গঙ্গারাম নেহাতই সুপাত্র, সব তাঁর ‘‌হাপিডেবিটে’‌ আছে

মাধ্যমিক পাস করেছেন কিনা বলতে পারেন না। অথচ, হলফনামায় কী অবলীলায় পিএইচডি লিখে ফেলেন!‌ সব তাঁর হাপিডেবিটে আছে। এমন গঙ্গারামকে পাত্র হিসেবে যখন পেয়েই গেছেন, তখন সে কেমন ছেলে, নাইবা জানতে চাইলেন!

একজন ম্যাট্রিক পাস পাওয়া গেল না!‌

মূর্খ লোক মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না, এমনটা সংবিধানে কোথাও বলা নেই। কিন্তু যিনি নন ম্যাট্রিক, তিনি যদি পিএইচডি–‌র ভুয়ো সার্টিফিকেট দাখিল করেন, তখন সেটা জালিয়াতি। এই জালিয়াতির কথা জানার পরেও যাঁরা তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করেন, সত্যিই তাঁদের জন্য করুণা হয়। এরকম একজন কীর্তিমান যে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে শপথ নিলেন, এটা নির্বাচন কমিশন ও দেশের বিচার ব্যবস্থাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল।

এই কমিশনকে পাসমার্ক দেওয়াও কঠিন

একটু বিচক্ষণতা থাকলে, একটু দূরদর্শিতা থাকলে এই ভোগান্তি এড়ানো যেত। বারবার কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হত না। মনোনয়ন জমা হয়ে গেল, ভোট আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। এখনও তালিকাই চূড়ান্ত হল না। এমনকী কোর্টও কার্যত হাত তুলে দিয়েছে।

ভোটের আগেই দেওয়াল লিখন স্পষ্ট ছিল

গত কয়েক মাস ধরেই নীতীশ কুমার অসুস্থ ছিলেন। অসংলগ্ন কথা বলছিলেন। আচরণও স্বাভাবিক ছিল না। বলা যায়, মাথা উঁচু রেখেই সরে গেলেন। এছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও উপায়ও ছিল না। সবাইকেই একটা সময় নেতৃত্বের রাশ তুলে দিতে হয়। নীতীশবাবুকেও সরে দাঁড়াতে হল। তবে জঙ্গলরাজের বিহারকে সুশাসনের রাস্তায় আনার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে।

শূন্য পাওয়া পিকেই কিন্তু ম্যান অফ দ্য ম্যাচ

এত সহজে সরে যাওয়ার বান্দা তিনি নন। অন্তত আরও পাঁচটা বছর তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ডাক শুনে কেউ না এলে তিনি একলাই চলবেন। কে বলতে পারে, পাঁচ বছর পর বিহারে অন্য এক ইতিহাস লেখা হবে না!‌

ইতিহাস এভাবেই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসে

এতদিন আগের প্রধানমন্ত্রীদের অকাতরে ‘‌কাপুরুষ’‌ বলে এসেছেন। এখন সেই ‘‌তকমা’‌ নিজের দিকে ধেয়ে আসবেই। এতদিন অন্যদের বলে গেছেন আমেরিকার কথায় ওঠা–‌বসা করে। এবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যেই বারবার বলে চলেছেন, তাঁর ধমকে সিজ ফায়ার বন্ধ হয়েছে। এখন সরকারের চুপ থাকা ছাড়া কিছুই করার নেই। ইতিহাস এভাবেই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসে।

পাকিস্তানের আসল এজেন্ট তাহলে কারা?‌

রক্তিম মিত্র মন কী বাত বলে কথা। মাঝে মাঝে মনের কথা বেরিয়েই আসে। যতই সাজানো স্ক্রিপ্ট থাকুক, সত্যি কথা কোন ফাঁকতালে যে বেরিয়ে আসে, বলা মুশকিল। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাকিস্তান শুধু...

কুণাল কামরাকে নয়, ওই শিবসৈনিকরা যেন থাপ্পড় মারলেন শিন্ডেকেই

তাঁরা এটাও জানেন, কেন্দ্রের দিক থেকেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। মোদিকে ব্যঙ্গ করেছেন, অতএব ভাঙচুর বৈধ, এই আনন্দে কেন্দ্রীয় সরকারও হাত গুটিয়েই থাকবে। অর্থাৎ, কেন্দ্রের সরকার যাঁরা চালাচ্ছেন, তাঁরাও এই গুন্ডামি আটকাতে কিছুই করবে না। উল্টে তাঁদের আড়াল করবে। পুরস্কৃত করবে। আর কুণাল কামরাকে নানাভাবে হেনস্থা করবে। সত্যিই, প্রধানমন্ত্রীর অপদার্থতার ওপর তাঁর দলের লোকের কতখানি আস্থা!‌

এমন ব্যর্থতার পরেও ধন্য ধন্য করবেন!‌

সুমন মণ্ডল একটা কথা শুরুতেই বলে ফেলা যাক, বাজেটের আমি কিছুই বুঝি না। বাজেট বুঝতে গেলে যে অর্থনৈতিক জ্ঞানগম্যি থাকতে হয়, আমার অন্তত তা নেই। তাই কোথায় সাফল্য, কোথায় ব্যর্থতা,...

আপনি একবার ‘‌দেশপ্রেমী’‌ হয়ে গেলেই অনেক অপকর্ম ঢাকা পড়ে যাবে

এতদিন শুনে আসতাম, ভারতকে নাকি সবাই ভয় পায়। আমেরিকা, চীন, জাপান সবাই নাকি ভারতকে ভয় পাচ্ছে। গত কয়েকমাসে অন্তত এটুকু বোঝা গেল, পাশের পুঁচকে রাজ্য বাংলাদেশও মোদিকে পাত্তা দেয় না। তাঁদের সরকারের কর্মকাণ্ড অবশ্যই নিন্দনীয়। কিন্তু তাঁরা যে ভারতকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না, এটা অন্তত পরিষ্কার।