অন্ধকার নির্জন রাতে খোলা জিপ থেকে সেই বাঘের গর্জন
জ্যোৎস্নায় ভরে গেছে চারিদিক। সে জ্যোৎস্না কৃপণ নয়। সারা বনভূমিকে রুপোর পাতে মুড়ে দিয়েছে। হেমন্তের হিমেল হাওয়ায় শান্তির আশ্বাস।
জ্যোৎস্নায় ভরে গেছে চারিদিক। সে জ্যোৎস্না কৃপণ নয়। সারা বনভূমিকে রুপোর পাতে মুড়ে দিয়েছে। হেমন্তের হিমেল হাওয়ায় শান্তির আশ্বাস।
এখনকার পিকনিকে মজা কোথায়! এগুলো তো কর্পোরেট পিকনিক। নিজের হাতে রান্না না করলে কি আর পিকনিক জমে! বাঁধাকপিতে যদি একটু পোড়া গন্ধ না ছাড়ে, মাংসে যদি একটু বেশি নুন না হয় তাহলে আর পিকনিক হল কই! আমাদের ছোটবেলায় ছিল বনভোজন বা চড়ুইভাতি। আমরা যারা আশি নব্বইয়ের দশকে বেড়ে উঠেছি তারা ব্যাপারটা ভাল বুঝতে পারবেন।
সুখেনবাবু একটু লজ্জা পেলেন বটে। কিন্তু মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘কেন জানি না, আমার এখন ইচ্ছে করছে তোকে আজীবন আমার কাছে রেখে দিই। আগলে রাখি তোকে। কিন্তু বাবা তো। নিজের সুখের আগে মেয়ের সুখ দেখব। মন দিয়ে সংসার করিস মা। তোর শ্বশুরবাড়ি খুব ভাগ্যবান। তোর মতো একজন কে বউ হিসেবে পেয়েছে।’
বিধানসভা ভোটে বিজেপির যেটুকু হাওয়া ছিল, তা একধাক্কায় অনেকটাই চুপসে গেছে। বামেদের অনুকূলে এখনও জনমত সেভাবে তৈরি হয়নি। তাই এখনই অন্য কিছুই হওয়ার ছিল না। তৃণমূলই জিতত। বেশ বড়সড়ভাবেই জিতত। কিন্তু নিজেদের ওপর ভরসা কেন যে এত কম? যে জয় অনিবার্য ছিল, সেই জয় অর্জন করতেও এত কলঙ্ক কেন ডেকে আনতে হল!
এই যে হাতি, চিতাবাঘের মাঝে শুয়ে থাকেন, ভয় লাগে না? সাধুবাবা বলতেন, ওদের ভয় পেতে যাব কেন? ওরাও তো আমাকে ভয় পায় না। ওরাও দেখে আমি একা একা এখানে পড়ে থাকি। আমাক মেরে ওদের লাভ কী? ওরাও জানে, কারা ওদের ভালবাসে।
শিয়ালদা মেন লাইন থেকে বেরিয়ে ডান দিক ধরে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রোড ধরে এগিয়ে গেলে ফ্লাই ওভার শেষ হওয়ার আগে যেখানে কাইজার স্ট্রিট শুরু হচ্ছে তার আগে দীনেশের কর্মক্ষেত্র। কর্মক্ষেত্র মানে আসলে একটা রংচটা টেবিল। ফ্লাইওভারের গা ঘেঁষে সেটা দাঁড় করানো। টেবিলের পিছন দিকে দাঁড়িয়ে থাকা শনিঠাকুর। তার সামনে একটা পেতলের থালায় হলুদ মেশানো জল। সেই জলে দু একটা ফেলে রাখা এক, দুই, পাঁচ দশ টাকার কিছু কয়েন।
দীপ্তি একটু সামলে নেওয়ার পর গানটা শেষ করে আল্পনা বলে, তুমি ঘুমোবার চেষ্টা কর। কাল আবার ফোন করব।ফোনটা রেখে জল খেতে ওঠে আল্পনা। দেখে, দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে কে যেন।
একধারে জাঁদরেল প্রশাসক। একদিকে খেলাপাগল এক মানুষ। মোহনবাগান অন্তপ্রাণ। ময়দানের লোকজন বলতেন জ্যাকিদা। মুখে সবসময় পাইপ। চেহারায় একেবারেই বেঁটেখাটো। সম্ভবত মন্ত্রিসভার সবচেয়ে খর্বকায় চরিত্র। কিন্তু কী দাপট! জীবনে কত বিতর্কই এসেছে। পরোয়া করেননি। বরং আরও বিতর্ক ডেকে এনেছেন। একবার তো ঊষা উত্থুপের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন। বললেন, ঊষা উত্থুপের গান অপসংস্কৃতি। তাই নিয়ে কত ঝড় বয়ে গেল! বাংলায় বন্ধের রাজনীতি অনেক পুরনো। কিন্তু কেন বেছে বেছে তাঁর নামই ‘হরতালদা’ হয়েছিল, বলা মুশকিল।