তাঁর ‘‌বর্ণময়’‌ হয়ে ওঠার দরকার নেই

যাঁর জীবনে যত বেশি বিতর্ক, তিনি নাকি তত ‘‌বর্ণময়’‌ চরিত্র। সেদিক থেকে সুধীর একেবারেই ‘‌বর্ণময়’‌ নন। তিনি বরাবরই পরিশ্রম করা, শৃঙ্খলা মেনে চলা এক ফুটবলার। যিনি কাউকে ছোট করে নিজেকে বড় করার চেষ্টা করেন না। প্রাণ খুলে অন্যের তারিফ করতে জানেন।

যাঁরা সম্প্রীতি বোঝেন না, খেলার মাঠ তাঁদের জন্য নয়

মাঠে বিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলাব না, পাক বোর্ডের কর্তা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের মাথায় আছেন বলে তাঁর হাত থেকে এশিয়া কাপ নেব না, এগুলোও খুব সুস্থতার লক্ষণ নয়। এতে তিক্ততা আরও বাড়ে। পাশাপাশি, পাকিস্তান যেভাবে বয়কটের ডাক দিয়েছিল, এটাও কাম্য নয়। মাঠের বাইরের তিক্ততা যেন মাঠের পরিবেশকে বিষিয়ে না তোলে, এটা দেখার দায়িত্ব দু’‌পক্ষেরই। খেলার মাঠে বিভাজন নয়, সম্প্রীতিই কাম্য। 

চেনা মুখের অচেনা তর্পণ

স্মৃতি তর্পণের ক্ষেত্রেও কক্ষপথটা বড়ই চেনা ছকে বাঁধা। তিনি কতটা মহান ছিলেন, তা বোঝাতে নানা ঘটনার উল্লেখ। নিরপেক্ষ, নির্মোহ বিশ্লেষণের থেকে দেবত্ব আরোপের পাল্লা অনেক বেশি ভারী। এবড়ো খেবড়ো উঠোনেও যেন সুদৃশ্য কার্পেট বিছিয়ে দেওয়া।

ভারত থেকে যেনভারতই নির্বাসিত

স্বরূপ গোস্বামী মনে পড়ে যাচ্ছে মৃদুল দাশগুপ্তর একটি বিখ্যাত ছড়া। ফুটবল আর ক্রিকেটের তুলনা টানতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘‌পৃথিবীর চারভাগে/‌তিনভাগ জল/ক্রিকেট তুচ্ছ খেলা,/‌খেলা ফুটবল।’‌ বিশ্বকাপ ফুটবলে যখন মাসের পর মাস...

চ্যাম্পিয়ন হয়েই কি ফোকাস নড়ে গেল!‌

একটা সময় সন্তোষ ট্রফিতে বাংলার চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক ও নিত্য নৈমিত্তিক এক ঘটনা। কারা কতবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, এই তালিকা করতে বসলে বাংলার ধারে কাছেও অন্য কোনও দলকে পাওয়া যাবে না। কিন্তু গত কয়েক দশকে এই ছবিটা অনেকটাই বিবর্ণ।

গণ্ডমূর্খদের মুখে ‘‌দেশপ্রেম’‌ বড্ড বেমানান

এরা বিজেপির লেজুড়বৃত্তি করতে করতে নিজেদের কোথান এনে দাঁড় করিয়েছেন, নিজেরাও জানেন না। যে অসভ্যতা বিজেপির অ্যাজেন্ডা, সেটাকে এঁরা বোর্ডের অ্যাজেন্ডা বানিয়ে ফেলেছেন।

‌প্রতিভার এই অপমৃত্যুর দায় তাহলে কার?‌

গত দুটি বিশ্বকাপে যাঁরা খেলেছেন, এমন তিরিশের বেশি ক্রিকেটারকে জাতীয় দলের আঙিনায় দেখা গেল না কেন?‌ আইপিএলের অর্থ ও নানা হাতছানিতে তাঁরা কি হারিয়ে গেলেন?‌ ক্রিকেট থেকে তাঁদের ফোকাসটাই কি সরে গেল?‌ বিষয়টা সত্যিই ভাবার মতো। শুধু ক্রিকেটারদের দায়ী করে লাভ হবে না। সিস্টেমেও কোথাও একটা গলদ আছে। এত এত প্রতিভাকে আগলে রাখার ক্ষেত্রে বোর্ড বা নির্বাচকদের কি কোনও দায় ছিল না?‌

গম্ভীরবাবুর ‘‌মন কী বাত’‌

আচ্ছা বলুন তো, সবসময় ক্যামেরার নজরদারিতে থাকা যায়!‌ বিরাট কোহলি চার মারছে, অমনি আমার দিকে ক্যামেরা ঘুরে যাচ্ছে। আমি হাসছি না গম্ভীর আছি, সেসব টিভি স্ক্রিনে ভেসে উঠছে। হাসলে সেই হাসি আন্তরিক না মেকি, তা নিয়ে যে যা পারছে মত দিয়ে যাচ্ছে। যদি হাততালি দিই, তাহলে কবার দিলাম, আওয়াজ উঠল কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। লোকে বলে, ক্রিকেটারদের ওপর নাকি চাপ থাকে। আচ্ছা বলুন তো, সাজঘরে বসে থাকাও কি কম চাপের!‌

‌প্রমোশন না ডিমোশন— বোঝার বুদ্ধিটুকুও অরূপের নেই

অজয় নন্দী আচ্ছা, অরূপ বিশ্বাস ঠিক কোন দপ্তরের মন্ত্রী। মাঝে মাঝেই এই প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে। নানা সময়ে অন্তত একশোজনকে এই প্রশ্নটা করেওছি। তৃণমূলের সমর্থকদের যেমন করেছি, তেমনই বাম বা...

সৌরভের বার্তা গম্ভীর আদৌ বুঝবেন তো!‌

অজয় নন্দী এ যেন সেই শিয়াল আর সারসের গল্প। একদিন শিয়াল তার বাড়িতে নেমন্তন্ন করল প্রতিবেশী সারসকে। একে তরল খাদ্য, তার ওপর খেতে দিল থালায়। শিয়াল খেয়ে নিলেও বেচারা সারসকে...