ক্যাসেটটা ফেরত দিতে ভুলেই গিয়েছিলাম

আমার গান রেকর্ড করা হয়ে গেছে। অনেকেই প্রশংসা করছেন। কিন্তু হেমন্তজেঠুর ক্যাসেটটা এর ফেরত দেওয়া হয়নি। ভেবেছিলাম, লোকের হাতে পাঠাব না। একদিন তাঁকে প্রণাম করে আমার রেকর্ডটি তাঁকে দিতে যাব। সেইদিনই ক্যাসেটটি ফেরত দেব। তারপর কী হল? জেনে নিন সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।

‘রসুন’ সংস্কৃতির আসল জন্মদাতা কিন্তু হেমন্তই

আজ থেকে তিরিশ–‌চল্লিশ বছর আগে ছিল ক্যাসেটের জমানা। তখন প্রায় প্রতিটি বাঙালি বাড়িতে ‘‌লিজেন্ডস অফ গ্লোরি’‌ নামে একটি ক্যাসেট থাকত। সম্ভবত বাংলা গানের ইতিহাসে এটিই জনপ্রিয়তম ক্যাসেট। সলিল চৌধুরির সুরে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়েক কণ্ঠে দশটি গানের সংকলন। এই ক্যাসেটটি বাঙালির জীবনে ‘‌রসুন’‌ সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছিল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

এক ঘরানায় নিজেকে আটকে রাখেননি

কোন গানের জন্য হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে মনে রাখবেন? রবীন্দ্র সঙ্গীত ? বাংলা ছবির গান ? হিন্দি ছবির গান ? নাকি গণসঙ্গীত ? নাকি অসামানন্য সুরের জন্য? আসলে, হেমন্ত কখনই একটা নির্দিষ্ট ঘরানাতে আঁকড়ে থাকেননি। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

সুশান্তকে নিয়ে এত চিৎকার থেমে গেল কেন?‌

এক বছর পর তাহলে কী দাঁড়াল?‌ এত চিৎকার, এত নোঙরামি, এত অসভ্যতার পরেও ওটা খুন বলে প্রমাণ করা গেল না। যা যা কার্যকারণ সম্পর্ক উঠে এল, তাতে আত্মহত্যার সম্ভাবনাই বেরিয়ে আসছে। তাহলে এতদিন যারা খুন–‌খুন বলে চেচিয়ে গেল, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে?‌ কোর্টই বা নীরব দর্শক কেন?‌ কেন সেইসব চ্যানেলগুলিকে চড়া তিরষ্কার ও ভর্ৎসনা করা হবে না?‌

রিজওয়ানুর, কে আপনার হয়ে আওয়াজ তুলবে!‌

সুশান্তের মতোই আপনাকেও আর ওঁদের প্রয়োজন নেই। আপনাকে বিস্মৃতির অতলে পাঠিয়ে দিতে পারলেই এখন ওঁদের লাভ। রিজওয়ানুর, আপনার হয়ে আওয়াজ তোলার আজ আর কেউ নেই।

সোনার কেল্লা পার্ট ২

মুকুলকে নিয়ে আর জল্পনা নেই। পদ্মশিবির ঘুরে আবার পুরনো ঘরেই ফিরে এসেছেন।‌ বছর পাঁচেক আগেও তাঁকে নিয়ে এমনই জোরালো জল্পনা তৈরি হয়েছিল। যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।

মুকুলের ঘরে ফেরায় অবাক হওয়ার কী আছে!‌

যে কাজের জন্য মুকুল রায়দের নেওয়া হয়েছিল, সেই কাজটাই তাঁকে করতে দেওয়া হল না। অন্য লোকেদের মাথায় তুলে নাচা শুরু হয়ে গেল। এতে যে কোনও লোকেরই খারাপ লাগাই স্বাভাবিক। যেভাবে তৃণমূলে কোণঠাসা হচ্ছিলেন, বিজেপিতেও প্রায় একইভাবে কোণঠাসা করার কাজ শুরু হল।

সারাক্ষণ স্মার্টফোনে?‌ অজান্তে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?‌

টেনিস এলবোর নাম তো আমরা সবাই শুনেছি। শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার এই রোগে কাবু হয়ে পড়েছিলেন। পশ্চিমী দুনিয়ায় এখন এক নতুন সমস্যার নাম সেলফোন এলবো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের হ্যান্ড অ্যান্ড আপার এক্সট্রিমিটি সেন্টারের অস্থি বিশেষজ্ঞ ডক্টর পিটার জে ইভান্স জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ সেলফোন ব্যবহারের ফলে হাতের হাড় ও পেশিতে এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

দলকে ডোবাতে এই অর্বাচীনরাই যথেষ্ট

সমর্থকরা এত অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছেন কেন?‌ তৃণমূল বা মিডিয়া বামেদের কতই বা দুর্নাম করতে পারে!‌ তার থেকে এঁরা অনেক বেশি শক্তিশালী। পাড়ায় পাড়ায় এঁরাও কিন্তু আছেন। এই লোকেরাই যদি পাড়ায় পাড়ায় বামেদের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাহলে ঘুরে দাঁড়ানো সত্যিই বড় কঠিন।

কীভাবে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে হয়, আগে শিখুন

জাতির উদ্দেশে ভাষণটা যে বিরোধীদের আক্রমণের মঞ্চ নয়, এই ন্যূনতম সহবৎ শিক্ষাটাই এখনও হল না। আগের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতিরাও নানা সময়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। সেগুলো নিশ্চয় আর্কাইভে আছে। আগে সেগুলো মন দিয়ে শুনুন। জেনে নিন, জাতির উদ্দেশে ভাষণে কী বলতে হয় আর কী বলতে নেই। এত বড় একটা দেশের প্রধামন্ত্রী এমন মূর্খামি করে যাবেন, এটা দেশের পক্ষে সত্যিই লজ্জার।