কে বলল দরজা খুলবে না?‌ ঠিক খুলবে

বিজেপিও আপাতত এই ‘পর্যটকদের’ সবাইকে নিজের ঘরে তুলে নিতে চাইছে না। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জুন মাসেই বলেছিলেন, তৃণমূলের নেতাদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ; ‘তৃণমূলীকরণ’ হতে দেওয়া হবে না। ’‌ কিন্তু কতদিন এই দরজা বন্ধ থাকবে!‌ যে কোনওদিন সেই আলিবাবা চল্লিশ চোরের মতো শোনা যাবে, ‘‌খুল যা সিম সিম’‌।

পথের বাঁক বদলে দিতে পারে বাঁকিপুর

বাঁকিপুর বিধানসভা পাটনা সাহিব লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০০৮ সালের সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর মূলত তৎকালীন পাটনা পশ্চিম ও পাটনা মধ্য বিধানসভার অংশ নিয়ে এই কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। সামাজিক বিন্যাসের দিক থেকে...

প্রশ্নগুলো সহজ, কিন্তু সহজ কাজটাই এতদিন বেশ কঠিন ছিল

প্রশ্নগুলো সহজ হলেও অনুচ্চারিতই থেকে যায়। কারণ, প্রশ্ন করলেই জুটে যেত দেশদ্রোহীর তকমা। বুঝিয়ে দেওয়া হত, শাসকের উত্তর দেওয়ার কোনও দায় নেই। বরং সে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। পাল্টা তকমা লাগিয়ে দেয়।

কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!‌

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার যেমন তেমন রোগী নন। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ড জন কেনেডি।

গঙ্গারাম নেহাতই সুপাত্র, সব তাঁর ‘‌হাপিডেবিটে’‌ আছে

মাধ্যমিক পাস করেছেন কিনা বলতে পারেন না। অথচ, হলফনামায় কী অবলীলায় পিএইচডি লিখে ফেলেন!‌ সব তাঁর হাপিডেবিটে আছে। এমন গঙ্গারামকে পাত্র হিসেবে যখন পেয়েই গেছেন, তখন সে কেমন ছেলে, নাইবা জানতে চাইলেন!

একজন ম্যাট্রিক পাস পাওয়া গেল না!‌

মূর্খ লোক মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না, এমনটা সংবিধানে কোথাও বলা নেই। কিন্তু যিনি নন ম্যাট্রিক, তিনি যদি পিএইচডি–‌র ভুয়ো সার্টিফিকেট দাখিল করেন, তখন সেটা জালিয়াতি। এই জালিয়াতির কথা জানার পরেও যাঁরা তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করেন, সত্যিই তাঁদের জন্য করুণা হয়। এরকম একজন কীর্তিমান যে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে শপথ নিলেন, এটা নির্বাচন কমিশন ও দেশের বিচার ব্যবস্থাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল।

এই কমিশনকে পাসমার্ক দেওয়াও কঠিন

একটু বিচক্ষণতা থাকলে, একটু দূরদর্শিতা থাকলে এই ভোগান্তি এড়ানো যেত। বারবার কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হত না। মনোনয়ন জমা হয়ে গেল, ভোট আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। এখনও তালিকাই চূড়ান্ত হল না। এমনকী কোর্টও কার্যত হাত তুলে দিয়েছে।

ভোটের আগেই দেওয়াল লিখন স্পষ্ট ছিল

গত কয়েক মাস ধরেই নীতীশ কুমার অসুস্থ ছিলেন। অসংলগ্ন কথা বলছিলেন। আচরণও স্বাভাবিক ছিল না। বলা যায়, মাথা উঁচু রেখেই সরে গেলেন। এছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও উপায়ও ছিল না। সবাইকেই একটা সময় নেতৃত্বের রাশ তুলে দিতে হয়। নীতীশবাবুকেও সরে দাঁড়াতে হল। তবে জঙ্গলরাজের বিহারকে সুশাসনের রাস্তায় আনার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে।

শূন্য পাওয়া পিকেই কিন্তু ম্যান অফ দ্য ম্যাচ

এত সহজে সরে যাওয়ার বান্দা তিনি নন। অন্তত আরও পাঁচটা বছর তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ডাক শুনে কেউ না এলে তিনি একলাই চলবেন। কে বলতে পারে, পাঁচ বছর পর বিহারে অন্য এক ইতিহাস লেখা হবে না!‌

ইতিহাস এভাবেই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসে

এতদিন আগের প্রধানমন্ত্রীদের অকাতরে ‘‌কাপুরুষ’‌ বলে এসেছেন। এখন সেই ‘‌তকমা’‌ নিজের দিকে ধেয়ে আসবেই। এতদিন অন্যদের বলে গেছেন আমেরিকার কথায় ওঠা–‌বসা করে। এবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যেই বারবার বলে চলেছেন, তাঁর ধমকে সিজ ফায়ার বন্ধ হয়েছে। এখন সরকারের চুপ থাকা ছাড়া কিছুই করার নেই। ইতিহাস এভাবেই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসে।