রাজবেশে অভিজাতদেরই সবথেকে ভাল মানায়
বিশ্বকাপের টেনশন? হ্যাঁ, পুরোমাত্রায় ছিল। না হলে যে মারাদোনা গোটা টুর্নামেন্টে মাথা বরফের মতো ঠান্ডা রেখেছিল, সে রেফারির সঙ্গে তর্ক জুড়ে এই প্রথম হলুদ কার্ড দেখত না।
গালুডি ও আমাদের সেই দোবরু পান্না
সহজ কথা এত সহজে কী করে বলতেন!
এই মুহূর্তে টলিউডের কজন অভিনেতা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য নিয়ে দেড় ঘণ্টা আলোচনা করতে পারেন? এই পর্যায়ের লেখাপড়া কজনের আছে? শীর্ষেন্দুর একটা উপন্যাস পড়েছেন, টলিউডে এমন লোক এখন খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। কে আসল পাঠক আর কে ওপর চালাকি করছে, লেখক ঠিক বোঝেন। রাহুলের আড্ডায় যেন ধরা দিলেন অন্য এক শীর্ষেন্দু।
ফিরে এসো, চিঠি
চিঠির জন্য আলাদা একটা দিন আছে। পয়লা সেপ্টেম্বর। যেহেতু চিঠি লেখা হারিয়ে গেছে, তাই দিনটা নিয়েও তেমন হইচই নেই। চিঠি দিবসে চিঠির সেকাল–একাল নিয়েই আস্ত একটা লেখা। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
পুজো আসছে, কিন্তু সেই উন্মাদনা কই!
না বোঝা সেই স্বাধীনতাটাই ঢের ভাল ছিল
স্বাধীনতা দিবস। একেক বয়সে একেক চেহারায় হাজির হয়। ছোটবেলায় ফুল নিয়ে স্কুলে যাওয়া। চকোলেট নিয়ে বাড়ি ফেরা। একটু বড় হয়ে, লুচি–আলুর দম। না বুঝে পালন করা সেই স্বাধীনতা দিবসের নস্টালজিয়া নিয়ে লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।
কিশোর বলেছিলেন, তোমার এক ডাকে হাজির হয়ে যাব
মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। কিশোর কুমারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে ।।
ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান
তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।
