তখন সত্যিই এত কিছু বুঝতাম না। কত দেওয়ালে এমন প্রতীক এঁকেছি। সেই হেড স্যার আজ আর বেঁচে নেই। সত্যিই, তখন পরিবেশটাই অন্যরকম ছিল। ছাত্র তাঁর রঙ করা দেওয়ালে অন্য দলের প্রতীক আঁকছে দেখেও তিনি বাধা দেননি। বরং, মুগ্ধ হয়ে এই ছেলেমানুষি দেখেছেন। এমনকী পরেও সেই প্রতীক মুছে ফেলেননি। সেই মানুষগুলোই আর হারিয়ে গেছেন। তাই সেই সহিষ্ণুতাও আর খুঁজে পাই না। সেদিনের রাজনীতি আর এদিনের রাজনীতি— ফারাক অনেকটাই।
দোহাই, পলাশ পলাশ করে নেচে উঠবেন না। মার্চ এপ্রিল মোটেই এই রুক্ষ মাটির দেশে আসার সময় নয়। আসতে হলে শীতে আসুন। তবেই এই দুই রত্নগর্ভা জেলাকে চিনতে পারবেন।
আলো না ফুটলেও সেই আবছা অন্ধকারে আলোর একটা মৃদু আভাস দেখা যায়। চারপাশটা কী সুন্দর শান্ত, স্নিগ্ধ, শীতল, পবিত্র। কোথাও কোনও আওয়াজ নেই। কোনও কোলাহল নেই। থাকে শুধু এক অপরূপ মুগ্ধতা। ভোরের সেই সুগন্ধ, সেই মুগ্ধতার স্পর্শ যে না পেয়েছে তাকে বোঝানো যাবে না এই ভোরের মাহাত্ম্য। তাই যেদিন ভোরে উঠতে পারি না, সেদিন মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়। মনে হয় জীবন থেকে একটা অপরূপ ভোর হারিয়ে গেল।
স্বাধীনতা দিবস। একেক বয়সে একেক চেহারায় হাজির হয়। ছোটবেলায় ফুল নিয়ে স্কুলে যাওয়া। চকোলেট নিয়ে বাড়ি ফেরা। একটু বড় হয়ে, লুচি–আলুর দম। না বুঝে পালন করা সেই স্বাধীনতা দিবসের নস্টালজিয়া নিয়ে লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।
তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।
যাঁরা রেল প্রশাসন চালাচ্ছেন, তাঁদের কি বাংলা মানচিত্র সম্পর্কে ন্যূনতম ধারনাও নেই? তাঁদের একবারও মনে হয় না, সকাল দিকে অন্তত একটা ট্রেন হাওড়া থেকে থাকা দরকার! বাঁকুড়া–পুরুলিয়ায় তো তিনজনের মধ্যে দুজন সাংসদ বিজেপির। অধিকাংশ বিধায়ক বিজেপির। তাঁরাই বা কী করছেন? এটা তো রাজ্যের ব্যাপার নয়। রাজ্য বাধা দিচ্ছে, এমনটাও বলা যাবে না। তাহলে তাঁদের ভূমিকাটা কী?
সেবার চৌরঙ্গি ও শালতোড়া–দুটি আসনেই জিতেছিলেন বিধানবাবু। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দিতে হত। তিনি চৌরঙ্গি আসনটিই ধরে রেখেছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন জানুয়ারিতে। জুলাই মাসের প্রথম দিনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফলে, আর শালতোড়ায় আসা হয়নি। শোনা যায়, শালতোড়াকে ঘিরেও তাঁর কিছু উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। লিখেছেন সজল মুখার্জি।
ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।
আমাদের ছোটবেলায় শরৎকাল, বসন্তকাল নিয়ে রচনা আসত। কেউ কেউ ঝেড়ে মুখস্থ করত। আবার কেউ কেউ নিজেদের অভিজ্ঞতা মিশিয়ে এটা–সেটা কিছু একটা লিখে আসত। এখনকার যা সিলেবাস, বোধ হয় এসব রচনা আর আসে না। আর এলেও বানিয়ে লেখা বোধ হয় সম্ভব নয়। কারণ, শরৎকালের সঙ্গে বসন্তকালের কী ফারাক, দৈনন্দিন জীবনে তা বুঝে ওঠার সত্যিই কোনও উপায় নেই। দুটোই আসলে গরমকালের দুই রূপ।
অন্তরা চৌধুরি বাঁকুড়ার লোকের মুড়ি খাওয়া নিয়ে যে যতই কুৎসা করুক, শুধু মুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করেই বাঁকুড়াতে একটা আস্ত মুড়ি মেলা হয়। এই মেলার বয়স প্রায় দুশো বছর। মাঘ মাসের...