ভাল করে পোস্টার দেখুন, আগে সুচিত্রা, পরে উত্তম

উত্তম–‌সুচিত্রা। পরপর উচ্চারিত হয় নাম দুটো। প্রায় প্রবাদ হয়ে গেছে। কিন্তু একটু তলিয়ে পোস্টারগুলো দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন। অধিকাংশ ছবির পোস্টারেই কিন্তু উত্তম–‌সুচিত্রা নয়, লেখা আছে সুচিত্রা–‌উত্তম। অর্থাৎ, সুচিত্রার নাম আগে। এটাই নাকি সুচিত্রার শর্ত ছিল। নীরবে মেনেই নিয়েছিলেন মহানায়ক।

হিন্দিতে অগ্নীশ্বর করতে চেয়েছিলেন অমিতাভ!‌

সাহস করে একদিন বলেই ফেললেন। বিভূতিভূষণের কাহিনি নিয়ে নিশিপদ্ম। যেখানে নায়ক মদ্যপান করে, অবৈধ নারীসঙ্গে আসক্ত। এমন চরিত্রে উত্তম কুমার! কিছুটা সংকোচ ছিল। বলেছিলেন, তোমাকে ওই চরিত্রে ভেবেছি। তুমি কি কাজ করবে? এক কথায় রাজি হয়ে গিয়েছিলেন উত্তম। তৈরি হল নিশিপদ্ম। পরে সেই কাহিনি নিয়েই হিন্দিতে ছবি বানিয়েছিলেন শক্তি সামন্ত। ছবির নাম অমর প্রেম, নায়ক রাজেশ খান্না।

রাজ কাপুরের প্রস্তাব না ফেরালেই পারতেন

কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ?

মহানায়ককে ঘিরে তিনটি প্রশ্ন থেকেই গেল

শেষ লগ্নে কিন্তু উত্তম কুমারকে অক্সিজেন জুগিয়েছিলেন কিশোর কুমার। হ্যাঁ, সাতের দশকের শুরুর সবরমতী বা রাজকুমারী নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কিন্তু অমানুষ, আনন্দ আশ্রম, বন্দি এমনকী ওগো বধূ সুন্দরী ছবিতে যে প্লে ব্যাক কিশোর কুমার করেছিলেন, তা নেপথ্য গায়কদের বর্ণ পরিচয় হিসেবে বেঁচে থাকবে।

আগে উত্তমের ছবি, সেখান থেকে হিন্দি ছবি

হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।

ফাঁপা হুঙ্কারের সেই ভাঙা রেকর্ডই বাজিয়ে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী

এখনও যেসব ধারায় অভিষেকের উপর মামলা হচ্ছে, তা নেহাতই ছেদো। এইসব মামলায় যে বড়সড় শাস্তি হবে না, এটা সবাই জানে। আসলে দিল্লির প্রভুরা, এখনও লোক দেখানো নাটকই করতে চায়। অভিষেকের টাকার উৎস নিয়ে তদন্ত করলে, সেই টাকা আরও কোথায় কোথায় পৌঁছতো, সেটাও বেরিয়ে আসবে। দিল্লির প্রভুরা কখনই সেটা চাইবেন না। কারণ, এতে তাঁদেরও মুখ পড়বে। তাই অভিষেককে নোটিশ পাঠানোর নামে এই প্রশাসনিক ছ্যাবলামি বন্ধ হোক। লোক দেখানো নাটক অনেক হয়েছে।

যাক, বিধানসভা কিছুটা হলেও প্রাসঙ্গিক হল

বিধানসভা যেন হল্লাবাজির আখড়া না হয়ে ওঠে, সেটা দেখা সকলের কর্তব্য। এক্ষেত্রে শাসকের দায় ও দায়িত্ব সবসময়ই বেশি। নানা কারণে উল্লেখ পর্ব তার গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছিল। অবশেষে উল্লেখ পর্বের গুরুত্ব ফিরিয়ে আনার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাকে স্বাগত।

‌শহিদ দিবস ও একঝাঁক তামাশা

শাসক থেকে সভা করা আর বিরোধী থেকে সভা করার মাঝে ফারাক অনেক। সেটা তৃণমূলও হাড়ে হাড়ে বুঝল। মমতাকে দেখে অনেকের খারাপ লাগতেই পারে। অনেকের করুণা হতেই পারে। কিন্তু তার থেকেও অনেক বেশি করুণা বোধ হয় শাসকদলের প্রাপ্য। হেরে যাওয়া মমতাকে আটকাতে এত নীচে না নামলেও পারতেন!‌

বিশ্বকাপ মিলিয়ে দিয়ে গেল দুই কিংবদন্তিকে

ঠিক চার বছর আগে। বিশ্বকাপ ফাইনালের কয়েকদিন পরেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন ফুটবল সম্রাট পেলে। এবারও ছিল বিশ্বকাপের আবহ। সারা পৃথিবী মেতেছিল বিশ্বকাপে। ফাইনালের ঠিক আগেই চিরঘুমের দেশে স্যর গ্যারি। দুই খেলার দুই কিংবদন্তির কী অদ্ভুত মিল!‌ দুজনকেই অদ্ভুতভাবে মিলিয়ে দিয়ে গেল বিশ্বকাপ।

তাকদার সেই ব্রিটিশ বাংলোয়

এই তাকদাতেই সতেরোখানা বাংলো বানিয়েছিলেন ব্রিটিশরা। এখানেই ছিল তাঁদের ক্যান্টনেন্ট। কালের নিয়মে কোনওটা ভগ্নপ্রায়। কোনওটা হয়েছে স্কুল। কোনওটা হয়েছে গেস্ট হাউস। মেঘমাখানো তাকদার সেই ইতিহাস উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর লেখায়।