‌দু’‌ঘণ্টায় বাড়িতে কাগজ পৌঁছে যায়, দু’‌বছরে সিবিআইয়ের চার্জশিট তৈরি হয় না

সিবিআই কর্তাদের বরং খবরের কাগজে কয়েক মাসের জন্য ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হোক। কীভাবে দ্রুত কাজ করতে হয়, ভাল করে শেখানো হোক।

কানাইয়ালাল নয়, বিধানসভার ওপরই করুণা হচ্ছে

বিধানসভার সবথেকে মূল্যবান কমিটির চেয়ারম্যানের পদ আবার দলবদলুদের জন্যই। সরকার বদল হল। কিন্তু দলবদলু আর অযোগ্য লোকেদের মাথায় বসানোর প্রথা বন্ধ হল না। বহাল তবিয়তেই চলছে। কানাইয়ালালের প্রতি নয়, বিধানসভার প্রতিই বড় করুণা হচ্ছে।

কুণাল বদলাননি, বদলেছে তাঁকে দেখার চোখগুলো

তিনি এখনও বিতর্কিত, এখনও তীক্ষ্ণ, এখনও বেপরোয়া। কিন্তু একটা জিনিস তিনি প্রমাণ করেছেন—সবাই যখন নিরাপদ দিক খোঁজে, তখনও কেউ কেউ নিজের পুরনো ঘরটাতেই দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। রাজনীতিতে আনুগত্যের মূল্য নিয়ে যত প্রশ্নই থাক, এই দৃশ্যটি অন্তত মনে রাখার মতো। কুণালের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন তাই হয়তো তাঁর মধ্যে নয়। পরিবর্তনটা ঘটেছে তাঁকে দেখার চোখে।

কে বলল দরজা খুলবে না?‌ ঠিক খুলবে

বিজেপিও আপাতত এই ‘পর্যটকদের’ সবাইকে নিজের ঘরে তুলে নিতে চাইছে না। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জুন মাসেই বলেছিলেন, তৃণমূলের নেতাদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ; ‘তৃণমূলীকরণ’ হতে দেওয়া হবে না। ’‌ কিন্তু কতদিন এই দরজা বন্ধ থাকবে!‌ যে কোনওদিন সেই আলিবাবা চল্লিশ চোরের মতো শোনা যাবে, ‘‌খুল যা সিম সিম’‌।

কিশোরকে মরণোত্তর সম্মান দিতে এত কুণ্ঠা কীসের ?‌

কুণাল দাশগুপ্ত সেই কুস্তি আজও চলেছে । সাতের দশকের মাঝমাঝি সময় থেকে কেন্দ্রে বহু ধরনের সরকার এসেছে । জনতা, কংগ্রেস ,বি জে পি , হরেক কিসিমের । রাজনীতি , অর্থনীতি...

প্রশ্নগুলো সহজ, কিন্তু সহজ কাজটাই এতদিন বেশ কঠিন ছিল

প্রশ্নগুলো সহজ হলেও অনুচ্চারিতই থেকে যায়। কারণ, প্রশ্ন করলেই জুটে যেত দেশদ্রোহীর তকমা। বুঝিয়ে দেওয়া হত, শাসকের উত্তর দেওয়ার কোনও দায় নেই। বরং সে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। পাল্টা তকমা লাগিয়ে দেয়।

আর্জেটিনার কাছে শিল্পই চাই, গুন্ডামি নয়

কথায় আছে, স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়, পরোধর্ম ভয়াবহ। লিওনেল স্কালোনি যদি এই সার কথাটা বুঝতেন!‌ আর্জেন্টিনার কাছ থেকে শিল্পই দেখতে চাই, গুন্ডামি নয়। তাই এই আর্জেন্টিনা ট্রফি না পাওয়ায় সত্যিই কোনও দুঃখ নেই।

তসলিমা আসলে কাদের বিরুদ্ধে বলে গেলেন!‌

উনিশ বছর পর তিনি বাংলায়। আবেগ ছিল। চাপা কান্না ছিল। নির্বাসিত থাকার যন্ত্রণা ছিল। উদ্বেগ ছিল। কলকাতা তাঁর সেই পবিত্র অনুভূতির শরিক হয়েছে। মুক্তচিন্তার মানুষেরা মুক্তকণ্ঠে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু যেটা বলে গেলেন, ঠিকঠাক মানে বুঝলে সরকারপক্ষের খুব একটা উল্লসিত হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তাঁরা যে মর্মার্থ বুঝবেন, তাঁদের চেতনার ওপর এতখানি আস্থা রাখা কঠিন।

ক্ষমা করতে হবে না, চুপি চুপি বরং ক্ষমা চেয়ে নিন

কেউ তো আপনার কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই অযাচিত ‘‌ক্ষমা করে’‌ মহান হওয়ার দরকার নেই। বরং, নিজের ভাষণ মন দিয়ে শুনুন। কথায় কথায় পণ্ডিত হেররু ও অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের কী ভাষায় আক্রমণ করেছেন, নিজেই শুনুন। তারপর মনে মনে ক্ষমা চেয়ে নিন।

কিশোর মনে ঝড় তোলা সেই শত্রু

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।। কোন ছবির...