কারও ঠোঁটই নড়ল না, দেশের সম্মান বাড়ল?
ফলটা কী হল? বন্দেমাতরম গাওয়া হচ্ছে, কারও ঠোঁট নড়ছে না। এতে দেশের সম্মান বাড়ল? কার মুখ পুড়ল? এবার হয়তো বোর্ড মারফত ফতোয়া আসবে, ওই গান গাইতে না পারলে ভারতীয় দলেই আর নেওয়া হবে না। খেলোয়াড়রা ব্যাটিং বোলিং প্র্যাকটিস না করে সারাদিন বন্দেমাতরম মুখস্ত করবেন।
টুকরো টুকরো কত ছবিতে কতকিছু শিখিয়ে গেলেন!
তাই মেসি শুধু ফুটবলার নন, তার থেকেও অনেক বড় কিছু। তাঁর জীবনের টুকটো টুকরো ঘটনাগুলো আমাদের নতুন করে আলো দেখাতে পারে। সেখান থেকে আমরা যদি একটু শিখতে পারতাম!
একটা মেসিকে পেয়েছি, এও কি কম পাওয়া?
মেসি যা দিয়ে গেলেন, তার কোনও তুলনা হবে না। পেলেকে দেখিনি, সেরা সময়ের মারাদোনাকেও দেখিনি। মেসিকে তো দেখেছি। আগামী প্রজন্মের কাছে গর্ব করে এটুকু তো বলতে পারব।
হিটলারকে প্রত্যাখ্যানের সেই দিনটাও কিন্তু ১৫ আগস্ট
দু’ঘণ্টায় বাড়িতে কাগজ পৌঁছে যায়, দু’বছরে সিবিআইয়ের চার্জশিট তৈরি হয় না
সিবিআই কর্তাদের বরং খবরের কাগজে কয়েক মাসের জন্য ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হোক। কীভাবে দ্রুত কাজ করতে হয়, ভাল করে শেখানো হোক।
নাইবা এল ট্রফি, তবু মহাকালের আঙিনায় নেইমার নামটা থেকে যাবে
অনেকেই তো সেমিফাইনালে তুলেছেন, ফাইনালে নিয়ে গেছেন, ট্রফিও জিতিয়েছেন। কিন্তু কালের নিয়মে হারিয়েও গেছেন। মহাকাল তাঁদের কীর্তিকে মনে রাখেনি। নেইমার অন্তত সেই তালিকায় থাকবেন না। নাইবা এল ট্রফি, নাইবা এল ব্যালন ডি’ওর। নাইবা এল সোনার বল বা বুট। সমকালের গণ্ডি অতিক্রম করে তিনি থেকে যাবেন। ঠিক যেমন থেকে গেছেন জিকো, সক্রেটিসের মতো কিংবদন্তিরা।
অশ্রুতে মিশে ছিল পাহাড়ের হাসি
মীরাবাই দাঁড়িয়ে রইলেন মঞ্চে। সামনে তেরঙ্গা। চারপাশে আলো। আর দু’চোখ বেয়ে নেমে এল জল। সেই কান্না আনন্দের, কিন্তু শুধু আনন্দের নয়। নিজের জীবনের দিকে ফিরে তাকালে হয়তো সেখানে দেখা যায় কত দীর্ঘ একটা পথ। কতবার শরীরকে হার মানাতে হয়েছে, কতবার মনকে বোঝাতে হয়েছে—আরও একবার, আরেকটু। মীরাবাই নিজেই বলেছেন, জাতীয় সঙ্গীত বাজতেই গত কয়েক বছরের সব লড়াই, সব যন্ত্রণা, সব ত্যাগ একসঙ্গে মনে পড়ে গিয়েছিল।
আর্জেটিনার কাছে শিল্পই চাই, গুন্ডামি নয়
কথায় আছে, স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়, পরোধর্ম ভয়াবহ। লিওনেল স্কালোনি যদি এই সার কথাটা বুঝতেন! আর্জেন্টিনার কাছ থেকে শিল্পই দেখতে চাই, গুন্ডামি নয়। তাই এই আর্জেন্টিনা ট্রফি না পাওয়ায় সত্যিই কোনও দুঃখ নেই।
এবার ব্রাজিল! আর যেন মুখ না পোড়ে
কয়েক মাস আগে মেসিকে আনতে গিয়ে যে বিপত্তি হয়েছিল, এবার যেন তার পুনরাবৃত্তি না হয়। সেবার মেসিকে ঘিরে অতিরিক্ত আদিখ্যেতায় মাঝপথেই অনুষ্ঠান পণ্ড হয়েছিল। কলকাতার মুখ পুড়েছিল। এবার যেন উদ্যোক্তারা বাড়তি সতর্ক থাকেন। আর টিকিটের মূল্য যেন আকাশছোঁয়া না হয়। হাজারের মধ্যেই যেন বাঙালি ব্রাজিলের খেলা দেখার সুযোগ পায়, সেটুকুও দেখা উচিত। আবেগের এই মুহূর্ত যেন ব্যবসায়িক ইভেন্টে না বদলে যায়।
