জটায়ু নির্ঘাত লিখে ফেলতেন, সারান্ডায় স্যারেন্ডার

স্নিগ্ধতায় মোড়া দু–‌তিনটে দিন। যার রেশ থেকে যাবে ফেরার পরেও। মনে হবে, সারান্ডার সেই রাস্তা, সেই শালবন, সেই মেঘাতুবুরুর মেঘ—সব কিছু বুঝি এখনও পিছনে পড়ে আছে।

‘জাস্টিস ফর আর জি কর’ কোথায় হারিয়ে গেল?

দু’বছর পরেও যদি তদন্ত শেষ না হয়, দু বছর পরেও যদি মূল প্রশ্ন অজানাই থেকে যায়, তাহলে এমন তদন্তকারি সংস্থা আদৌ রাখার দরকার আছে কিনা, সেই প্রশ্নটাই সবার আগে তোলা উচিত। বিচারের পথ যত দীর্ঘ হয়েছে, মানুষের আস্থা ততটাই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

‌দু’‌ঘণ্টায় বাড়িতে কাগজ পৌঁছে যায়, দু’‌বছরে সিবিআইয়ের চার্জশিট তৈরি হয় না

সিবিআই কর্তাদের বরং খবরের কাগজে কয়েক মাসের জন্য ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হোক। কীভাবে দ্রুত কাজ করতে হয়, ভাল করে শেখানো হোক।

চেনা শহরকে নতুন করে চিনে নিন

আবার কলকাতার রাস্তায় হাঁটুন। গঙ্গার ধারে বসুন। বইয়ের দোকানে ঢুকুন। কোনও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে চা খান। শহরটাকে আবার নিজের চোখে দেখুন। এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা— সেটা আপনার থেকে ভাল কে জানে!‌

কানাইয়ালাল নয়, বিধানসভার ওপরই করুণা হচ্ছে

বিধানসভার সবথেকে মূল্যবান কমিটির চেয়ারম্যানের পদ আবার দলবদলুদের জন্যই। সরকার বদল হল। কিন্তু দলবদলু আর অযোগ্য লোকেদের মাথায় বসানোর প্রথা বন্ধ হল না। বহাল তবিয়তেই চলছে। কানাইয়ালালের প্রতি নয়, বিধানসভার প্রতিই বড় করুণা হচ্ছে।

জয় গোস্বামীর হেনস্থা দেখে এত বিকৃত উল্লাস?

রক্তিম মিত্র রবীন্দ্র সদনে সেদিন যাঁর ভিড় করেছিলেন, তাঁরা আসলে কারা? কেউ কেউ সত্যিই তসলিমা নাসরিনের অনুরাগী। কেউ কেউ মুক্তচিন্তার সমর্থক। কেউ কেউ সত্যিই সেদিন তসলিমাকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু...

কুণাল বদলাননি, বদলেছে তাঁকে দেখার চোখগুলো

তিনি এখনও বিতর্কিত, এখনও তীক্ষ্ণ, এখনও বেপরোয়া। কিন্তু একটা জিনিস তিনি প্রমাণ করেছেন—সবাই যখন নিরাপদ দিক খোঁজে, তখনও কেউ কেউ নিজের পুরনো ঘরটাতেই দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। রাজনীতিতে আনুগত্যের মূল্য নিয়ে যত প্রশ্নই থাক, এই দৃশ্যটি অন্তত মনে রাখার মতো। কুণালের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন তাই হয়তো তাঁর মধ্যে নয়। পরিবর্তনটা ঘটেছে তাঁকে দেখার চোখে।

কে বলল দরজা খুলবে না?‌ ঠিক খুলবে

বিজেপিও আপাতত এই ‘পর্যটকদের’ সবাইকে নিজের ঘরে তুলে নিতে চাইছে না। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জুন মাসেই বলেছিলেন, তৃণমূলের নেতাদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ; ‘তৃণমূলীকরণ’ হতে দেওয়া হবে না। ’‌ কিন্তু কতদিন এই দরজা বন্ধ থাকবে!‌ যে কোনওদিন সেই আলিবাবা চল্লিশ চোরের মতো শোনা যাবে, ‘‌খুল যা সিম সিম’‌।

জাতীয় পুরস্কার না পেলেই বরং অবিচার হবে

মেয়েরা নাকি অর্ধেক আকাশ। কিন্তু দুই অর্ধাঙ্গিনী একত্রে যেন ধরা দিলেন ‘‌পূর্ণাঙ্গিনী’‌ হয়ে। আর অর্ধেক নয়, আস্ত একটা আকাশ, যে আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে, যে আকাশে রামধনু খেলা করে।

রবি ঠাকুর যেন মুক্তি পেলেন কিশোরের কণ্ঠে

সত্যজিৎ–‌কিশোর কুমারের যুগলবন্দি রবি ঠাকুরকে ঘিরে শক্তপোক্ত শর্তাবলীর প্রাচীরকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের উঠোন হয়েছিল সর্বজনীন। সত্যি কথা বলতে কী, সেদিনের সেই শিল্প বিপ্লব না হলে হয়ত চেনাই যেত না ‘‌আমি চিনি গো চিনি তোমারে’‌কে।