এক লেখক অন্য লেখকের লেখা পড়ছে কই?
হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এসেছিলেন। সবাই গান গাওয়ার আবদার করল। হেমন্তবাবু বললেন, গান করতে তো আসিনি। এসেছি গজেন্দ্রবাবুর সঙ্গে দেখা করতে। সবাই মিলে কত আড্ডা হচ্ছে, এই তো ভাল। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় তো প্রতিবারই আসতেন। তিনি থাকলে যা হয় ! একাই আসর জমিয়ে দিতেন।
বেঙ্গল টাইমস। ই–ম্যাগাজিন। ১ এপ্রিল সংখ্যা।।
দরজায় কড়া নাড়ছে ভোট। তিন শিবিরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণাও করে দিয়েছে। কারা কোথায় এগিয়ে? সেইসঙ্গে টি২০ বিশ্বজয় নিয়ে রয়েছে কিছু আকর্ষণীয় লেখা। প্রয়াত সাহিত্যিক শঙ্করকে শ্রদ্ধার্ঘ্য। রয়েছে সাহিত্য, বিনোদন, ভ্রমণের মতো নিয়মিত বিভাগ।
বাতিল লেখা থেকেই ছবি বানালেন তরুণ মজুমদার
তাঁর কাহিনী নিয়ে একের পর এক ছবি তৈরি হয়েছে। মুম্বইয়ে নিজেও লিখেছেন একের পর এক চিত্রনাট্য। সেগুলো থেকে সেই সময়ের হিট হিন্দি ছবি তৈরি হয়েছে। কিন্তু নিজের ১৬ বছর বয়সে লেখা গল্প নিয়ে ছবি হতে পারে, কখনই ভাবেননি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুধু সাহিত্য নয়, এগিয়ে দিয়েছেন বাংলা সিনেমাকেও
শঙ্কর বললেই সবার আগে মনে পড়ে ‘চৌরঙ্গী’র কথা। বইটির বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। কতগুলি সংস্করণ হয়েছে, তা চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতোই। এখানেও সেই প্রশ্ন অনিবার্য, এটি যদি সিনেমা না হত, স্যাটা বোসের চরিত্র উত্তম কুমার যদি এমন প্রাণবন্ত অভিনয় না করতেন, তাহলে কি উপন্যাসটি এত জনপ্রিয় হত?
খেলা যখন দুই মলাটে
ওরা কী চায়, নিজেরাই জানে না
ফোকাস। ফোকাস। মোবাইলে মগ্ন বিরাট অংশের তরুণদের মধ্যে সেই ফোকাসটাই নেই। সারাদিনে ওদের স্ক্রিনটাইম হয়ত দশ থেকে বারো ঘণ্টা। মানে, এতটা সময় মোবাইল হাতে কাটায়। যে সময় মোবাইল হাতে নেই, তখনও কিন্তু ভাবনায় সেই মোবাইলই ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই সময়টা আরও দু–তিন ঘণ্টা। অর্থাৎ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মোবাইল সংযোগ অন্তত বারো থেকে পনেরো ঘণ্টার। তার পরেও দিনের শেষে প্রশ্ন করুন, সারাদিনের প্রাপ্তি কী ? বলার মতো বিশেষ কিছুই থাকবে না।
ভাই–বোনের গল্পেই বাংলার ক্রিকেটের চালচিত্র
উপন্যাসের অচেনা পিচ। স্বভাবতই, শুরুর দিকে একটু ধরে খেলা। তারপর উইকেটে সেট হয়ে যাওয়ার পর হাত খোলা। এই ছকেই এগিয়েছেন। ফলে, ব্যাটে–বলে টাইমিংটা ঠিকঠাক ছন্দ মেনেই এগিয়েছে। বাংলার ক্রিকেট কীভাবে এগোচ্ছে, কোথায় খামতি, সেগুলোও সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। অন্ধকার সরণিতে তিনি যে বেরিয়েছেন মশাল হাতে। ফলে, ভাই–বোনের গল্প হয়ে উঠেছে বাংলার ক্রিকেটের চালচিত্র। ক্যানভাসটা নিজের পরিসর ছাড়িয়ে গেছে নিজের অজান্তেই।
তাঁর ‘বর্ণময়’ হয়ে ওঠার দরকার নেই
যাঁর জীবনে যত বেশি বিতর্ক, তিনি নাকি তত ‘বর্ণময়’ চরিত্র। সেদিক থেকে সুধীর একেবারেই ‘বর্ণময়’ নন। তিনি বরাবরই পরিশ্রম করা, শৃঙ্খলা মেনে চলা এক ফুটবলার। যিনি কাউকে ছোট করে নিজেকে বড় করার চেষ্টা করেন না। প্রাণ খুলে অন্যের তারিফ করতে জানেন।
চেনা মুখের অচেনা তর্পণ
স্মৃতি তর্পণের ক্ষেত্রেও কক্ষপথটা বড়ই চেনা ছকে বাঁধা। তিনি কতটা মহান ছিলেন, তা বোঝাতে নানা ঘটনার উল্লেখ। নিরপেক্ষ, নির্মোহ বিশ্লেষণের থেকে দেবত্ব আরোপের পাল্লা অনেক বেশি ভারী। এবড়ো খেবড়ো উঠোনেও যেন সুদৃশ্য কার্পেট বিছিয়ে দেওয়া।
