‌স্বপ্নের নগরী কল্যাণী সেভাবে বেড়ে উঠল কই!

কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।

সময়ের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকা ছবি

একজন পরিচালকের সব ছবি ভাল লাগবেই, এমনটা না হওয়াই স্বাভাবিক। ভবিষ্যতে যদি একটি ছবির জন্যই তাঁকে মনে রাখতে হয়, তবে তা হল পরমা। সত্যিই ছবিটা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছিল। আমাদের চিন্তা চেতনাকে অনেকটা সাবালক করে তুলেছিল।

সরকার একপেশে, তাই রাজ্য ভাগের দাবি ওঠে

লোকসভায় উত্তরবঙ্গে আটটি আসন। সাতটিতে জয়ী বিজেপি, একটিতে কংগ্রেস। শাসক দলের একজন সাংসদও নেই। গত দু’‌বছরে সেই সাংসদদের কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?‌ প্রশাসনিক কোনও ব্যাপারে তাঁদের ডাকা হয়নি। ন্যূনতম মর্যাদাটুকুও দেওয়া হয়নি। উল্টে নানাভাবে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে।

স্পিকারকে সব ক্ষমতা খারাপ কাজেই কেন প্রয়োগ করতে হয়!‌

রক্তিম মিত্র আবার বিতর্কের কেন্দ্রে সেই পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি। কে চেয়ারম্যান হবেন, তা নিয়ে যথারীতি আবার বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। শাসকপক্ষ চাইছে, তাঁদের মনের মতো কোনও বিধায়ককে এই চেয়ারে বসাতে।...

বেড়াতে গেলেই যত সংক্রমণ!‌

মন্দির থেকে মাছের বাজার, মদের দোকান থেকে বাস। সবই খোলা থাকবে। লোক গিজগিজ করবে। তাতে ক্ষতি নেই। মানুষ নির্জন পাহাড়ে বেড়াতে গেলেই যত আপত্তি। যেন বাইরে গেলেই সংক্রমণ ছড়িয়ে যাবে। এ এক অদ্ভুত দ্বিচারিতা। ওপেন ফোরামে লিখেছেন তমাল সেনগুপ্ত।

দায় নিতেও জানতে হয়

সোহম সেন এ এক অদ্ভুত গোঁয়ার্তুমি। জিতলেই উৎসব। কিন্তু হারলে সেই হারকে মেনে নিতে না পারার পুরনো রোগ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পর্যুদস্ত ভারত। খেলায় হার–‌জিৎ থাকে। তাই হারটাও অগৌরবের...

পিএ কমিটি অন্তত গবেটদের জায়গা নয়

পিএ কমিটির কী কার্যাবলি, সেই সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। এই কমিটি সরকারের যাবতীয় আয় ব্যায়ের হিসেব তলব করতে পারে। ক্যাগ রিপোর্ট চেয়ে পাঠাতে পারে। যে কোনও দপ্তরের সচিবকে ডেকে পাঠিয়ে জবাবদিহি চাইতে পারে। তার জন্য একটু লেখাপড়া লাগে। সিএজি রিপোর্ট খুঁটিয়ে পড়ে, সেখান থেকে ভুল বের করার জন্য একটু বিদ্যে লাগে।

সিনেমায় কিশোরকে দিয়ে প্রথম রবীন্দ্র সঙ্গীত কিন্তু গাইয়েছিলেন হেমন্তই

বাংলা ছবিতে কিশোরের রবীন্দ্রসঙ্গীত! অনেকেই সত্যজিৎ রায়ের চারুলতার কথা বলবেন। কিন্তু তার অনেক আগে, লুকোচুরিতে তাঁকে দিয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইয়েছিলেন স্বয়ং হেমন্ত। কিশোর-হেমন্ত যুগলবন্দির নানা অজানা দিক তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

শুধু সুরের জন্যই অমরত্ব পেতে পারতেন

যাঁরা শুধু সুরকার, তাঁদের ক্ষেত্রে বিষয়টা অন্যরকম। সলিল চৌধুরি, নচিকেতা ঘোষ বা সুধীন দাশগুপ্তরা নিজেরা গান গাইতেন না। ফলে, ভাল সুরগুলো কাউকে না কাউকে দিতেই হত। কিন্তু হেমন্তর ক্ষেত্রে বিষয়টা অন্যরকম। তিনি নিজে গাইতে পারতেন, অথচ মহান সৃষ্টি হাসতে হাসতে তুলে দিচ্ছেন অন্যের হাতে। এর জন্য অনেক চওড়া হৃদয় লাগে। লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।