মোয়ার সেকাল একাল

মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।

ছেলেবেলার চকোলেট বোম আর সেই রূপকথার ‘‌বুড়িমা’‌

আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।

পটকার বুড়িমা, লড়াই যেন রূপকথার মতোই

আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।

দুর্গাপুর থেকে কলকাতা, বিমানে আসার যুক্তি আছে?‌

বিমানে দুর্গাপুর থেকে কলকাতা?‌ টাকা বাঁচল?‌ সময় বাঁচল?‌ হয়রানি এড়ানো গেল?‌ টেনশন কমল? চাপার আগে ভেবে নিন। নিজেকে বোকা প্রমাণ করাটা কি খুব জরুরি?‌

ভাঙড়কে সিঙ্গুরের ঘটনার সঙ্গে মেলাবেন না

সুগত রায়মজুমদার ‌সম্প্রতি টিভিতে পশ্চিমবঙ্গের ভাঙড়ে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে কিছু বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে শিল্পের পক্ষে ও বিপক্ষে এক আকর্ষণীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ছিলেন তৃণমূল, কংগ্রেস, সিপিএম ও বিজেপি–‌র মুখপাত্রেরা।...

খাজনা না বাজনা, কোনটা বেশি?

ঘটা করে শিল্প সম্মেলন তো আগেও হয়েছে। পারিষদদের নিয়ে শিল্প আনতে বিদেশ–‌ভ্রমণও হয়েছে। ফিরে এসে যথারীতি লম্বা চওড়া ভাষণেরও অভাব ছিল না। কটা বিনিয়োগ এসেছে?‌ সহজ একটা প্রশ্ন। উত্তর পাওয়া যাবে না। তবু প্রচারের ফানুস উড়েই চলবে। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

অনুপ্রেরণা!‌ ‌জিন্দালরা এবার আমগাছ লাগাবে!‌

জিন্দালরা নাকি গাছ লাগাবেন। আম, কলা, লিচু, বেদানা এসব লাগাবেন। এতে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। হায় রে!‌ জিন্দালবাবুদের কী দুর্দশা। ইস্পাত কারখানা ছেড়ে তাঁদের এবার আম গাছ লাগাতে হবে!‌ আর সেটাও ফলাও করে বলতে হচ্ছে!‌ শিল্প যাদের ভিত্তি ছিল, গাছ লাগানো কিনা তাদের ভবিষ্যৎ হয়ে দাঁড়াচ্ছে! পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।।

ছিল ইস্পাত, হল সিমেন্ট, তবু বলতে হবে দারুণ উন্নয়ন!‌

শালবনিতে হওয়ার কথা ছিল ইস্পাত কারখানা, হচ্ছে সিমেন্ট কারখানা। জিন্দালদের এই প্রকল্পে বিনিয়োগ হওয়ার কথা ছিল ৩৫ হাজার কোটি, তার বদলে হচ্ছে মেরেকেটে ৮০০ কোটি‌। কর্মসংস্থান হওয়ার কথা ছিল অন্তত পাঁচ হাজার মানুষের। তার বদলে হয়েছে মাত্র দেড়শো জনের। তবু বলতে হবে দারুণ উন্নয়ন!‌ লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

অন্যের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে শিল্প আসবে?

রাজ্যে শিল্প আসছে না, এর জন্য প্রধানমন্ত্রী দায়ী? আজব আজব সব ব্যাখ্যা। যতদিন লোকের ঘাড়ে দায় চাপানোর এই প্রবণতা বন্ধ না হবে, ততদিন প্রকৃত উন্নয়ন হবে না, শিল্পও আসবে না। লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।।

লগ্নি খুঁজতে আপনি কেন, সিআইডি–‌কে পাঠালেই হত

আপনার গোয়েন্দারা কতটা দক্ষ, তা তো আপনি ভালো করেই জানেন। যারা কত সহজে মাওবাদী ধরে, তাদের কাছে একটু পুঁজি খুঁজে আনাটা কোনও ব্যাপার নাকি? রাজ্যে বা রাজ্যের বাইরে যেখানেই মুখোশ পরে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকুক না, ওরা ঠিক গন্ধ শুঁকে শুঁকে খুঁজে বের করে ধরে আনতো। লিখেছেন আশিস দত্ত।।