সবাই মগ্ন মোবাইলে। সবাই মগ্ন মোবাইলে। ট্রেনে ওঠার সাথে সাথেই পকেট থেকে বা ব্যাগ থেকে বেরিয়ে পড়ে ওই যন্ত্রখানা। সিটে বসার আগেই কানে ইয়ার ফোন গোঁজা হয়ে গেল। এবার তিনি শুনবেন। কী শুনবেন, কে জানে! কে কেউ আবার ইয়ার ফোনের ধার ধারেন না। তারস্বরে রিলস চালিয়ে যান। পাশের সহযাত্রীর অসুবিধা হচ্ছে কিনা, ভাবতে বয়েই গেছে।
ডোমকলের জয়টা অবশ্যই বামেদের বাড়তি অক্সিজেন দেবে। এই জয় ফ্লুকে এসেছে, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। আছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, আছে সুনির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা। সেইসঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য মুখে ভরসা রাখা। মুস্তাফিজুর রহমান রানা ফেসবুক নির্ভর রাজনীতি করেননি। দৈনন্দিন সংযোগকে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, যেখানে বামেরা ক্ষতায় আসবে না, এই সত্যিটা জানার পরেও মানুষ সেই তাঁকেই ভোট দিয়েছেন।
আচ্ছা বামফ্রন্টের ৩৪ বছর কেন বলা হয়? কেন ৩৫ নয়? এই উত্তরটাও অনেকের কাছে স্পষ্ট নয়। মনে প্রশ্নও আসে না। এবং অধিকাংশ লোকের সঙ্গে আলোচনা করে দেখেছি, তাঁরা বিষয়টা সম্পর্কে একেবারেই অবহিত নন। সেই কারণেই বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিষয়টির সঙ্গেও তাঁরা পরিচিত নন।
সাম্প্রতিককালে কেউ নিউ জলপাইগুড়ি গিয়েছেন? গেলেই বুঝতে পারবেন দুর্ভোগ কাকে বলে। যাঁরা উত্তরবঙ্গ বা সিকিমে বেড়াতে যান, তাঁরা মূলত নামেন এই এনজেপি স্টেশনেই। প্রতিদিন কয়েক লক্ষ মানুষ এই স্টেশন দিয়ে...
যাঁরা ভোট দিচ্ছিলেন, তাঁরাই দিলেন। শুধু কিছু মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটারের নাম বাদ পড়ল। আর তাতেই আশি শতাংশ থেকে বেড়ে নব্বই শতাংশ হয়ে গেল।
ভুবন সেন আপনি এক পথচলতি জনতা। আপনি মেট্রোয় চড়েন। আপনি ট্রেন চড়েন। আপনি পাড়ার চায়ের দোকানে বসেন। আপনি টিভি দেখেন। আপনি ফেসবুকে চোখ রাখেন। আপনার চোখ–কান খোলা। কে কী বলছে,...
নতুন বছরে আমরা তাহলে কী করব? বাংলা ডেড ল্যাঙ্গুয়েজ, এটা বলে একটা বিকৃত আনন্দ পাব? নাকি হাহুতাশ করে যাব? এসব পন্থা ছেড়ে নিজেদের জীবন যাপনে যেন একটু হলেও বাংলাকে ফিরিয়ে আনতে পারি, সেই চেষ্টাই বোধ হয় করা উচিত। না, বাংলা ভাষার জন্য মিছিল করতে হবে না, প্রাণ দিতেও হবে না। মাসে অন্তত একটা ভাল বই পড়া, একটা ভাল বাংলা ছবি দেখা, অন্তত একটা চিঠি লেখা, কয়েকটা গান শোনা— এটুকু তো করতে পারি।
একটু বিচক্ষণতা থাকলে, একটু দূরদর্শিতা থাকলে এই ভোগান্তি এড়ানো যেত। বারবার কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হত না। মনোনয়ন জমা হয়ে গেল, ভোট আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। এখনও তালিকাই চূড়ান্ত হল না। এমনকী কোর্টও কার্যত হাত তুলে দিয়েছে।
তখন সত্যিই এত কিছু বুঝতাম না। কত দেওয়ালে এমন প্রতীক এঁকেছি। সেই হেড স্যার আজ আর বেঁচে নেই। সত্যিই, তখন পরিবেশটাই অন্যরকম ছিল। ছাত্র তাঁর রঙ করা দেওয়ালে অন্য দলের প্রতীক আঁকছে দেখেও তিনি বাধা দেননি। বরং, মুগ্ধ হয়ে এই ছেলেমানুষি দেখেছেন। এমনকী পরেও সেই প্রতীক মুছে ফেলেননি। সেই মানুষগুলোই আর হারিয়ে গেছেন। তাই সেই সহিষ্ণুতাও আর খুঁজে পাই না। সেদিনের রাজনীতি আর এদিনের রাজনীতি— ফারাক অনেকটাই।
বিজেপির বড় চমক অবশ্যই শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নন্দীগ্রামে দাঁড়াবেন, তা তো জানাই ছিল। কিন্তু পাশাপাশি ভবানীপুরেও তাঁকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে বড়সড় ঝুঁকিই নিয়েছে বিজেপি। কোনও সন্দেহ নেই, শুভেন্দু নিজেও যথেষ্ট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আগেরবার মমতা ব্যানার্জির নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে যতটা সাহসিকতার পরিচায় দিয়েছিলেন, শুভেন্দুর এই ভূমিকা আরও বেশি দুঃসাহসী।