পিএ কমিটি অর্বাচীনদের জন্য নয়

হেমন্ত রায় গত কয়েকবছর ধরেই পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি নিয়ে অদ্ভুত এক ছেলেখেলা দেখা যাচ্ছে। আসলে, এই কমিটির কী গুরুত্ব, সেটাই অধিকাংশ বিধায়ক বোঝেন না। অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বোঝে না। তাই...

ঘুরে আসুন ভুটিয়া মার্কেটে

শীতের দুপুরে নানা মেলার পাশাপাশি ঘুরে আসুন ভুটিয়া মার্কেটে। এই অনলাইন শপিংয়ের যুগে কেমন আছে সেই ভুটিয়া মার্কেট ? ঘুরে দেখে এলেন সংহিতা বারুই।।

ধনতেরাস নিয়ে বাঙালিরএত আদিখ্যেতা কেন?‌

এই লৌকিকতা প্রায় উৎসবের অঙিনায় পৌঁছে দিয়েছে মিডিয়া। তাই আজ শ্যামা পূজা বা দীপাবলীর সঙ্গে বড় করে উদযাপিত হয় ধনতেরাস। বাঙালি অবাঙালি তাই এখন পঞ্জিকা মেনে পৌঁছে যায় সোনার দোকানে। সেখানে লম্বা লাইন বুঝিয়ে দেয় আমাদের জনজোয়ারে গা ভাসানোর ধুম। খবরের কাগজে, বেতার, দূরদর্শন, পাড়ার মোড়ে, পথের দু–‌ধারে তাই এখন শুধুই সোনার বিজ্ঞাপন।

‌ধনতেরাসের ধামাকাই বলে দেয় বাঙালি কতটা পিছিয়ে

বাঙালি নবান্ন, পিঠে পরব ভুলতে বসেছে। আঁকড়ে ধরছে ধনতেরাসকে। হুজুগপ্রিয়তার এমন উর্বর জমি, কে না চাষ করতে চাইবে?‌ তাই গয়নার কোম্পানিগুলোও বাজার ধরতে লাফিয়ে পড়েছে। ধনতেরাস ধামাকার নামে আদেখলাপনাই বুঝিয়ে দেয় ‘‌এগিয়ে বাংলা’‌র ছবিটা আসলে কেমন।

পটকার বুড়িমা, লড়াই যেন রূপকথার মতোই

আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।

ধনতেরাস তো কোনওকালেই বাঙালির উৎসব ছিল না

বাঙালি নবান্ন, পিঠে পরব ভুলতে বসেছে। আঁকড়ে ধরছে ধনতেরাসকে। হুজুগপ্রিয়তার এমন উর্বর জমি, কে না চাষ করতে চাইবে?‌ তাই গয়নার কোম্পানিগুলোও বাজার ধরতে লাফিয়ে পড়েছে। ধনতেরাস ধামাকার নামে আদেখলাপনাই বুঝিয়ে দেয় ‘‌এগিয়ে বাংলা’‌র ছবিটা আসলে কেমন। লিখেছেন তমাল ভৌমিক।।

বেতন কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধি, ‘‌অনুপ্রেরণা’‌ ছাড়া সম্ভব!‌

তিন বছর ধরে চলছে বেতন কমিশন। ফের মেয়াদ বাড়ানো হল। এই কমিশন বা তার রিপোর্টের আদৌ কোনও গুরুত্ব আছে?‌ যে রিপোর্ট দেওয়া হবে, সেটা মুখ্যমন্ত্রীর পড়ার ধৈর্য থাকবে তো?‌ সেই রিপোর্টই দেওয়া হবে, যেটা তিনি চাইবেন। সেটাই ঘোষণা হবে, যেটা তাঁর ইচ্ছে হবে। তাহলে তিন বছর ধরে বেতন কমিশন নামক শিখণ্ডিকে খাড়া করা হচ্ছে কেন?‌ মেয়াদ বাড়ানোর এই আবেদন, তার পেছনেও ‘‌অনুপ্রেরণা’‌ নেই তো?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বিজেপি–‌ই একদিন নোটবন্দীকে ‘‌ঐতিহাসিক ভুল’‌ বলবে

অনেকেই নোটবাতিলের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। মনে করেছিলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত ঠিক। এবার তাঁদের মোহভঙ্গ ঘটছে। আস্তে আস্তে মানুষ বুঝতে পারছেন, কালো টাকা উদ্ধার নয়, চমক দেওয়াটাই আসল উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রীর। এই নোটবাতিলই একদিন ব্যুমেরাং হয়ে উঠবে বিজেপির কাছে। লিখেছেন সুগত রায় মজুমদার।

দেশে ট্রেন চলেছিল এই দিনেই

এই দিনে কতকিছু! এই পনেরোই আগস্ট ভারতের বুকে চলতে শুরু করেছিল ট্রেন। বম্বে থেকে থানে। সেই রেলযাত্রা ও তার বিবর্তনের কথা তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর ।।