ছেন! গল্পের ছলে কত ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে দিলেন।‌ কোনও লড়াইয়ের কথা নয়। দেশের স্বার্থে প্রাণ বাজি রাখার কথা নয়। অথচ, তাঁর যা পাণ্ডিত্য, যে কোনও বিষয় নিয়েই কথা বলতে পারতেন। আসলে, অল্পবিদ্যা সবসময়ই ভয়ঙ্করী। প্রকৃত জ্ঞানীরাই এমন সরল হতে পারেন।