‌দু’‌ঘণ্টায় বাড়িতে কাগজ পৌঁছে যায়, দু’‌বছরে সিবিআইয়ের চার্জশিট তৈরি হয় না

সিবিআই কর্তাদের বরং খবরের কাগজে কয়েক মাসের জন্য ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হোক। কীভাবে দ্রুত কাজ করতে হয়, ভাল করে শেখানো হোক।

‌নাইবা এল ট্রফি, তবু মহাকালের আঙিনায় নেইমার নামটা থেকে যাবে

অনেকেই তো সেমিফাইনালে তুলেছেন, ফাইনালে নিয়ে গেছেন, ট্রফিও জিতিয়েছেন। কিন্তু কালের নিয়মে হারিয়েও গেছেন। মহাকাল তাঁদের কীর্তিকে মনে রাখেনি। নেইমার অন্তত সেই তালিকায় থাকবেন না। নাইবা এল ট্রফি, নাইবা এল ব্যালন ডি’‌ওর। নাইবা এল সোনার বল বা বুট। সমকালের গণ্ডি অতিক্রম করে তিনি থেকে যাবেন। ঠিক যেমন থেকে গেছেন জিকো, সক্রেটিসের মতো কিংবদন্তিরা।

আর্জেটিনার কাছে শিল্পই চাই, গুন্ডামি নয়

কথায় আছে, স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়, পরোধর্ম ভয়াবহ। লিওনেল স্কালোনি যদি এই সার কথাটা বুঝতেন!‌ আর্জেন্টিনার কাছ থেকে শিল্পই দেখতে চাই, গুন্ডামি নয়। তাই এই আর্জেন্টিনা ট্রফি না পাওয়ায় সত্যিই কোনও দুঃখ নেই।

এবার ব্রাজিল!‌ আর যেন মুখ না পোড়ে‌

কয়েক মাস আগে মেসিকে আনতে গিয়ে যে বিপত্তি হয়েছিল, এবার যেন তার পুনরাবৃত্তি না হয়। সেবার মেসিকে ঘিরে অতিরিক্ত আদিখ্যেতায় মাঝপথেই অনুষ্ঠান পণ্ড হয়েছিল। কলকাতার মুখ পুড়েছিল। এবার যেন উদ্যোক্তারা বাড়তি সতর্ক থাকেন। আর টিকিটের মূল্য যেন আকাশছোঁয়া না হয়। হাজারের মধ্যেই যেন বাঙালি ব্রাজিলের খেলা দেখার সুযোগ পায়, সেটুকুও দেখা উচিত। আবেগের এই মুহূর্ত যেন ব্যবসায়িক ইভেন্টে না বদলে যায়।

এমন এক্সক্লুসিভ ছবি আর হল কই!‌

মারাদোনা সরল মনে সেই নামাবলি পরেও নিলেন। ছবি উঠল। সেই ছবি থেকে গেল ইতিহাস হয়ে। ছবিটা যেমন থেকে গেল, তেমনই অমরত্ব পেয়ে গেলেন অমিয় তরফদারও। আজ বিশ্বকাপের আঙিনায় এত রিপোর্টার, এত ফটোগ্রাফার। কিন্তু এমন এক্সক্লুসিভ ছবি আর হল কই!‌

‌নেপথ্যের সেই সংবাদ–‌সৈনিকদের কথা মনে পড়ে!‌

এমনিতেই কাগজ পড়ার রেওয়াজ কমছে। তার মধ্যেও যাঁরা সকালে কাগজটা হাতে নিচ্ছেন, তাঁরা কি একবারও ভেবে দেখেছএন এই বিশাল কর্মকাণ্ড মাত্র এক দেড় ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে!‌ নেপথ্যে থাকা সেই সংবাদ–‌সৈনিকদের কথা আড়ালেই থেকে যায়।

বিশ্বকাপ মিলিয়ে দিয়ে গেল দুই কিংবদন্তিকে

ঠিক চার বছর আগে। বিশ্বকাপ ফাইনালের কয়েকদিন পরেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন ফুটবল সম্রাট পেলে। এবারও ছিল বিশ্বকাপের আবহ। সারা পৃথিবী মেতেছিল বিশ্বকাপে। ফাইনালের ঠিক আগেই চিরঘুমের দেশে স্যর গ্যারি। দুই খেলার দুই কিংবদন্তির কী অদ্ভুত মিল!‌ দুজনকেই অদ্ভুতভাবে মিলিয়ে দিয়ে গেল বিশ্বকাপ।

কালো মানুষদের লড়াইকে কুর্নিশ

একে একে সেমিফাইনালের আগেই সবাই দেশে ফেরার বিমান ধরল। নটি দেশ উঠে এল। শেষপর্যন্ত একটি দলও সেমিফাইনালের আঙিনায় এল না!‌ শুরুর দুরন্ত চমক শেষের দিকে ধরে রাখা গেল না কেন?‌

আজীবন গর্ব করে বলব,আমাদের একটা সানি ছিল

আইপিএল জমানায় বেড়ে ওঠা এই প্রজন্মকে বোঝানো যাবে না, সুনীল গাভাসকার ঠিক কোন জাতের ক্রিকেটার ছিলেন। তাঁরা হয়ত উইকিপিডিয়া খুলবে। দেখবে ১২৫ টেস্ট, ১০১২২ রান, ৩৪ শতরান। তারপর বলবে, দশ হাজার রান তো অনেকেরই আছে। ১২৫ টেস্ট তো অনেকেই খেলেছেন। বলেই থামবে না, দশ হাজার কতজনের আছে, সেই তালিকাও গড়গড় করে বলে যাবে। এই জন্যই নেভিল কার্ডাস নামক লোকটা স্কোরবোর্ডকে আস্ত একটা গাধা বলেছিলেন।

রাজবেশে অভিজাতদেরই সবথেকে ভাল মানায়

বিশ্বকাপের টেনশন?‌ হ্যাঁ, পুরোমাত্রায় ছিল। না হলে যে মারাদোনা গোটা টুর্নামেন্টে মাথা বরফের মতো ঠান্ডা রেখেছিল, সে রেফারির সঙ্গে তর্ক জুড়ে এই প্রথম হলুদ কার্ড দেখত না।