গোলপাহাড়ের দেশে যা, চা–পাহাড়ের দেশে যা
পাহাড়ের ভোর। সে এক অনাবিল আনন্দ। সাতসকালেই একমুখ হাসি নিয়ে হাজির মনোজ তামাং। বললেন, সামনের ওই পাহাড়টায় চলে যান। আজ ওয়েদার খুব ভাল। কাঞ্চনজঙ্ঘা পরিষ্কার দেখা যাবে।
পাহাড়ের ভোর। সে এক অনাবিল আনন্দ। সাতসকালেই একমুখ হাসি নিয়ে হাজির মনোজ তামাং। বললেন, সামনের ওই পাহাড়টায় চলে যান। আজ ওয়েদার খুব ভাল। কাঞ্চনজঙ্ঘা পরিষ্কার দেখা যাবে।
সকালে উঠে হাঁটতে বেরিয়ে পড়া। রাস্তা ধরে অলস পায়ে এগিয়ে যাওয়া। কোথাও বসে থাকা। দূরের পাহাড় দেখা। আবার ফিরে আসা। কোনও তাড়া নেই। কোথাও পৌঁছতে হবে না। এই ‘কোথাও পৌঁছতে না হওয়ার’ আনন্দটাই সম্ভবত সবচেয়ে বড় বিলাসিতা।
চাইলে নির্জন স্টেশনে বসে থাকতে পারেন। চাইলে জঙ্গলের বুক-চেরা রাস্তা দিযে হেঁটে আসতে পারেন। আর নইলে কয়েক ঘণ্টার জন্য একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে আশপাশের এলাকা ও প্রকৃতি ঘুরে দেখতে পারেন।
হয়ত গিয়ে দেখবেন অন্য কোনও পর্যটক নেই। হয়ত আপনারাই একমাত্র পর্যটক। দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। ভাল জায়গায় অল্প লোকেই যায়।
গোটা ভাগলপুরের বাজার জুড়ে যেদিকেই তাকাই সেদিকেই শুধু আমের পাহাড়। সেই দৃশ্য না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। এখন এমন একটা সময় যেখানে সবজি বাজারে সবজির দেখা পাওয়া ভার। বাজারের মাঝখান দিয়ে হেঁটে গেলে চারিদিকে রসরাজ আম তাদের নধর চেহারা নিয়ে বিরাজ করছেন। যেমন তার স্বাদ, তেমনই তার সুগন্ধ।
সেইসঙ্গে আরও একটা উটকো উৎপাত আছে। তা হল ভিডিও কল। জোরে চিৎকার করে তিনি ভিডিও কলে কথা বলে যাবেন। আর সহযাত্রীদের সেগুলো বাধ্য হয়ে শুনতে হবে। এ তো অদ্ভুত আবদার। খুব জরুরি ফোন এলে নিশ্চয় ধরবেন। কিন্তু ভিডিও কল করে এত দেখানোর কী আছে?
বাবা–মায়েরা অনেক সময় অভিযোগ করেন, ছেলে সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত। পড়তে চায় না। খেতে খেতেও মোবাইল দেখে। একটু তলিয়ে দেখলে দেখা যাবে, এই প্রজন্ম এই শিক্ষাটা কিন্তু বাড়ি থেকেই পেয়েছে। ছেলে যদি দেখে তার বাবা–মা সারাক্ষণ মোবাইল হাতে ব্যস্ত, তার মধ্যেও সেই প্রবণতাই তৈরি হবে।
এই দিনটি নিজের ভাষাকে ভালবাসার দিন। পাশাপাশি মাথায় রাখতে হবে, আমার মাতৃভাষা যেমন আমার কাছে প্রিয়, তেমনই অন্যের ভাষাও তার কাছে প্রিয়। আমার ভাষাকে বড় করে দেখাতে গিয়ে আমরা যেন কখনই অন্য ভাষাকে ছোট করে না দেখি।
দুই দেশের সদর্থক আলোচনাই পারে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝিকে দূরে সরিয়ে আরও কাছাকাছি এনে দিতে। সাম্প্রতিক অতীতেত এই তিক্ততা, এই অরাজকতা আমরাও ভুলতে চাই। নতুন সম্পর্কের সূচনা হোক। পুরনো তিক্ততা ভুলে আবার সেই হারানো সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য ফিরে আসুক।
ওইরকম গভীর জঙ্গলের মাঝখানে এইরকম খাবার! আহা! মনে পড়লে এখনও জিভে জল আসে। সকলে ডায়েটিং ভুলে গেল। বাড়িতে যা খায় তার চেয়ে কিছুটা বেশি পরিমানেই খেয়ে ফেলল। শীতের বেলা। খাওয়া শেষ হল, যখন তখন সূর্য পাটে বসেছে।