জটায়ু নির্ঘাত লিখে ফেলতেন, সারান্ডায় স্যারেন্ডার

স্নিগ্ধতায় মোড়া দু–‌তিনটে দিন। যার রেশ থেকে যাবে ফেরার পরেও। মনে হবে, সারান্ডার সেই রাস্তা, সেই শালবন, সেই মেঘাতুবুরুর মেঘ—সব কিছু বুঝি এখনও পিছনে পড়ে আছে।

চেনা শহরকে নতুন করে চিনে নিন

আবার কলকাতার রাস্তায় হাঁটুন। গঙ্গার ধারে বসুন। বইয়ের দোকানে ঢুকুন। কোনও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে চা খান। শহরটাকে আবার নিজের চোখে দেখুন। এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা— সেটা আপনার থেকে ভাল কে জানে!‌

তসলিমা আসলে কাদের বিরুদ্ধে বলে গেলেন!‌

উনিশ বছর পর তিনি বাংলায়। আবেগ ছিল। চাপা কান্না ছিল। নির্বাসিত থাকার যন্ত্রণা ছিল। উদ্বেগ ছিল। কলকাতা তাঁর সেই পবিত্র অনুভূতির শরিক হয়েছে। মুক্তচিন্তার মানুষেরা মুক্তকণ্ঠে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু যেটা বলে গেলেন, ঠিকঠাক মানে বুঝলে সরকারপক্ষের খুব একটা উল্লসিত হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তাঁরা যে মর্মার্থ বুঝবেন, তাঁদের চেতনার ওপর এতখানি আস্থা রাখা কঠিন।

আপনার বাড়িতে পুজো সংখ্যা নেওয়া হয়!‌

সৃজন শীল শিক্ষিত বাঙালির জীবনে পুজোর এক অনিবার্য অনুষঙ্গ ছিল পুজো সংখ্যা। যে কোনও বাড়িতেই যান, একটা বা দুটো পুজো সংখ্যা চোখে পড়ত। এবং সেই বইগুলি নিছক লোককে দেখানোর জন্য...

ই–‌ম্যাগাজিন। উত্তম কুমার বিশেষ সংখ্যা

মহানায়ককে ঘিরে এমন নানা প্রশ্ন। জুলাইয়ের শেষবেলায় এসে তারই উত্তর খোঁজার চেষ্টা বেঙ্গল টাইমসে। কিছু জানা, কিছু অজানা। পুরো বইটি পড়ুন। ভাল লাগলে অন্যদের শেয়ার করতে পারেন।

লিখে রাখলেই স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাবে

হেমন্ত রায় একবার একটা সেমিনারে অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, যতরকম ভ্রমণ কাহিনী পড়েছি, তার মধ্যে সেরা হল সৈয়দ মুজতাবা আলির দেশে বিদেশে। শুধু বাংলা ভাষা নয়, পৃথিবীর কোনও ভাষায় এই ধরনের...

তসলিমাকে হজম করা এই অর্বাচীনদের কম্ম নয়

তাই যাঁরা উল্লসিত হচ্ছেন, যাঁরা এই সুযোগে আরও একবার বামেদের গাল পেড়ে নিচ্ছেন, তাঁরা বোধ হয় তসলিমার একটি বইও পড়েননি। ধর্মীয় হিংসা ছড়ানোই যাঁদের হাতিয়ার, তসলিমাকে হজম করা তাঁদের কম্ম নয়।

বাতিল লেখা থেকেই ছবি বানালেন তরুণ মজুমদার

তাঁর কাহিনী নিয়ে একের পর এক ছবি তৈরি হয়েছে। মুম্বইয়ে নিজেও লিখেছেন একের পর এক চিত্রনাট্য। সেগুলো থেকে সেই সময়ের হিট হিন্দি ছবি তৈরি হয়েছে। কিন্তু নিজের ১৬ বছর বয়সে লেখা গল্প নিয়ে ছবি হতে পারে, কখনই ভাবেননি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক ঘণ্টায় বিরিয়ানি আসে, বই তো আসে না

উত্তম জানা কয়েক বছর আগেও যা ভাবা যেত না, আজ তা কত সহজে আয়ত্বে এসে গেছে। কোনও একটা অ্যাপে আপনি খাবারের অর্ডার দিলেন। আধ ঘণ্টার মধ্যে তা আপনার দরজায় হাজির।...