‌নেপথ্যের সেই সংবাদ–‌সৈনিকদের কথা মনে পড়ে!‌

এমনিতেই কাগজ পড়ার রেওয়াজ কমছে। তার মধ্যেও যাঁরা সকালে কাগজটা হাতে নিচ্ছেন, তাঁরা কি একবারও ভেবে দেখেছএন এই বিশাল কর্মকাণ্ড মাত্র এক দেড় ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে!‌ নেপথ্যে থাকা সেই সংবাদ–‌সৈনিকদের কথা আড়ালেই থেকে যায়।

আপনার হাতে রইল শুধুই ডিম, ঘোড়ার ডিম

একবার ডিম ছোঁড়ার ভিডিও দেখলে বারেবারে সেই লিঙ্কই আসবে। কারণ, ফেসবুক বা ইউটিউব ততদিনে বুঝে নিয়েছে, আমি এই দৃশ্যই দেখতে চাই। কেউ উল্টো যুক্তি দিচ্ছে!‌ দেশদ্রোহী বলে দাও। লোকে এটাও কিন্তু হেব্বি খাচ্ছে।