বাপরে কি ডানপিটে ছেলে!‌

গাভাসকারের ব্যাটন উঠে এসেছিল শচীনের হাতে। শচীনের ব্যাটন এসেছিল বিরাটের হাতে। কে বলতে পারে, সেদিন গুয়াহাটিতে বিরাটের ব্যাটনও হয়তো উঠে এসেছিল বৈভবের হাতে।‌

আইপিএল যতটা তরুণদের, ততটাই তারকাদেরও

দর্শকরা মেতে আছেন এখনও বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা বা এম এস ধোনিদের নিয়েই। এখনও তাঁদের নাম লেখা জার্সির যা কদর, কোনও তরুণকে ঘিরে তো সেই উন্মাদনা দেখা যায় না। এখনও মহাতারকা বলতে সেই বিরাট, ধোনিদেরই বোঝায়। জনপ্রিয়তার নিরিখে ধোনি বা বিরাটের একশো মাইলের মধ্যেও কি কেউ আছেন?‌

কেকেআই কখনই আমার দল নয়

বাংলাকে এত ভালবাসি, কলকাতাকে এত ভালবাসি। তাহলে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হলে সেই আনন্দ হয় না কেন?‌ কলকাতা হারলেই বা দুঃখ হয় না কেন?‌ আসলে, কলকাতার এই দলটাকে ঘিরে কখনই সেই একাত্মতা তৈরি হয়নি। আমার মতো অনেকেই দেখেছি কেকেআর সম্পর্কে নিষ্পৃহ, উদাসীন। কেন আমাদের মধ্যে এই উদাসীনতা তৈরি হল, নাইট ম্যানেজমেন্ট ভেবে দেখুন।

যেখানেই তিনি, সেখানেই গ্যালারির রঙ হলুদ

তাঁর ঘরের মাঠ বলে কিছু নেই। যেখানে তিনি খেলতে যান, সেটাই তাঁর ঘরের মাঠ। সেখানেই গ্যালারির রঙ হয়ে ওঠে হলুদ। সবার গায়েই উঠে আসে সাত নম্বর জার্সি।

গম্ভীর নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন

জনতা যদি ধোনির কৃতিত্বকে বাড়তি গুরুত্ব দিতেই চায়, এত গোঁসা করার তো কিছু নেই। মুখে বলছেন, তারকা প্রথায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু তারকাদের ছেঁটে ফেলে নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন।

কপিল–‌ধোনিদের কথা তাহলে মনে পড়ল!‌

২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে আমেদাবাগে এই দুই বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে দেখা যায়নি। শোনা যায়, বোর্ডকর্তারা নাকি তাঁদের আমন্ত্রণই জানাননি। অন্তত কপিলদেবকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তা তো তিনি নিজেই প্রকাশ্যে বলেছেন। এবার বোর্ডের বোধোদয় হয়েছে দেখে ভাল লাগল।

টি২০ বিশ্বকাপ:‌ ক্রিকেট বিশ্বায়নের পথে একধাপ

দেশে ও বিদেশে এভাবেই উঠে আসছে নানা শক্তি। আমরা যাদের বেড়ে ওঠার খবরও রাখি না। এবারের বিশ্বকাপ প্রদীপের তলায় জমে থাকা সেই অন্ধকারে কিছুটা আলো দেখাল। এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে বিশ্বায়নের পথে আরও একধাপ এগিয়ে দিল।

সঞ্জুর ইনিংস যেন ব্রাত্যজনের রুদ্ধসঙ্গীত

অজয় নন্দী আগের বছর টি ২০ ঘরানায় তিনখানা সেঞ্চুরি করেছেন সঞ্জু স্যামসন। এই কৃতিত্ব আর কোনও ব্যাটসম্যানের নেই। কিন্তু তারপরেও দিনের পর দিন মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছে। যত না ফর্মের...

খেলা যখন দুই মলাটে

খেলার বইয়ের নাকি পাঠক নেই। এমন একটা আক্ষেপ মাঝে মাঝেই শোনা যেত। কিন্তু গত কয়েক বছরে ছবিটা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। এখন বইমেলা এলেই ঝাঁকে ঝাঁকে খেলার বই। কোনওটা হয়তো জীবনীনির্ভর।...

ভাই–‌বোনের গল্পেই বাংলার ক্রিকেটের চালচিত্র

উপন্যাসের অচেনা পিচ। স্বভাবতই, শুরুর দিকে একটু ধরে খেলা। তারপর উইকেটে সেট হয়ে যাওয়ার পর হাত খোলা। এই ছকেই এগিয়েছেন। ফলে, ব্যাটে–‌বলে টাইমিংটা ঠিকঠাক ছন্দ মেনেই এগিয়েছে। বাংলার ক্রিকেট কীভাবে এগোচ্ছে, কোথায় খামতি, সেগুলোও সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। অন্ধকার সরণিতে তিনি যে বেরিয়েছেন মশাল হাতে। ফলে, ভাই–‌বোনের গল্প হয়ে উঠেছে বাংলার ক্রিকেটের চালচিত্র। ক্যানভাসটা নিজের পরিসর ছাড়িয়ে গেছে নিজের অজান্তেই।