কানাইয়ালাল নয়, বিধানসভার ওপরই করুণা হচ্ছে

বিধানসভার সবথেকে মূল্যবান কমিটির চেয়ারম্যানের পদ আবার দলবদলুদের জন্যই। সরকার বদল হল। কিন্তু দলবদলু আর অযোগ্য লোকেদের মাথায় বসানোর প্রথা বন্ধ হল না। বহাল তবিয়তেই চলছে। কানাইয়ালালের প্রতি নয়, বিধানসভার প্রতিই বড় করুণা হচ্ছে।

আপনার বাড়িতে পুজো সংখ্যা নেওয়া হয়!‌

সৃজন শীল শিক্ষিত বাঙালির জীবনে পুজোর এক অনিবার্য অনুষঙ্গ ছিল পুজো সংখ্যা। যে কোনও বাড়িতেই যান, একটা বা দুটো পুজো সংখ্যা চোখে পড়ত। এবং সেই বইগুলি নিছক লোককে দেখানোর জন্য...

নতুন জায়গা খুঁজেই পর্যটনের বিস্তার ঘটাতে হবে

সজল পাত্র বেড়ানো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। আগে কোথাও যেতে হলে আগাম তথ্য পাওয়া বেশ কঠিনই ছিল। কীভাবে যেতে হয়, কোথায় থাকবেন, এসব জানতে ভ্রমণের বইয়ের সন্ধান করতে হত।...

ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

শুশুনিয়ায় জল ভরে এক্তেশ্বরের মন্দিরে ঢালতে যাওয়ার কথা। শুশুনিয়া থেকে ফেরার পথে একসঙ্গে জনা দশেক বন্ধু। তখন ভোলেবাবা মানে, অনেক নিষিদ্ধ কৌতূহলের হাতছানি। অনেকের সিগারেট খাওয়ার হাতেখড়ি হয় এই ভোলেবাবাতেই। সেবার কয়েকজনের ইচ্ছে হল, একটু গঞ্জিকা (গাঁজা) সেবনের। গন্ধেশ্বরীর পাড়ে এসে কয়েকজন বসে পড়লাম। এক বন্ধুর অভ্যেস ছিল। সে দিব্যি টান মেরে গেল।

আপনার হাতে রইল শুধুই ডিম, ঘোড়ার ডিম

একবার ডিম ছোঁড়ার ভিডিও দেখলে বারেবারে সেই লিঙ্কই আসবে। কারণ, ফেসবুক বা ইউটিউব ততদিনে বুঝে নিয়েছে, আমি এই দৃশ্যই দেখতে চাই। কেউ উল্টো যুক্তি দিচ্ছে!‌ দেশদ্রোহী বলে দাও। লোকে এটাও কিন্তু হেব্বি খাচ্ছে।

হোম স্টের নামে রিসর্ট কালচার বন্ধ হোক

রজত সেনগুপ্ত ‌কয়েকমাস আগে গিয়েছিলাম পাহাড়ে। বছরে দুই থেকে তিনবার উত্তরবঙ্গে যাওয়াটা বহুদিনের অভ্যেস। শহর নয়, পাহাড়ি গ্রামগুলোই আরও বেশি করে টানে। গ্রামের স্নিগ্ধতা, নির্জন প্রকৃতি যেন মন ভাল করে...

তাকদার সেই ব্রিটিশ বাংলোয়

এই তাকদাতেই সতেরোখানা বাংলো বানিয়েছিলেন ব্রিটিশরা। এখানেই ছিল তাঁদের ক্যান্টনেন্ট। কালের নিয়মে কোনওটা ভগ্নপ্রায়। কোনওটা হয়েছে স্কুল। কোনওটা হয়েছে গেস্ট হাউস। মেঘমাখানো তাকদার সেই ইতিহাস উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর লেখায়।

পুরুলিয়াকে নিয়ে এই হেলাফেলা আর কতদিন?‌

দিলীপ মাহাত পুরুলিয়াকে বলা হয় পিছিয়ে পড়া জেলা। আসলে, মূল শহর থেকে দূরে থাকলেই তাকে পিছিয়ে পড়া বলে চিহ্নিত করতে আমরা ভালবাসি। কিন্তু যারা পিছিয়ে পড়া, তাদের এগিয়ে আনার কতখানি...

গোলপাহাড়ের দেশে যা, চা–‌পাহাড়ের দেশে যা

পাহাড়ের ভোর। সে এক অনাবিল আনন্দ। সাতসকালেই একমুখ হাসি নিয়ে হাজির মনোজ তামাং। বললেন, সামনের ওই পাহাড়টায় চলে যান। আজ ওয়েদার খুব ভাল। কাঞ্চনজঙ্ঘা পরিষ্কার দেখা যাবে।

বাসে ফ্রি!‌ নিয়মে একটু বদল আসুক

শুরু থেকেই যদি নিয়মের এমন অপব্যবহার শুরু হয়, কয়েকমাস পরে তা আরও মারাত্মক জায়গায় পৌঁছে যাবে। তাই পরিবহণ দপ্তরের কাছে অনুরোধ, এই নিয়মের পুনর্বিবেচনা করা হোক। নিয়মের অপব্যবহার রুখতে কিছু সংশোধন আনা হোক।