নিজের বিধায়কও আপনার হুমকিকে পাত্তা দেন না

বঙ্কিম রায় আপনার বাড়িতে একটি টিভি বা কম্পিউটার খারাপ হয়েছে। আপনি মিস্ত্রি ডেকে আনলেন। তিনি সেই কম্পিউটার খোলার আগে থেকেই বলতে শুরু করলেন, আগে যে মেকানিক কাজ করেছে, সে নিশ্চিতভাবে...

এইসব লোকেদের কেউ গ্রন্থাগারের দায়িত্ব দেয়!‌

লাইব্রেরি দপ্তরের আসল সমস্যা কোনগুলো, সেগুলো বোঝার মতো সময় বা ইচ্ছে, কোনওটাই তাঁর আছে বলে মনে হয় না। কত গুলো লাইব্রেরি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে, কতজন গ্রন্থাগারিকের পদ শূন্য আছে, এগুলো নিয়ে তাঁর কোনও মাথাব্যথাই নেই। থাকলেও কাগজে প্রকাশিত খবরে তা অন্তত প্রকাশ পায়নি।

এই গুন্ডামির নাম ‘‌রাষ্ট্রবাদ’‌ নয়

‘‌গেরুয়া গুন্ডামি’‌ কেন লেখা হল, তা নিয়ে হুঙ্কার না দিয়ে, গেরুয়ার সম্মান নিয়ে কারা এই গুন্ডামি করার সাহস পাচ্ছে, আগে তাদের হুঙ্কার দিন। শিক্ষাঙ্গনে এই দুর্বৃত্তদের প্রবেশ বন্ধ করুন। দোহাই, এই অসভ্যতাকে, এই গুন্ডামিকে রাষ্ট্রবাদ বলে চালাবেন না।

এত নিয়মের ফিরিস্তি আগে তো শোনা যায়নি!‌

একই পরিবারে হয়তো বড় বউয়ের হয়নি, কিন্তু ছোট বউয়ের হয়েছে। এই বাড়িতে হয়নি, পাশের বাড়িতে হয়েছে। এর ফলে, একটা পারস্পরিক ঈর্ষাও তৈরি হচ্ছে। দুই গৃহবধূর মধ্যে একটা চাপা লড়াই তৈরি হয়ে যাচ্ছে। সরকার পক্ষ হয়তো যুক্তি দেখাবে, এত টাকা নেই। যুক্তি হিসেবে ভাল। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে, টাকা যে নেই, সেটা ভোটের আগে জানা ছিল না?‌

শ্যামাপ্রসাদের বই নিজেরা পড়েছেন তো!‌

সরল বিশ্বাস গ্রন্থাগার দপ্তরকে কে কতখানি হাসির খোরাক করতে পারেন, এ যেন তার প্রতিযোগিতা চলছে। আর এই দপ্তর নিয়ে সরকারের যে তেমন মাথাব্যথা নেই, তাও বোঝা যায়। এমন এমন লোককে...

আগে আসল সমস্যা চিনুন, সিলেবাস নিয়ে পরে ভাববেন

এইসব কাজে প্রচার পাওয়া যায়। আসল সমস্যাকে গুলিয়ে দেওয়া যায়। নিজেদের দায়িত্বকে এড়ানোও যায়। কিন্তু সমস্যা যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই থেকে যায়।

যেন আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেলেন

‌একটি আত্মহত্যা যেন অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেল। রাজনীতিতে শিক্ষিত ও ভদ্রলোকের বড়ই আকাল। সব দলেই এমন মানুষের সংখ্যা বেশি, যাঁদের দেখলে তেমন শ্রদ্ধা আসে না। সেই আবহেই কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের উপস্থিতি হয়তো সেভাবে বোঝা যায় না। হয়তো তাঁরা নিতান্তই কম সংখ্যায় থাকেন। তাই ঢাকা পড়ে যান।

এত নিয়মের ফিরিস্তি আগে তো শোনা যায়নি!‌

একই পরিবারে হয়তো বড় বউয়ের হয়নি, কিন্তু ছোট বউয়ের হয়েছে। এই বাড়িতে হয়নি, পাশের বাড়িতে হয়েছে। এর ফলে, একটা পারস্পরিক ঈর্ষাও তৈরি হচ্ছে। দুই গৃহবধূর মধ্যে একটা চাপা লড়াই তৈরি হয়ে যাচ্ছে। সরকার পক্ষ হয়তো যুক্তি দেখাবে, এত টাকা নেই। যুক্তি হিসেবে ভাল। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে, টাকা যে নেই, সেটা ভোটের আগে জানা ছিল না?‌

‘জাস্টিস ফর আর জি কর’ কোথায় হারিয়ে গেল?

দু’বছর পরেও যদি তদন্ত শেষ না হয়, দু বছর পরেও যদি মূল প্রশ্ন অজানাই থেকে যায়, তাহলে এমন তদন্তকারি সংস্থা আদৌ রাখার দরকার আছে কিনা, সেই প্রশ্নটাই সবার আগে তোলা উচিত। বিচারের পথ যত দীর্ঘ হয়েছে, মানুষের আস্থা ততটাই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

তিনহাজারি ভাণ্ডার সবাই কেন পাবেন?‌

এত মহিলাকে যে তিন হাজারি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়া সম্ভব নয়, এই সত্যিটা তখন ইচ্ছে করেই উহ্য রাখা হয়েছিল। নিশ্চিতভাবেই অনেকে আশাহত হয়েছেন। এখন ভোট হলে রাগে তাঁরা হয়তো উল্টোদিকের বোতাম টিপবেন। তবু বলব, সরকারের সিদ্ধান্ত অপ্রিয় হলেও সময়োচিত।