‘জাস্টিস ফর আর জি কর’ কোথায় হারিয়ে গেল?

দু’বছর পরেও যদি তদন্ত শেষ না হয়, দু বছর পরেও যদি মূল প্রশ্ন অজানাই থেকে যায়, তাহলে এমন তদন্তকারি সংস্থা আদৌ রাখার দরকার আছে কিনা, সেই প্রশ্নটাই সবার আগে তোলা উচিত। বিচারের পথ যত দীর্ঘ হয়েছে, মানুষের আস্থা ততটাই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

‌দু’‌ঘণ্টায় বাড়িতে কাগজ পৌঁছে যায়, দু’‌বছরে সিবিআইয়ের চার্জশিট তৈরি হয় না

সিবিআই কর্তাদের বরং খবরের কাগজে কয়েক মাসের জন্য ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হোক। কীভাবে দ্রুত কাজ করতে হয়, ভাল করে শেখানো হোক।

কানাইয়ালাল নয়, বিধানসভার ওপরই করুণা হচ্ছে

বিধানসভার সবথেকে মূল্যবান কমিটির চেয়ারম্যানের পদ আবার দলবদলুদের জন্যই। সরকার বদল হল। কিন্তু দলবদলু আর অযোগ্য লোকেদের মাথায় বসানোর প্রথা বন্ধ হল না। বহাল তবিয়তেই চলছে। কানাইয়ালালের প্রতি নয়, বিধানসভার প্রতিই বড় করুণা হচ্ছে।

জয় গোস্বামীর হেনস্থা দেখে এত বিকৃত উল্লাস?

রক্তিম মিত্র রবীন্দ্র সদনে সেদিন যাঁর ভিড় করেছিলেন, তাঁরা আসলে কারা? কেউ কেউ সত্যিই তসলিমা নাসরিনের অনুরাগী। কেউ কেউ মুক্তচিন্তার সমর্থক। কেউ কেউ সত্যিই সেদিন তসলিমাকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু...

কুণাল বদলাননি, বদলেছে তাঁকে দেখার চোখগুলো

তিনি এখনও বিতর্কিত, এখনও তীক্ষ্ণ, এখনও বেপরোয়া। কিন্তু একটা জিনিস তিনি প্রমাণ করেছেন—সবাই যখন নিরাপদ দিক খোঁজে, তখনও কেউ কেউ নিজের পুরনো ঘরটাতেই দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। রাজনীতিতে আনুগত্যের মূল্য নিয়ে যত প্রশ্নই থাক, এই দৃশ্যটি অন্তত মনে রাখার মতো। কুণালের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন তাই হয়তো তাঁর মধ্যে নয়। পরিবর্তনটা ঘটেছে তাঁকে দেখার চোখে।

কে বলল দরজা খুলবে না?‌ ঠিক খুলবে

বিজেপিও আপাতত এই ‘পর্যটকদের’ সবাইকে নিজের ঘরে তুলে নিতে চাইছে না। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জুন মাসেই বলেছিলেন, তৃণমূলের নেতাদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ; ‘তৃণমূলীকরণ’ হতে দেওয়া হবে না। ’‌ কিন্তু কতদিন এই দরজা বন্ধ থাকবে!‌ যে কোনওদিন সেই আলিবাবা চল্লিশ চোরের মতো শোনা যাবে, ‘‌খুল যা সিম সিম’‌।

পথের বাঁক বদলে দিতে পারে বাঁকিপুর

বাঁকিপুর বিধানসভা পাটনা সাহিব লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০০৮ সালের সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর মূলত তৎকালীন পাটনা পশ্চিম ও পাটনা মধ্য বিধানসভার অংশ নিয়ে এই কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। সামাজিক বিন্যাসের দিক থেকে...

প্রশ্নগুলো সহজ, কিন্তু সহজ কাজটাই এতদিন বেশ কঠিন ছিল

প্রশ্নগুলো সহজ হলেও অনুচ্চারিতই থেকে যায়। কারণ, প্রশ্ন করলেই জুটে যেত দেশদ্রোহীর তকমা। বুঝিয়ে দেওয়া হত, শাসকের উত্তর দেওয়ার কোনও দায় নেই। বরং সে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। পাল্টা তকমা লাগিয়ে দেয়।

ক্ষমা করতে হবে না, চুপি চুপি বরং ক্ষমা চেয়ে নিন

কেউ তো আপনার কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই অযাচিত ‘‌ক্ষমা করে’‌ মহান হওয়ার দরকার নেই। বরং, নিজের ভাষণ মন দিয়ে শুনুন। কথায় কথায় পণ্ডিত হেররু ও অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের কী ভাষায় আক্রমণ করেছেন, নিজেই শুনুন। তারপর মনে মনে ক্ষমা চেয়ে নিন।

আপনার হাতে রইল শুধুই ডিম, ঘোড়ার ডিম

একবার ডিম ছোঁড়ার ভিডিও দেখলে বারেবারে সেই লিঙ্কই আসবে। কারণ, ফেসবুক বা ইউটিউব ততদিনে বুঝে নিয়েছে, আমি এই দৃশ্যই দেখতে চাই। কেউ উল্টো যুক্তি দিচ্ছে!‌ দেশদ্রোহী বলে দাও। লোকে এটাও কিন্তু হেব্বি খাচ্ছে।