বাংলার রাজনীতিতে পালাবদল। একেবারে ঝোড়ো হাওয়ার মতোই সরকারে এল বিজেপি। কাজ শুরুও ঝড়ের গতিতেই। সেই কাজের অভিমুখ কী? কতটা প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে আমজনতার মধ্যে? তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে কোথাও কি ফাঁক থেকে যাচ্ছে? কেন এভাবে তাসের ঘরের মতে ভেঙে পড়ছে তৃণমূল? বামেদের এমন ফলই বা কেন? তাই নিয়েই বেঙ্গল টাইমসের ই–ম্যাগাজিন।
বেঙ্গল টাইমস আগের সরকারের সময়ও স্তাবকতার রাস্তায় হাঁটেনি। তার সীমিত কণ্ঠ নিয়ে নানা বিষয়ে সোচ্চার থেকেছে। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের ভূমিকা তার মতো করে পালন করার চেষ্টা করেছে। বেঙ্গল টাইমসের অন্তত একশোটি ই ম্যাগাজিন তার সাক্ষী। সেগুলো এখনও আর্কাইভে আছে।
ভোট পর্ব শেষ। এখন অপেক্ষা ফলাফলের।
কেমন ভোট হল? কারা এগিয়ে? সমীক্ষা কী বলছে? বাস্তবের ছবিটাই বা কেমন? বাঙালির কাছে এই নির্বাচন কেন উভয় সংকট? নানা আঙ্গিক থেকে আকর্ষণীয় কিছু লেখা।
পুরোদমে চলছে প্রচার। কয়েকদিন পরেই প্রথম দফার ভোট। এই আবহে বেঙ্গল টাইসের ই ম্যাগাজিন। ২১ এপ্রিল সংখ্যা। নানা আঙ্গিক থেকে রয়েছে আকর্ষণীয় সব লেখা। পিডিএফ আপলোড করা হল। ডাউনললোড করলেই সহজে পড়া যায়।
আশা নয়, আশঙ্কাই বাড়ছে একদিকে বসন্তের বিদায়। অন্যদিকে নতুন বছরের আগমন। এপ্রিল মাসের দুই অর্ধে দুই বার্তা। কিন্তু এপ্রিল মাস মানে যতটা সম্প্রীতির, ততটাই যেন তিক্ততার। যেমন, এই বছর, রাজ্য...
হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এসেছিলেন। সবাই গান গাওয়ার আবদার করল। হেমন্তবাবু বললেন, গান করতে তো আসিনি। এসেছি গজেন্দ্রবাবুর সঙ্গে দেখা করতে। সবাই মিলে কত আড্ডা হচ্ছে, এই তো ভাল। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় তো প্রতিবারই আসতেন। তিনি থাকলে যা হয় ! একাই আসর জমিয়ে দিতেন।
দরজায় কড়া নাড়ছে ভোট। তিন শিবিরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণাও করে দিয়েছে। কারা কোথায় এগিয়ে? সেইসঙ্গে টি২০ বিশ্বজয় নিয়ে রয়েছে কিছু আকর্ষণীয় লেখা। প্রয়াত সাহিত্যিক শঙ্করকে শ্রদ্ধার্ঘ্য। রয়েছে সাহিত্য, বিনোদন, ভ্রমণের মতো নিয়মিত বিভাগ।
তাঁর কাহিনী নিয়ে একের পর এক ছবি তৈরি হয়েছে। মুম্বইয়ে নিজেও লিখেছেন একের পর এক চিত্রনাট্য। সেগুলো থেকে সেই সময়ের হিট হিন্দি ছবি তৈরি হয়েছে। কিন্তু নিজের ১৬ বছর বয়সে লেখা গল্প নিয়ে ছবি হতে পারে, কখনই ভাবেননি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।
শঙ্কর বললেই সবার আগে মনে পড়ে ‘চৌরঙ্গী’র কথা। বইটির বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। কতগুলি সংস্করণ হয়েছে, তা চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতোই। এখানেও সেই প্রশ্ন অনিবার্য, এটি যদি সিনেমা না হত, স্যাটা বোসের চরিত্র উত্তম কুমার যদি এমন প্রাণবন্ত অভিনয় না করতেন, তাহলে কি উপন্যাসটি এত জনপ্রিয় হত?
খেলার বইয়ের নাকি পাঠক নেই। এমন একটা আক্ষেপ মাঝে মাঝেই শোনা যেত। কিন্তু গত কয়েক বছরে ছবিটা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। এখন বইমেলা এলেই ঝাঁকে ঝাঁকে খেলার বই। কোনওটা হয়তো জীবনীনির্ভর।...