নয়ের দশকেই যেন ‘‌প্রাক্তন’‌ হয়ে গেলেন মহানায়ক

আসলে, উত্তম কুমার আমাদের একটা নস্টালজিয়া। আমরা সেটাকে ভাঙিয়ে চলতে চাই। কিন্তু উত্তমের ছবি নিয়ে আমরা যেসব উদাহরণ দিয়ে থাকি, তার সবই তিরিশ–‌চল্লিশ বছর আগে দেখা ছবি। হলে গিয়েও দেখি না। এমনকী ফ্রিতে ইউটিউবেও দেখি না।

পঞ্চায়েতের মতোই, গ্রাম চেনার সহজ পাঠ

‘পঞ্চায়েত’-এর মতোই এখানে গ্রাম আছে, কিন্তু এই গ্রামের দরজা দিয়ে ঢুকে পড়তে হয় আরও গভীরে। প্রশাসন নয়, এখানে আলোচনার কেন্দ্রে স্বাস্থ্য। হাসপাতাল নয়, আসলে আলোচনার কেন্দ্রে মানুষ। আর সেই মানুষগুলির সঙ্গে পরিচিত হতে গিয়েই সিরিজটি একসময় নিছক বিনোদন থাকে না। শহরের মানুষ হিসেবে আমরা গ্রামের কথা বলি। গ্রামকে ভালোবাসার কথাও বলি। কিন্তু কতটা চিনি?

‌রাজা সেনের সেই ক্যামেরা এখনও চলছে

সেই সময়ও নেই। পুরনো দূরদর্শনের সেই পর্দাও আর নেই। সন্ধ্যার নির্দিষ্ট সময়ে টিভির সামনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বসার সেই অভ্যাসও আজ নিছকই অতীত। কিন্তু কোনও কোনও দৃশ্যের মতো কিছু স্মৃতি থেকে যায়। পুরনো কোনও গল্পের চরিত্র হঠাৎ মনে পড়ে যায়। মনে হয়, কোথাও যেন রাজা সেনের ক্যামেরা এখনও চলছে।

বিপ্লবী নাকি ডাকাত!‌ অনন্ত যেন অন্তহীন প্রশ্ন

ইতিহাস ও কল্পনার সীমারেখাটি ছবিতে সবসময় পরিষ্কার নয়। কোনটি নথিভুক্ত ঘটনা, আর কোনটি চিত্রনাট্যের প্রয়োজন থেকে তৈরি—দর্শক সব জায়গায় তা বুঝতে পারেন না। ইতিহাস-নির্ভর ছবির ক্ষেত্রে এই জায়গাটিই সবচেয়ে সাবধানে সামলানো দরকার ছিল।

জাতীয় পুরস্কার না পেলেই বরং অবিচার হবে

মেয়েরা নাকি অর্ধেক আকাশ। কিন্তু দুই অর্ধাঙ্গিনী একত্রে যেন ধরা দিলেন ‘‌পূর্ণাঙ্গিনী’‌ হয়ে। আর অর্ধেক নয়, আস্ত একটা আকাশ, যে আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে, যে আকাশে রামধনু খেলা করে।

রবি ঠাকুর যেন মুক্তি পেলেন কিশোরের কণ্ঠে

সত্যজিৎ–‌কিশোর কুমারের যুগলবন্দি রবি ঠাকুরকে ঘিরে শক্তপোক্ত শর্তাবলীর প্রাচীরকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের উঠোন হয়েছিল সর্বজনীন। সত্যি কথা বলতে কী, সেদিনের সেই শিল্প বিপ্লব না হলে হয়ত চেনাই যেত না ‘‌আমি চিনি গো চিনি তোমারে’‌কে।

কিশোরকে মরণোত্তর সম্মান দিতে এত কুণ্ঠা কীসের ?‌

কুণাল দাশগুপ্ত সেই কুস্তি আজও চলেছে । সাতের দশকের মাঝমাঝি সময় থেকে কেন্দ্রে বহু ধরনের সরকার এসেছে । জনতা, কংগ্রেস ,বি জে পি , হরেক কিসিমের । রাজনীতি , অর্থনীতি...

ছবির মধ্যে ছবি, তার আড়ালেই রাহুলের অমরত্ব

আর রাহুল? এখানে আবেগকে সরিয়ে রেখে তাঁকে দেখা কঠিন। বড় প্রিয় এক চরিত্র। তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত ‘‌সহজ কথা’‌ বাঙালির অনেক জটিলতাকে ঢেকে দিয়েছিল সারল্যের চাদরে। পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে বড্ড তাড়াতাড়িই যেন চলে গেলেন। কিন্তু শিল্পীর মাহাত্ম্য এখানেই, শিল্পী হারিয়ে গেলেও শিল্প থেকে যায়। রাহুলের এই কাজটাও থেকে যাবে।

ছিল বাবার গান, হয়ে গেল কিশোর কুমারের

কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। আসলে শ্যামল মিত্রর গান। কীভাবে কিশোর কুমারের গান হয়ে গেল?‌ দেয়া নেয়া ছবিতে শ্যামল মিত্র কেনই বা প্রোডিউসার হয়েছিলেন?‌ এমন অনেক অজানা কথা সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।

বেঙ্গল টাইমসের ই–‌ম্যাগাজিন। সামনেই কিশোর কুমারের জন্মদিন। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েই এবারের ই–‌ম্যাগাজিন। নানা আঙ্গিক থেকে এই ‘‌অমর শিল্পী’‌কে একটু খুঁজে দেখার চেষ্টা।