বুথ হারিয়ে গেছে, কথাও কি হারিয়ে যাবে?
প্রায় সব নেটওয়ার্কেই কথা বলার খরচ অনেক কমে গেছে। অনেকে তো দুশো টাকায় আনলিমিটেড ফ্রি কথা বলার সুযোগ করে দিচ্ছে। কারণ, তাঁরা জানেন, অফুরন্ত কথা বলার ছাড় দিলেও এ আধঘণ্টার বেশি কথা বলবে না।
প্রায় সব নেটওয়ার্কেই কথা বলার খরচ অনেক কমে গেছে। অনেকে তো দুশো টাকায় আনলিমিটেড ফ্রি কথা বলার সুযোগ করে দিচ্ছে। কারণ, তাঁরা জানেন, অফুরন্ত কথা বলার ছাড় দিলেও এ আধঘণ্টার বেশি কথা বলবে না।
নর্মদা রায়ের মতো মানুষেরা এ যুগে সত্যিই বেমানান। তাঁরা কখনই নিজের ঢাক নিজে পেটানোর বিদ্যে আয়ত্ব করতে পারেননি। তাই চিরকাল আড়ালেই থেকে গেলেন। নিঃশব্দেই হারিয়ে গেলেন। কলকাতার সবজান্তা মিডিয়া টেরও পেল না।
অবসরের দিন হঠাৎ করে এভাবে কোনও আমলাকে দিল্লিতে বদলি করা যায়! এ কী ধরনের অসভ্যতা! অন্যদিকে, সেই ঘটনা নিয়ে আবার সেই তেড়েফুঁড়ে ঝগড়া করলেন আরও একজন। বুঝিয়ে দিলেন, তিনিও কম যান না। দুই তরফের এই খেউড়ে স্যান্ডউইচ হতে হয় আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো গুণী আমলাদের। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে কি বিধানচন্দ্র রায়ের কথা হত না? ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে কি জ্যোতি বসুর কথা হত না? এমনকী আদবানি–বাজপেয়ীদের সঙ্গে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যেরও কথা হয়েছে। সবসময় যে প্রধানমন্ত্রী আর মুখ্যমন্ত্রী একমত হয়েছে, এমনও নয়। কখনও কখনও চূড়ান্ত বিতর্কও হয়েছে। কিন্তু সেই কথোপকথন বেআব্রু হয়ে যায়নি। দৈনন্দিন কাগজের হেডলাইন হয়ে ওঠেনি। কারণ, দুপক্ষই ছিলেন শিক্ষিত, মার্জিত। তাঁরা জানতেন, প্রশাসন কীভাবে চালাতে হয়। তাঁরা জানতেন, প্রশাসন চালাতে গেলে একটা শিষ্টাচার মানতে হয়। সব কথা প্রকাশ্যে আনতে নেই। এই কথোপকথন নিয়ে সস্তা নাটক বা গ্যালারি শো করতে নেই।