চেনা শহরকে নতুন করে চিনে নিন
আবার কলকাতার রাস্তায় হাঁটুন। গঙ্গার ধারে বসুন। বইয়ের দোকানে ঢুকুন। কোনও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে চা খান। শহরটাকে আবার নিজের চোখে দেখুন। এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা— সেটা আপনার থেকে ভাল কে জানে!
আবার কলকাতার রাস্তায় হাঁটুন। গঙ্গার ধারে বসুন। বইয়ের দোকানে ঢুকুন। কোনও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে চা খান। শহরটাকে আবার নিজের চোখে দেখুন। এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা— সেটা আপনার থেকে ভাল কে জানে!
কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। আসলে শ্যামল মিত্রর গান। কীভাবে কিশোর কুমারের গান হয়ে গেল? দেয়া নেয়া ছবিতে শ্যামল মিত্র কেনই বা প্রোডিউসার হয়েছিলেন? এমন অনেক অজানা কথা সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।
হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।
এখনও যেসব ধারায় অভিষেকের উপর মামলা হচ্ছে, তা নেহাতই ছেদো। এইসব মামলায় যে বড়সড় শাস্তি হবে না, এটা সবাই জানে। আসলে দিল্লির প্রভুরা, এখনও লোক দেখানো নাটকই করতে চায়। অভিষেকের টাকার উৎস নিয়ে তদন্ত করলে, সেই টাকা আরও কোথায় কোথায় পৌঁছতো, সেটাও বেরিয়ে আসবে। দিল্লির প্রভুরা কখনই সেটা চাইবেন না। কারণ, এতে তাঁদেরও মুখ পড়বে। তাই অভিষেককে নোটিশ পাঠানোর নামে এই প্রশাসনিক ছ্যাবলামি বন্ধ হোক। লোক দেখানো নাটক অনেক হয়েছে।
ঠিক চার বছর আগে। বিশ্বকাপ ফাইনালের কয়েকদিন পরেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন ফুটবল সম্রাট পেলে। এবারও ছিল বিশ্বকাপের আবহ। সারা পৃথিবী মেতেছিল বিশ্বকাপে। ফাইনালের ঠিক আগেই চিরঘুমের দেশে স্যর গ্যারি। দুই খেলার দুই কিংবদন্তির কী অদ্ভুত মিল! দুজনকেই অদ্ভুতভাবে মিলিয়ে দিয়ে গেল বিশ্বকাপ।
আইপিএল জমানায় বেড়ে ওঠা এই প্রজন্মকে বোঝানো যাবে না, সুনীল গাভাসকার ঠিক কোন জাতের ক্রিকেটার ছিলেন। তাঁরা হয়ত উইকিপিডিয়া খুলবে। দেখবে ১২৫ টেস্ট, ১০১২২ রান, ৩৪ শতরান। তারপর বলবে, দশ হাজার রান তো অনেকেরই আছে। ১২৫ টেস্ট তো অনেকেই খেলেছেন। বলেই থামবে না, দশ হাজার কতজনের আছে, সেই তালিকাও গড়গড় করে বলে যাবে। এই জন্যই নেভিল কার্ডাস নামক লোকটা স্কোরবোর্ডকে আস্ত একটা গাধা বলেছিলেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আচ্ছন্ন প্রজন্মের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, জ্যোতি বসু ঠিক কেমন ছিলেন। সিলেবাসেও নিজেকে ঢোকানোর চেষ্টা করেননি। নিজের কাজের ভিডিও করেও রাখেননি। ছবি তুলিয়েও রাখেননি। তাই ইউটিউব বা সবজান্তা গুগল ঘাঁটলেও বিরাট কিছু পাবেন না। ঢালাও বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারের আনুকূল্যে জ্যোতি বাবুদের ভেসে থাকতে হয় না। তাঁরা থেকে যান কাজে। তাঁরা থেকে যান চেতনায়। ‘জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, কী বিরাট ব্যক্তিত্ব’।
কিন্তু ওই যে ‘ইট হ্যাপেন্স’। একটি বাংলা কাগজে তার বাংলা তর্জমা হয়ে গেল ‘এমন তো কতই হয়।’ সেটাই দশকের পর দশক ধরে ভাষণে ভাষণে ছড়িয়ে গেল। কেউ কেউ নিজের মতো করে অতিরঞ্জিত করে বসলেন। আজও সেই অতিরঞ্জনের ট্রাডিশন চলছে।