জাতীয় পুরস্কার না পেলেই বরং অবিচার হবে

মেয়েরা নাকি অর্ধেক আকাশ। কিন্তু দুই অর্ধাঙ্গিনী একত্রে যেন ধরা দিলেন ‘‌পূর্ণাঙ্গিনী’‌ হয়ে। আর অর্ধেক নয়, আস্ত একটা আকাশ, যে আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে, যে আকাশে রামধনু খেলা করে।

রবি ঠাকুর যেন মুক্তি পেলেন কিশোরের কণ্ঠে

সত্যজিৎ–‌কিশোর কুমারের যুগলবন্দি রবি ঠাকুরকে ঘিরে শক্তপোক্ত শর্তাবলীর প্রাচীরকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের উঠোন হয়েছিল সর্বজনীন। সত্যি কথা বলতে কী, সেদিনের সেই শিল্প বিপ্লব না হলে হয়ত চেনাই যেত না ‘‌আমি চিনি গো চিনি তোমারে’‌কে।

কিশোরকে মরণোত্তর সম্মান দিতে এত কুণ্ঠা কীসের ?‌

কুণাল দাশগুপ্ত সেই কুস্তি আজও চলেছে । সাতের দশকের মাঝমাঝি সময় থেকে কেন্দ্রে বহু ধরনের সরকার এসেছে । জনতা, কংগ্রেস ,বি জে পি , হরেক কিসিমের । রাজনীতি , অর্থনীতি...

ছবির মধ্যে ছবি, তার আড়ালেই রাহুলের অমরত্ব

আর রাহুল? এখানে আবেগকে সরিয়ে রেখে তাঁকে দেখা কঠিন। বড় প্রিয় এক চরিত্র। তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত ‘‌সহজ কথা’‌ বাঙালির অনেক জটিলতাকে ঢেকে দিয়েছিল সারল্যের চাদরে। পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে বড্ড তাড়াতাড়িই যেন চলে গেলেন। কিন্তু শিল্পীর মাহাত্ম্য এখানেই, শিল্পী হারিয়ে গেলেও শিল্প থেকে যায়। রাহুলের এই কাজটাও থেকে যাবে।

ছিল বাবার গান, হয়ে গেল কিশোর কুমারের

কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। আসলে শ্যামল মিত্রর গান। কীভাবে কিশোর কুমারের গান হয়ে গেল?‌ দেয়া নেয়া ছবিতে শ্যামল মিত্র কেনই বা প্রোডিউসার হয়েছিলেন?‌ এমন অনেক অজানা কথা সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।

কিশোর মনে ঝড় তোলা সেই শত্রু

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।। কোন ছবির...

ই–‌ম্যাগাজিন। উত্তম কুমার বিশেষ সংখ্যা

মহানায়ককে ঘিরে এমন নানা প্রশ্ন। জুলাইয়ের শেষবেলায় এসে তারই উত্তর খোঁজার চেষ্টা বেঙ্গল টাইমসে। কিছু জানা, কিছু অজানা। পুরো বইটি পড়ুন। ভাল লাগলে অন্যদের শেয়ার করতে পারেন।

ভাল করে পোস্টার দেখুন, আগে সুচিত্রা, পরে উত্তম

উত্তম–‌সুচিত্রা। পরপর উচ্চারিত হয় নাম দুটো। প্রায় প্রবাদ হয়ে গেছে। কিন্তু একটু তলিয়ে পোস্টারগুলো দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন। অধিকাংশ ছবির পোস্টারেই কিন্তু উত্তম–‌সুচিত্রা নয়, লেখা আছে সুচিত্রা–‌উত্তম। অর্থাৎ, সুচিত্রার নাম আগে। এটাই নাকি সুচিত্রার শর্ত ছিল। নীরবে মেনেই নিয়েছিলেন মহানায়ক।

হিন্দিতে অগ্নীশ্বর করতে চেয়েছিলেন অমিতাভ!‌

সাহস করে একদিন বলেই ফেললেন। বিভূতিভূষণের কাহিনি নিয়ে নিশিপদ্ম। যেখানে নায়ক মদ্যপান করে, অবৈধ নারীসঙ্গে আসক্ত। এমন চরিত্রে উত্তম কুমার! কিছুটা সংকোচ ছিল। বলেছিলেন, তোমাকে ওই চরিত্রে ভেবেছি। তুমি কি কাজ করবে? এক কথায় রাজি হয়ে গিয়েছিলেন উত্তম। তৈরি হল নিশিপদ্ম। পরে সেই কাহিনি নিয়েই হিন্দিতে ছবি বানিয়েছিলেন শক্তি সামন্ত। ছবির নাম অমর প্রেম, নায়ক রাজেশ খান্না।

রাজ কাপুরের প্রস্তাব না ফেরালেই পারতেন

কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ?