জুনিয়রকে আমরা কত সহজে ভুলে গেলাম!‌

বাইচুং, ওকোরোদের ছাপিয়ে নায়ক কিনা জুনিয়র!‌ সত্যিই যেন রূপকথার মতো। কিন্তু এই জুনিয়রকে ধরে রাখা যায়নি। নিঃশব্দে তাঁকে তুলে নিয়েছিল ডেম্পো। কী করে ভুলব ফেডারেশন কাপ ফাইনালের সেই মর্মান্তিক ঘটনার কথা!‌ মাঠেই প্রাণ হারিয়েছিলেন আমাদের প্রিয় জুনিয়র। তাঁর শেষ টাচটাও গোলের ঠিকানা চিনে নিতে ভুল করেনি।

অর্ধেক আইএসএল!‌ ইস্টবেঙ্গলের শাপে বরই হল

এবারের এই দুরন্ত জয়ের পর একটাই প্রত্যাশা, এবার দলগঠনে যেন গড়িমসি না হয়। কোচ অস্কার ব্রুজোন থাকছেন কিনা, দ্রুত তার নিষ্পত্তি হোক। এখন থেকেই দলগঠনে নেমে পড়া হোক। শুধু এজেন্ট নির্ভর দলগঠন নয়। কর্তাদের পাশাপাশি প্রাক্তন ফুটবলারদেরও মতামত নেওয়া হোক। আরও বেশি করে বাঙালি প্রতিভা তুলে আনা হোক।

সব পরিচিতিকে তুচ্ছ করে মোহনবাগানকেই আঁকড়ে ধরেছেন

টুটু বসু বললেই সবার আগে মনে পড়ে মোহনবাগানের কথা। তিনি নিজেও নিজেকে মোহনবাগানী ভাবতে ও বলতে ভালবাসতেন। তাই বাকি সব পরিচিতিকে তুচ্ছ করে মোহনবাগানকেই আঁকড়ে ধরেছেন।

বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন মোহনবাগানকে

টুটু বাবু বুঝেছিলেন, ভাল দল না গড়লে মাঠেও ভাল ফল পাওয়া যাবে না। ট্রফি জিততে গেলে খেলোয়াড়দের যেমন ভূমিকা থাকে, তেমনই কর্তাদেরও বড় ভূমিকা থাকে। তখনকার মোহনবাগানে স্পনসর ছিল না। কার্যত নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়েই দল গড়তেন এই মানুষটি।

নীল সাদা কিন্তু থেকেই যাবে, মেসি তো আছেন

আমরা সবাই একেকজন খুদে বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠব। আমাদের দেশ বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে কোথায় দাঁড়িয়ে, সেই প্রশ্ন আপাতত তোলা থাক। এই একটা মাস আমরা যথার্থই বিশ্ব নাগরিক।

বাপরে কি ডানপিটে ছেলে!‌

গাভাসকারের ব্যাটন উঠে এসেছিল শচীনের হাতে। শচীনের ব্যাটন এসেছিল বিরাটের হাতে। কে বলতে পারে, সেদিন গুয়াহাটিতে বিরাটের ব্যাটনও হয়তো উঠে এসেছিল বৈভবের হাতে।‌

আইপিএল যতটা তরুণদের, ততটাই তারকাদেরও

দর্শকরা মেতে আছেন এখনও বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা বা এম এস ধোনিদের নিয়েই। এখনও তাঁদের নাম লেখা জার্সির যা কদর, কোনও তরুণকে ঘিরে তো সেই উন্মাদনা দেখা যায় না। এখনও মহাতারকা বলতে সেই বিরাট, ধোনিদেরই বোঝায়। জনপ্রিয়তার নিরিখে ধোনি বা বিরাটের একশো মাইলের মধ্যেও কি কেউ আছেন?‌

কেকেআই কখনই আমার দল নয়

বাংলাকে এত ভালবাসি, কলকাতাকে এত ভালবাসি। তাহলে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হলে সেই আনন্দ হয় না কেন?‌ কলকাতা হারলেই বা দুঃখ হয় না কেন?‌ আসলে, কলকাতার এই দলটাকে ঘিরে কখনই সেই একাত্মতা তৈরি হয়নি। আমার মতো অনেকেই দেখেছি কেকেআর সম্পর্কে নিষ্পৃহ, উদাসীন। কেন আমাদের মধ্যে এই উদাসীনতা তৈরি হল, নাইট ম্যানেজমেন্ট ভেবে দেখুন।

যেখানেই তিনি, সেখানেই গ্যালারির রঙ হলুদ

তাঁর ঘরের মাঠ বলে কিছু নেই। যেখানে তিনি খেলতে যান, সেটাই তাঁর ঘরের মাঠ। সেখানেই গ্যালারির রঙ হয়ে ওঠে হলুদ। সবার গায়েই উঠে আসে সাত নম্বর জার্সি।

গম্ভীর নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন

জনতা যদি ধোনির কৃতিত্বকে বাড়তি গুরুত্ব দিতেই চায়, এত গোঁসা করার তো কিছু নেই। মুখে বলছেন, তারকা প্রথায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু তারকাদের ছেঁটে ফেলে নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন।