এইসব লোকেদের কেউ গ্রন্থাগারের দায়িত্ব দেয়!
লাইব্রেরি দপ্তরের আসল সমস্যা কোনগুলো, সেগুলো বোঝার মতো সময় বা ইচ্ছে, কোনওটাই তাঁর আছে বলে মনে হয় না। কত গুলো লাইব্রেরি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে, কতজন গ্রন্থাগারিকের পদ শূন্য আছে, এগুলো নিয়ে তাঁর কোনও মাথাব্যথাই নেই। থাকলেও কাগজে প্রকাশিত খবরে তা অন্তত প্রকাশ পায়নি।
এত নিয়মের ফিরিস্তি আগে তো শোনা যায়নি!
একই পরিবারে হয়তো বড় বউয়ের হয়নি, কিন্তু ছোট বউয়ের হয়েছে। এই বাড়িতে হয়নি, পাশের বাড়িতে হয়েছে। এর ফলে, একটা পারস্পরিক ঈর্ষাও তৈরি হচ্ছে। দুই গৃহবধূর মধ্যে একটা চাপা লড়াই তৈরি হয়ে যাচ্ছে। সরকার পক্ষ হয়তো যুক্তি দেখাবে, এত টাকা নেই। যুক্তি হিসেবে ভাল। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে, টাকা যে নেই, সেটা ভোটের আগে জানা ছিল না?
শ্যামাপ্রসাদের বই নিজেরা পড়েছেন তো!
নিজেকে খুঁজে পাওয়ার ঠিকানা কাফের গাঁও
হাঁটতে হাঁটতে বুঝলাম, এই পথের আসল সৌন্দর্য কোনও নির্দিষ্ট দৃশ্যে নয়। সৌন্দর্যটা লুকিয়ে আছে হাঁটার মধ্যেই। একা হাঁটতে হাঁটতে নিজের সঙ্গে কথা বলার মধ্যে। পাখির ডাক শুনতে শুনতে হঠাৎ কোনও পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে যাওয়ার মধ্যে। কিংবা কোনও কারণ ছাড়াই ভালো লেগে যাওয়ার মধ্যে।
যেন আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেলেন
একটি আত্মহত্যা যেন অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেল। রাজনীতিতে শিক্ষিত ও ভদ্রলোকের বড়ই আকাল। সব দলেই এমন মানুষের সংখ্যা বেশি, যাঁদের দেখলে তেমন শ্রদ্ধা আসে না। সেই আবহেই কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের উপস্থিতি হয়তো সেভাবে বোঝা যায় না। হয়তো তাঁরা নিতান্তই কম সংখ্যায় থাকেন। তাই ঢাকা পড়ে যান।
সরকারকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে গেলেন আশিস ব্যানার্জি
না বোঝা সেই স্বাধীনতার রোমাঞ্চই ছিল আলাদা
কানাইয়ালাল নয়, বিধানসভার ওপরই করুণা হচ্ছে
বিধানসভার সবথেকে মূল্যবান কমিটির চেয়ারম্যানের পদ আবার দলবদলুদের জন্যই। সরকার বদল হল। কিন্তু দলবদলু আর অযোগ্য লোকেদের মাথায় বসানোর প্রথা বন্ধ হল না। বহাল তবিয়তেই চলছে। কানাইয়ালালের প্রতি নয়, বিধানসভার প্রতিই বড় করুণা হচ্ছে।
