না বোঝা সেই স্বাধীনতাটাই ঢের ভাল ছিল

স্বাধীনতা দিবস। একেক বয়সে একেক চেহারায় হাজির হয়। ছোটবেলায় ফুল নিয়ে স্কুলে যাওয়া। চকোলেট নিয়ে বাড়ি ফেরা। একটু বড় হয়ে, লুচি–‌আলুর দম। না বুঝে পালন করা সেই স্বাধীনতা দিবসের নস্টালজিয়া নিয়ে লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।

হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির সরণি বেয়ে ….

জীবনে চলার পথে হারিয়ে যাওয়া কোনও বন্ধুর সেই দুষ্টুমির কথা উঠে আসতেই পারে। কোনও মাস্টারমশাইয়ের ধমক বা স্নেহের শাসন, সরস্বতী পুজো বা দুর্গা পুজোর ছোট ছোট ঘটনা, যেগুলো মাঝে মাঝেই মনে পড়ে যায়। লড়াইয়ের দিনগুলোয় কারা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত? জীবনের এতটা পথ পেরিয়ে আসার পর যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে ইচ্ছে করে, সেই দরজা খোলা থাক।

‌নীল সাহেবের কুঠি

সব মিলিয়ে ২২/২৩ ঘণ্টা অসাধারণ কেটেছিল। হয়তো গরম বলে একটু কষ্ট হয়েছে, বর্ষা বা শীত কালে এই জায়গাটার রূপ অসাধারণ হওয়া উচিত, ইচ্ছে আছে শীতকালে আরেক বার ঢু মারার। শহরের কোলাহল, ব্যস্ততা আর ইট কাঠ পাথরের আবর্জনা থেকে বেরিয়ে খোলা হাওয়ায় সবুজের মাঝে হারিয়ে যেতে হলে একবার ঘুরে আসবেন ‘‌ভালো ভূতের দেশ’‌ থেকে। মিশকালো অন্ধকারে ইছামতির ওপর শয়ে শয়ে জোনাকির মিটমিটে আলো আর সঙ্গে পূর্ণিমার ঝকঝকে চাঁদ পেলে তো কথাই নেই।

হ্যাঁ, আরণ্যকের সেই দোবরু পান্না

নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাদের মহুয়া খাওয়াল। একটা বোতলে করে মহুয়া ভরেও দিল। টাকা দিতে গেলাম। কিছুতেই নিল না। বলল, আপনারা মহুয়া খেতে চেয়েছেন, এ তো আমার সৌভাগ্য, এর জন্য টাকা নেব কেন! সেই কাকার আসল নাম আর মনে নেই। কিন্তু হোলি এলেই আমাদের সেই দোবরু পান্নার কথা খুব মনে পড়ে।

সত্যজিৎ থেকে ঋত্বিক, অমিতাভ থেকে রাজেশ খান্না …..

এই গরমে পাহাড়ে ছুটে যাবেন, তার উপায় নেই। ট্রেন নাই বা চুলক। মনে মনে যেতে তো বাধা নেই। তাহলে টাইম মেশিনে চেপে ঘুরে আসুন কেভেন্টার্স থেকে। কী জানি, আপনার পাশের চেয়ারেই হয়ত কোনও এক সময় বসেছিলেন সত্যজিৎ রায় বা ঋত্বিক ঘটক।

সেই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়

এত অতিথির সমাগম। যেন চাঁদের হাট। কে নেই সেখানে ! খেলা থেকে গান, সিনেমা থেকে সাহিত্য, সব জগতের দিকপালরাই হাজির। কাকে ছেড়ে কার দিকে তাকাব ? কার দিকে আবার ! অনেক তারার মাঝে ধ্রুব তারা তো একজনই। লিখেছেন অভিরূপ অধিকারী।।

আড্ডার আসরে বিভূতিভূষণ

কখনও তিনি অরণ্যে। কখনও ইছামতির তীরে। কখনও অপুর শৈশবে, তো কখনও সুদূর আফ্রিকায়। জীবনের নানা টুকরো টুকরো অনুভূতি উঠে এসেছে তাঁর লেখায়। কিন্তু সেই বিভূতিভূষণ নিজে কেমন ছিলেন? স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন মিত্র অ্যান্ড ঘোষ-এর কর্ণধার সবীতেন্দ্রনাথ রায়। তাঁর সফরসঙ্গী সাংবাদিকতার ছাত্র শোভন চন্দ।

শীতকাল ও স্নান সম্পর্কে দুটি একটি কথা

এই ঠান্ডায় স্নান!‌ পাগল নাকি?‌ রবীন্দ্রনাথ থেকে তৃণমূল। স্নান সম্পর্কে কার কী মতবাদ?‌ তারই এক কাল্পনিক কোলাজ।

আপনার পরামর্শ, সরকারের কাছে

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ— ওপেন ফোরাম। আসলে, পাঠকের মুক্তমঞ্চ। নাগরিক জীবনের নানা সমস্যার কথা উঠে আসতে পারে। থানা, হাসপাতাল, অফিস— কোথাও অকারণ হয়রানির শিকার হলে, সেই কথাও উঠে আসতে পারে। আপনাদের বিভাগ, আপনারাই এগিয়ে নিয়ে চলুন।