মুখ্যমন্ত্রী পদের মূল্য এখনও বোঝেননি শুভেন্দু

মমতা সত্যিই হয়তো অসহায়। কিন্তু তার থেকেও অনেক বেশি অসহায় মনে হল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে। পরিষ্কার করে বলা দরকার, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারই করলেন। কোনও কৌশল নয়। নিজের চেয়ারকে কলঙ্কিতই করলেন। বিপক্ষ প্রার্থীকে লোভই দেখান, আর ভয়ই দেখান, দুটোই সমান নিন্দনীয়। এর বাইরে তৃতীয় কিছু ঘটেনি। একজন মুখ্যমন্ত্রীর মর্যাদা এতে একফোঁটাও বাড়ল না। বরং অনেকটাই নেমে গেল।

মায়েদের ললিপপ দেওয়ার এই ভণ্ডামি এবার বন্ধ হোক‌

অনেক হল। এবার এই ভণ্ডামি বন্ধ হোক। শাসকের কাজ ন্যায়বিচার দেওয়া। সেটা যদি দিতে না পারেন, ললিপপ হিসেবে বিধায়ক পদের টোপ দেবেন না। মায়েদেরও অনুরোধ, অতীত থেকে শিক্ষা নিন। কী আগের সরকার, কী এই সরকার, এঁরা সঠিক তদন্ত করবে না। মুখ বন্ধ রাখার জন্য একটা গাজর ঝুলিয়ে দেবে। ছেলে বা মেয়ের মৃত্যু নিয়ে এমন সওদা নাইবা করলেন!‌

নিজেদের দিকে তাকান, তাহলেই বুঝবেন আসল দেশদ্রোহী কারা

স্বরূপ গোস্বামী বিধানসভায় আবার যেন রণাং দেহি মূর্তি। একটি বিল আনতে গিয়ে যথারীতি সেই চিৎকারেরই আশ্রয় নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গুন্ডা দমন বিলের ক্ষেত্রে তার শরীরের ভাষা যেমন, শিক্ষা সংক্রান্ত বিলের ক্ষেত্রেও...

হতাশা থেকেই হুঙ্কার, কিন্তু এত দ্রুত এত হতাশা কেন?‌

উঠতি তৃণমূলদের নিয়ে যেমন সমস্যা ছিল, হঠাৎ উড়ে এসে জুড়ে বসা বিজেপিদের নিয়েও বিড়ম্বনা কম নয়। তাঁদের হুঙ্কার দিতে হয়। ফতোয়া জারি করতে হয়। শারদোৎসব লেখা থাকলে সিপিএমের স্টল করতে দেওয়া যাবে না, সরাসরি বিধানসভা থেকে এমন হুঙ্কার দিতে হয়। কোন পুজোয় কার স্টল থাকবে, সেটাও মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন?‌ একদিকে দম্ভ, অন্যদিকে সীমাহীন অজ্ঞতা, কোনটার পাল্লা ভারী, বলা মুশকিল।

নয়ের দশকেই যেন ‘‌প্রাক্তন’‌ হয়ে গেলেন মহানায়ক

আসলে, উত্তম কুমার আমাদের একটা নস্টালজিয়া। আমরা সেটাকে ভাঙিয়ে চলতে চাই। কিন্তু উত্তমের ছবি নিয়ে আমরা যেসব উদাহরণ দিয়ে থাকি, তার সবই তিরিশ–‌চল্লিশ বছর আগে দেখা ছবি। হলে গিয়েও দেখি না। এমনকী ফ্রিতে ইউটিউবেও দেখি না।

নিজের বিধায়কও আপনার হুমকিকে পাত্তা দেন না

বঙ্কিম রায় আপনার বাড়িতে একটি টিভি বা কম্পিউটার খারাপ হয়েছে। আপনি মিস্ত্রি ডেকে আনলেন। তিনি সেই কম্পিউটার খোলার আগে থেকেই বলতে শুরু করলেন, আগে যে মেকানিক কাজ করেছে, সে নিশ্চিতভাবে...

এইসব লোকেদের কেউ গ্রন্থাগারের দায়িত্ব দেয়!‌

লাইব্রেরি দপ্তরের আসল সমস্যা কোনগুলো, সেগুলো বোঝার মতো সময় বা ইচ্ছে, কোনওটাই তাঁর আছে বলে মনে হয় না। কত গুলো লাইব্রেরি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে, কতজন গ্রন্থাগারিকের পদ শূন্য আছে, এগুলো নিয়ে তাঁর কোনও মাথাব্যথাই নেই। থাকলেও কাগজে প্রকাশিত খবরে তা অন্তত প্রকাশ পায়নি।

এই গুন্ডামির নাম ‘‌রাষ্ট্রবাদ’‌ নয়

‘‌গেরুয়া গুন্ডামি’‌ কেন লেখা হল, তা নিয়ে হুঙ্কার না দিয়ে, গেরুয়ার সম্মান নিয়ে কারা এই গুন্ডামি করার সাহস পাচ্ছে, আগে তাদের হুঙ্কার দিন। শিক্ষাঙ্গনে এই দুর্বৃত্তদের প্রবেশ বন্ধ করুন। দোহাই, এই অসভ্যতাকে, এই গুন্ডামিকে রাষ্ট্রবাদ বলে চালাবেন না।

‌আর কবে ঘুম ভাঙবে সুপ্রিম কোর্টের!‌

মহামান্য স্পিকার, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট, আর কবে আপনাদের ঘুম ভাঙবে?‌ এখনও যদি নিজেদের চেয়ারের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন না হোন, আরও অনেক থাপ্পড় আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

শ্যামাপ্রসাদের বই নিজেরা পড়েছেন তো!‌

সরল বিশ্বাস গ্রন্থাগার দপ্তরকে কে কতখানি হাসির খোরাক করতে পারেন, এ যেন তার প্রতিযোগিতা চলছে। আর এই দপ্তর নিয়ে সরকারের যে তেমন মাথাব্যথা নেই, তাও বোঝা যায়। এমন এমন লোককে...