আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম
আমাদের কাছে পয়লা বৈশাখ ছিল অন্য এক উন্মাদনা। যার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এখনকার পয়লা বৈশাখের সঙ্গে সেদিনের সেই নির্মল আনন্দের কোনও তুলনা হবে না। সত্যিই, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।
আমাদের কাছে পয়লা বৈশাখ ছিল অন্য এক উন্মাদনা। যার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এখনকার পয়লা বৈশাখের সঙ্গে সেদিনের সেই নির্মল আনন্দের কোনও তুলনা হবে না। সত্যিই, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।
এই অসহিষ্ণুতা আসে লাগাতার মোবাইল ঘাঁটা থেকেই। এই অসহিষ্ণুতা আসে পড়া থেকে বহুদূরে সরে গেলেই। তাই যাঁরা বলেন, কাগজ পড়ার সময় নেই, তাঁদের প্রতি কিছুটা করুণাই হয়। তাঁরা যে কোথায় তলিয়ে যাচ্ছেন, তাঁরা নিজেরাও জানেন না। খুব ইচ্ছে করে তাঁদের বলি, ও হে মশাই, কাগজ পড়তে সময় লাগে না, যোগ্যতা লাগে, যা আপনার নেই।
ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা তৈরি হোক, এ নিয়ে কোনও মহলেই দ্বিমত থাকার কথা নয়। কিন্তু তা করতে গিয়ে যে পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে, তা বেশ বিভ্রান্তিকর। এতবড় একটা কাজ আরও সময় নিয়ে, আরও প্রস্তুতি নিয়ে করা যেত। কী কী সমস্যা আসতে পারে, এলে কীভাবে তা সামাল দেওয়া যায়, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা ছিল বলেও মনে হয় না।
ঢাকা থেকে কলকাতায় হাজির এক যুবক। জাতিতে মুসলিম। মোহনবাগানের নামও কখনও শোনেনি। হঠাৎ সেও জড়িয়ে গেল শিল্ড জয়ের সেলিব্রেশনে। কীভাবে? টাইম মেশিনে ১৯১১ তে ফিরে গিয়ে তাঁর বয়ানেই সেই লেখা তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।
শ্রুতিনাটক বলতেই ভেসে ওঠে দুটো নাম— জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু। অনেকে বলেন, শ্রুতিনাটকের উত্তম–সুচিত্রা। বাংলায় অনেক জুটির মাঝে আরও একটা স্মরণীয় জুটি। এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পাওয়া গেল সেই জুটিকে। একান্তে পাওয়া গেল উর্মিমালা বসুকেও। কিছুটা ইন্টারভিউ। কিছুটা আড্ডা। বেঙ্গল টাইমসের জন্য সেই অন্তরঙ্গ কথোপকথন তুলে আনলেন সংহিতা বারুই।