এতদিন শুনে আসতাম, ভারতকে নাকি সবাই ভয় পায়। আমেরিকা, চীন, জাপান সবাই নাকি ভারতকে ভয় পাচ্ছে। গত কয়েকমাসে অন্তত এটুকু বোঝা গেল, পাশের পুঁচকে রাজ্য বাংলাদেশও মোদিকে পাত্তা দেয় না। তাঁদের সরকারের কর্মকাণ্ড অবশ্যই নিন্দনীয়। কিন্তু তাঁরা যে ভারতকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না, এটা অন্তত পরিষ্কার।
রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। রবীন্দ্র জয়ন্তীতেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
যাঁরা কয়েকমাসের জন্য এসেছেন, তাঁদের কথা বলছি না। কিন্তু যাঁরা বহু বছর ধরে এখানে আছেন, যাঁদের এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তাঁরাও বাংলায় কথা বলেন না। বরং আমরা আদিখ্যেতা করে তাঁদের সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলি। অনেক হয়েছে। এবার এটা বন্ধ হওয়া দরকার। একটা কড়া বার্তা পৌঁছে দেওয়া দরকার।বিশেষ প্রতিবেদন।
বোঝা গেল, সিটি পুলিশের সঙ্গে ট্যাক্সি ইউনিয়নের কোনও সমন্বয়ই নেই। রাতে কোন কোন ট্রেন ঢোকে, মোটামুটি কোনদিন কত প্যাসেঞ্জার হয়, এই জাতীয় পরিসংখ্যানও আছে বলে মনে হল না। রাত দশটা থেকে এগারোটা, কীরকম প্যাসেঞ্জার, এগারোটা থেকে বারোটা কী রকম প্যাসেঞ্জার, একটা মোটামুটি হিসেব থাকবে তো। যদি চারজন যাত্রী পিছু একটি ট্যাক্সিও ধরি, তাহলে কতগুলো ট্যাক্সি দরকার হতে পারে, তার ধারনা থাকবে না?
বোকা বোকা সেলফি দেখলে লাইক মারা বন্ধ করুন। ওই লাইকগুলোই তাদের আরও বোকা বানিয়ে দিচ্ছে। যদি আপনি লাইক মেরে থাকেন, তাহলে জানবেন, সেই বোকামির ভাগীদার আপনিও। লিখেছেন তৃষাণ সেনগুপ্ত।।
বিতর্কঃ উত্তম কুমার শেষ, বাংলা ছবিও শেষ। পক্ষে-বিপক্ষে বেশ কিছু চিঠি এসেছে। আজ দুটি চিঠি প্রকাশ করা হল। দুটিই ভিনরাজ্য থেকে পাঠানো। আগামী সাতদিনে আরও কিছু লেখা প্রকাশিত হবে। আজ প্রথম কিস্তি।
বেঙ্গল টাইমসে আবার ফিরে আসছে জমজমাট বিতর্ক। যে কেউ অংশ নিতে পারেন। বিস্তারিত নিয়ম জেনে নিন।
চারিদিকে ভাষার খিচুড়ি। ইংরাজি বলতে গিয়ে আটকে গিয়ে বাংলায় ফিরে আসা। আবার সেটাও তিন লাইন বলে থমকে যাওয়া। ফের ইংরাজিতে। কেন এমনটা হচ্ছে? আসলে, কোনও ভাষাটাই ভাল করে শিখছি না। লিখেছেন অরিজিৎ চৌধুরি।।
ঋতব্রতকে যত খুশি গালাগাল দিন। কিন্তু প্রকাশ কারাত সম্পর্কে তিনি যা বললেন, মনে মনে আপনিও কি সেই কথাই বলছেন না? ওপেন ফোরামে প্রশ্ন তুললেন কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়।।
প্রায় পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেল। আর কেউ চাঁদে যেতে পারলেন না ? নিল আমস্ট্রংরা কি সত্যিই চাঁদে গিয়েছিলেন? নাকি বানানো এক গল্প? স্রোতের বিপরীতে গিয়ে অন্য এক ব্যাখ্যা তুলে আনলেন শুভেন্দু মণ্ডল।।