মহানায়ককে ঘিরে তিনটি প্রশ্ন থেকেই গেল

শেষ লগ্নে কিন্তু উত্তম কুমারকে অক্সিজেন জুগিয়েছিলেন কিশোর কুমার। হ্যাঁ, সাতের দশকের শুরুর সবরমতী বা রাজকুমারী নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কিন্তু অমানুষ, আনন্দ আশ্রম, বন্দি এমনকী ওগো বধূ সুন্দরী ছবিতে যে প্লে ব্যাক কিশোর কুমার করেছিলেন, তা নেপথ্য গায়কদের বর্ণ পরিচয় হিসেবে বেঁচে থাকবে।

ফাঁপা হুঙ্কারের সেই ভাঙা রেকর্ডই বাজিয়ে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী

এখনও যেসব ধারায় অভিষেকের উপর মামলা হচ্ছে, তা নেহাতই ছেদো। এইসব মামলায় যে বড়সড় শাস্তি হবে না, এটা সবাই জানে। আসলে দিল্লির প্রভুরা, এখনও লোক দেখানো নাটকই করতে চায়। অভিষেকের টাকার উৎস নিয়ে তদন্ত করলে, সেই টাকা আরও কোথায় কোথায় পৌঁছতো, সেটাও বেরিয়ে আসবে। দিল্লির প্রভুরা কখনই সেটা চাইবেন না। কারণ, এতে তাঁদেরও মুখ পড়বে। তাই অভিষেককে নোটিশ পাঠানোর নামে এই প্রশাসনিক ছ্যাবলামি বন্ধ হোক। লোক দেখানো নাটক অনেক হয়েছে।

আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

আমাদের কাছে পয়লা বৈশাখ ছিল অন্য এক উন্মাদনা। যার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এখনকার পয়লা বৈশাখের সঙ্গে সেদিনের সেই নির্মল আনন্দের কোনও তুলনা হবে না। সত্যিই, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।

‌কাগজ পড়তে সময় নয়, যোগ্যতা লাগে

এই অসহিষ্ণুতা আসে লাগাতার মোবাইল ঘাঁটা থেকেই। এই অসহিষ্ণুতা আসে পড়া থেকে বহুদূরে সরে গেলেই। তাই যাঁরা বলেন, কাগজ পড়ার সময় নেই, তাঁদের প্রতি কিছুটা করুণাই হয়। তাঁরা যে কোথায় তলিয়ে যাচ্ছেন, তাঁরা নিজেরাও জানেন না। খুব ইচ্ছে করে তাঁদের বলি, ও হে মশাই, কাগজ পড়তে সময় লাগে না, যোগ্যতা লাগে, যা আপনার নেই। ‌

সবাই হাওয়া গরম করতেই ব্যস্ত, ভোগান্তি তো বাড়বেই

ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা তৈরি হোক, এ নিয়ে কোনও মহলেই দ্বিমত থাকার কথা নয়। কিন্তু তা করতে গিয়ে যে পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে, তা বেশ বিভ্রান্তিকর। এতবড় একটা কাজ আরও সময় নিয়ে, আরও প্রস্তুতি নিয়ে করা যেত। কী কী সমস্যা আসতে পারে, এলে কীভাবে তা সামাল দেওয়া যায়, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা ছিল বলেও মনে হয় না।

হেমন্ত, শ্যামল, মান্না দূরেই থেকে গেলেন

অনির্বাণ ঠাকুর সত্যজিৎ রায়ের প্রথম ছবি ‘‌পথের পাঁচালী’‌ মুক্তি পায় ১৯৫৫ নাগাদ। শেষ ছবি ‘‌আগন্তুক’‌ ১৯৯১ সালে। অর্থাৎ, ছবির জীবন মোটামুটি ৩৬ বছরের। এই সময়ে বাংলা গানের জগতে কারা দাপিয়ে...

আপনিও সেই হাড্ডিহীন চাড্ডির দলেই

নন্দ ঘোষ (ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ সমীপেষু) ডিয়ার ময়ূখ, ক্যামেরার সামনে চেল্লামেল্লি করে বাড়ি ফিরলেন, ফেরার পথে এসি গাড়িতে বসে ফেসবুকে প্রাত্যহিক মলত্যাগ করা সমাপ্ত হয়েছে নিশ্চয়ই। হাত ধুয়েছেন? মল লেগে...

স্মৃতির ব্রিগেড, সহজ পাঠের ব্রিগেড

ছেলেটাকে তাড়াতাড়ি গরম জামা প্যান্ট পরিয়ে দাও। আমার ধুতি পাঞ্জাবি টা কোথায়? তাড়াতাড়ি দাও। নাহলে ওদিকে আবার খড়গপুর লোক্যালটা ধরতে পারব না। সকাল সকাল হু হু করে উত্তুরে হাওয়া বইছে।...

আপনার জীবনে বাংলা কতটুকু?

স্বরূপ গোস্বামী একুশে ফেব্রুয়ারি মানেই বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। এমনই আদিখ্যেতা দেখা যায় পয়লা বৈশাখ, পঁচিশে বৈশাখ। যেন এই দুটো বা তিনটে দিন বাঙালি হলেই চলবে। বাকি দিনগুলোয় বাঙালি হওয়ার...

‌আস্ত একটা মুড়ির মেলা বসে নদীর ধারে

অন্তরা চৌধুরি বাঁকুড়ার লোকের মুড়ি খাওয়া নিয়ে যে যতই কুৎসা করুক, শুধু মুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করেই বাঁকুড়াতে একটা আস্ত মুড়ি মেলা হয়। এই মেলার বয়স প্রায় দুশো বছর। মাঘ মাসের...