বিকেলেই গ্যালারি শো করতে হবে?‌ এত কীসের তাড়া?‌

এখনও বিশ্বাস করি, নিজেদের স্কুলে অনায়াসেই পরীক্ষা নেওয়া যেত। যে সব স্কুলে সেফ হোম হয়েছে, তাদের বিকল্প ব্যবস্থা করা যেত। এটা আয়োজন করতে তেমন কোনও সমস্যাই হত না। কিন্তু সরকার সেই ব্যবস্থাটুকুও করতে পারল না। সেই সরকার কিনা ২ ঘণ্টায় ৩৪ হাজার চিঠি পড়ে ফেলল। শতাংশের হিসেব জানিয়ে দিল। এই দুটো ঘটনা একসঙ্গে মেলানো যায়!‌

টিকার সার্টিফিকেটে ছবি!‌ খুব নিম্নস্তরের অসভ্যতা

ছবি ছাপতে ছাপতে অভ্যেসটা এমন জায়গায় চলে গেছে, কোথায় থামতে হয়, সেটাও ভুলে গেছেন। এটা শুধু কুরুচিকর বললে কম বলা হয়। এটাকে প্রশাসনিক অসভ্যতাই বলা যায়। কিন্তু বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?‌

নানা বিষয়ে এভাবেই মতামত চাওয়া হোক

মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক নিয়ে ঠিক কী করা উচিত, এখনও বুঝে উঠতে পারছে না সরকার। শুধু আমাদের রাজ্য সরকার নয়, অধিকাংশ রাজ্যই এই নিয়ে একটা অদ্ভুত সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরীক্ষা করাতে গেলে যদি কোনও বিপদ ঘটে যায়, যদি কোনও ছাত্রের করোনা হয়ে যায়, তখন দায় এসে পড়বে। সেই ভয় তাড়া করছে প্রায় সব সরকারকেই।

কাদের নিয়েছিলেন, এবার বুঝলেন তো বিজেপি নেতারা!‌

তাই আবার বেসুরো বাজা শুরু। যাঁরা হেরেছেন, তাঁরা তো ইট পেতেই রেখেছেন। যাঁরা জিতেছেন, তাঁরাও তলে তলে যোগাযোগ রাখলেন। কোনও একটা বাহানায় যদি শাসকের ছাতার তলায় আসা যায়!‌ বিজেপির যে নেতারা পাইকারি হারে তৃণমূলীদের হাতে পতাকা তুলে দিয়েছিলেন, তাঁদের শিক্ষা হল তো?‌ এবার তাঁরা বুঝলেন তো, কাদের দলে নিয়েছিলেন!‌

হালিম সাহেব মোটেই ভাল স্পিকার ছিলেন না

সবাই বলেন, হাসিম আব্দুল হালিম নাকি দারুণ স্পিকার ছিলেন। যাঁরা বলেন, না বুঝেই বলেন। বেসুরো এক লেখায় আসল সত্যিটা বুঝিয়ে দিলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

‌মাধ্যমিক নিয়ে অহেতুক জট পাকানো হচ্ছে

যাঁদের নিয়ে এইসব তথাকথিত কমিটি হচ্ছে, তাঁরা সবাই কলকাতার মানুষ। শাসকদলের আশেপাশে ঘুরঘুর করা মানুষ। শিক্ষা কাঠামোর সঙ্গে অনেকদিন এঁদের তেমন সম্পর্ক নেই। আর গ্রামীণ বা মফস্বলের স্কুল সম্পর্কে একেবারেই ধারণা নেই। ফলে, তাঁরা যদি কোনও পরামর্শ দেন, তার সঙ্গে বাস্তবের তেমন যোগ থাকবে না, সেটাই স্বাভাবিক।

সাইকেল, আমাদের ছোটবেলার সেরা বিনোদন

সে সময় ভিডিও গেমও ছিল না। ফেসবুকও ছিল না। ছেলেবেলার সেরা বিনোদন ছিল ওই সাইকেল। সেই সাইকেলকে ঘিরেই কত অ্যাডভেঞ্চার। কত লুকিয়ে থাকা স্মৃতি। বিশ্ব সাইকেল দিবসে নস্টালজিক লেখা সজল পাত্রর।

ওড়িশাকে দেখে একটু শিখতে পারি না!‌

সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীকে রোজ রোজ ভাষণ দিতে হয় না। নিজের ছবিতে রাজ্যকে মুড়ে দিতে হয় না। সরকারি মঞ্চ থেকে ভুলভাল বকতে হয় না। রাজনৈতিক তরজা করতে হয় না। সেখানকার কাগজে রোজ মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ছাপতে হয় না। ছবি না ছাপলেও বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়ে যায় না। এই ওড়িশাকে দেখে আমরা কি কিছুই শিখতে পারি না!‌

পাঁচ কোটি ম্যানগ্রোভের অবাস্তব ঘোষণা কে করেছিল?‌

আত্মসমালোচনার নামে মুখ্যমন্ত্রী যা যা বলছেন, তার পেছনেও রয়েছে গভীর রাজনীতি। বেছে বেছে ছেড়ে যাওয়া দুই মন্ত্রীর দুটো দপ্তরকেই টার্গেট করছেন। এই দুই দপ্তরের ব্যর্থতাকেই বড় করে দেখাতে চাইছেন। এই দুই দপ্তরের অপদার্থতার কোনও দায় তিনি নেবেন না। ‌

মোদির আছে পাকিস্তান, বামেদের আছে মিডিয়া

অন্তত ভোটের বাস্তবতাটা মূলস্রোত মিডিয়া ওই বাম নেতাদের থেকে বেশি বোঝে, এটুকু তো প্রমাণ হল। ‌ মোদির যেমন নজর ঘুরিয়ে দিতে একটা পাকিস্তান দরকার হয়, কমরেডদেরও তেমনই বোধ হয় মিডিয়া দরকার হয়। এরপরেও কি আত্মসমীক্ষা হবে?‌ নাকি নিজেদের সমস্ত ব্যর্থতার দায় এবারও মিডিয়ার ঘাড়ে চাপিয়ে দেবেন? ‌