বিধানবাবু ও একটি আটপৌরে সভা

সেঁজুতি সেনগুপ্ত আমার জন্ম বিধানচন্দ্র রায়ের মৃত্যুর অনেক পরে। সুতরাং, তাঁকে কাছ থেকে দেখা তো দূরের কথা, দূর থেকে দেখার কোনও সুযোগও আমার সামনে ছিল না। তাঁর সম্পর্কে যেটুকু জানা,...

সু্ব্রতর জন্যও কিনা ডাক্তার পাওয়া যায়নি!‌

সন্ধেবেলায় অনেক ডাকাডাকির পরেও উডবার্ন ওয়ার্ডে কোনও ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সুব্রত মুখার্জি যখন ছটপট করছেন, তখন বারবার ডাক্তারদের খোঁজ করা হয়েছে। কিন্তু কাউকেই পাওয়া যায়নি। শেষবেলায় কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার নাকি আসেন। বুকে পাম্প করেন। ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। অর্থাৎ, মন্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

কজন ডাক্তার অগ্নিশ্বর দেখেছেন?

সজল মুখার্জি আমাদের বেড়ে ওঠা আটের দশকে। তখন টিভিতে জুলাই মাস মানেই উত্তম কুমার। সপ্তাহে একদিন বাংলা ছবি। নিজেদের বাড়িতে টিভিও ছিলাম না। পাড়ায় এর-ওর বাড়িতে ভিড় করতাম। তখন কোনও...

নিজেদের অহেতুক হাস্যকর করছেন রেলকর্তারা

যে নিয়ম এক শতাংশও মানানো যাবে না, সেই নিয়ম নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি না করাই ভাল। সেই নিয়ম কাগজে–‌কলমে থাকুক, ঘটা করে প্রচার করে নিজেদের হাস্যকর না করাই ভাল। লোকাল ট্রেনের আজগুবি ফতোয়া নিয়ে লিখলেন নির্মল দত্ত।

‌করোনা রোধ:‌ হার্ড ইমিউনিটি?‌ না বৈজ্ঞানিক প্রথায় লকডাউন?‌

সংক্রমণের মধ্য দিয়ে হার্ড ইমিউনিটি বলি, শিথিল অথবা হার্ড লকডাউনই বলি, কোনটা যৌক্তিক, কোনটা যৌক্তিক নয়, আর এর বাস্তবায়নে কাঠামো এবং পদ্ধতিগত রূপরেখা চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায় এবং অধিকার, কোনওটাই একজন সাধারণ নাগরিকের পক্ষে নেওয়া সম্ভব নয়। এই নাগরিক বিশ্বের যে প্রান্তেই অবস্থান করুন না কেন। এ এক বাতুলতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু অবশ্যই রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের সুস্পষ্টতাকে দেখতে পাওয়া, সুনিশ্চিত হওয়া এবং শঙ্কাহীন জীবন প্রত্যাশা করা যে কোনও বিশ্ব নাগরিকের অধিকার ভুক্ত।লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে খাদ্যাভ্যাস

করোনা আবহে শুধু সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক, স্যানিটাইজারই যথেষ্ট নয়। রোগ প্রতিরোধের শক্তি বাড়াতে পারে, এমন খাদ্যাভ্যাসও জরুরি। কোন খাদ্য উপাদান কোন ধরনের খাবারে পাওয়া যায়, তা কী কাজে লাগে, সে ব্যাপারে আলোকপাত করলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা:‌ শতরূপা চট্টোপাধ্যায়।

শুধু করোনা নয়, হাঁটু নিয়েও সাবধান থাকুন

লাগাতার লকডাউনে কমে গেছে হাঁটাচলা। কমেছে শরীর চর্চাও। বাড়বাড়ন্ত হয়েছে অস্টিও আর্থ্রাইটিসের। প্রতিকারের উপায় কী?‌ জানালেন বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন ডা. অভিষেক দাস।

সব ডাক্তারকে অগ্নীশ্বর দেখানো হোক

যে কোনও ডাক্তারের উচিত, ডাক্তারি পেশায় আসার আগে অগ্নীশ্বর দেখা। মেডিকেল কলেজগুলির উচিত, ছাত্রদের আগে অগ্নীশ্বর দেখানো। মহানায়কের নামে মেট্রো স্টেশন করার থেকে সেটা বেশি জরুরি। এই নিয়ে ভিন্ন স্বাদের একটি লেখা। লিখেছেন সজল মুখার্জি।