এই উপেক্ষা কি আশাজির প্রাপ্য ছিল!
আশাজি পাশে বসে ছিলেন। এই কীর্তিমানদের কোনও ভ্রুক্ষেপই ছিল না। এঁরা আপন আপন খেয়ালে মোবাইল–চর্চা করেই চলেছেন। স্বয়ং আশাজির মনের অবস্থাটা বোঝার চেষ্টা করুন। হয়ত মনে মনে ভাবছিলেন, এ কোন অর্বাচীনদের সঙ্গে এলাম। আমি পাশে বসে আছি, অথচ এরা মোবাইল ঘেঁটেই চলেছে!
আশাজি যেন মহাভারতের কর্ণ
আশাজিকে সবসময় মহাভারতের কর্ণের মতো মনে হয়। ভাল ভাল গানগুলো কিন্তু আশাজিকে দেওয়া হয়নি। ওই গানগুলো গাওয়া যে কত কঠিন, নিজে গান গাই বলেই কিছুটা বুঝতে পারি। ওইসব গানে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা একমাত্র আশাজির পক্ষেই সম্ভব ছিল। অন্য কেউ গাইলে গানগুলো কোথায় হারিয়ে যেত! কেউ জানতেও পারত না।
সহজ কথা এত সহজে কী করে বলতেন!
এই মুহূর্তে টলিউডের কজন অভিনেতা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য নিয়ে দেড় ঘণ্টা আলোচনা করতে পারেন? এই পর্যায়ের লেখাপড়া কজনের আছে? শীর্ষেন্দুর একটা উপন্যাস পড়েছেন, টলিউডে এমন লোক এখন খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। কে আসল পাঠক আর কে ওপর চালাকি করছে, লেখক ঠিক বোঝেন। রাহুলের আড্ডায় যেন ধরা দিলেন অন্য এক শীর্ষেন্দু।
বাতিল লেখা থেকেই ছবি বানালেন তরুণ মজুমদার
তাঁর কাহিনী নিয়ে একের পর এক ছবি তৈরি হয়েছে। মুম্বইয়ে নিজেও লিখেছেন একের পর এক চিত্রনাট্য। সেগুলো থেকে সেই সময়ের হিট হিন্দি ছবি তৈরি হয়েছে। কিন্তু নিজের ১৬ বছর বয়সে লেখা গল্প নিয়ে ছবি হতে পারে, কখনই ভাবেননি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুধু সাহিত্য নয়, এগিয়ে দিয়েছেন বাংলা সিনেমাকেও
শঙ্কর বললেই সবার আগে মনে পড়ে ‘চৌরঙ্গী’র কথা। বইটির বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। কতগুলি সংস্করণ হয়েছে, তা চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতোই। এখানেও সেই প্রশ্ন অনিবার্য, এটি যদি সিনেমা না হত, স্যাটা বোসের চরিত্র উত্তম কুমার যদি এমন প্রাণবন্ত অভিনয় না করতেন, তাহলে কি উপন্যাসটি এত জনপ্রিয় হত?
সিরিয়াল চলে? এরপরেও শান্তি আছে!
ক্রমশ বঙ্গ জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠছে এই বোকা বোকা সিরিয়ালগুলো। রোজ সকাল থেকে কীসের আকর্ষণে টিভির সামনে বসে যায়, বুঝতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু যা বুঝেছি, এখান থেকে ভাল শিক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সারাক্ষণ শুধু কুচুটেপনা।লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
ওয়েব সিরিজ আসলে মেগা সিরিয়ালেরই নতুন সংস্করণ
ভাল কনটেন্ট অবশ্যই স্বাগত। নতুন প্রযুক্তি থেকেও মুখ ফিরিয়ে থাকার উপায় নেই। কিন্তু সেই প্রযুক্তির হাত ধরে, নতুন ধারার হাত ধরে আবার যদি সেই বিষবাষ্প ঢুকে পড়ে, তা বেশ উদ্বেগের। ওয়েব সিরিজের শুরুর দিনগুলোয় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গিয়েছিল, যাক, সিরিয়ালের কূটকচালি থেকে কিছুটা অন্তত মুক্তি পাওয়া গেল। কিন্তু গত কয়েক বছরে আস্তে আস্তে ওয়েব সিরিজেরও সিরিয়ালীকরণ হয়ে গেল। ভাল ছবিকে যেমন আর্ট ফিল্ম বলে দাগিয়ে দেওয়া হত, এখানেও ভাল কনটেন্ট আবার সেই সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে না তো!
সুচিত্রা সেন বিশেষ সংখ্যা
সুচিত্রার চরিত্রের অনেক অজানা দিক ও গল্প নিয়েই বিশেষ ই–ম্যাগাজিন। পিডিএফ দেওয়া হল। সঙ্গে দেওয়া হল ওয়েব লিঙ্ক। ডাউনলোড করলেই সহজে পড়া যাবে।
ইন্টারভিউ নিতে ডাকলেন স্বয়ং সুচিত্রা সেন!
ক্যামেরা বের করলাম। হাতের সামনে সুচিত্রা। ছবি না তুললে কেউ বিশ্বাস করবে? ক্লিক করতে গেলাম। উনি চিৎকার করে বললেন, ‘প্লিজ স্টপ। আই সে, স্টপ প্লিজ।’ বলেই ভেতরের ঘরে ঢুকে গেলেন।
