বিমল গুরুং যদি লিখতেন…‌

কোথায় আছেন বিমল গুরুং? কী ভাবছেন? পাহাড়ের খোঁজ রাখছেন? যদি বিনয় তামাকে চিঠি লেখার সুযোগ থাকত, ঠিক কী লিখতেন। তাঁর বয়ানে সেই কাল্পনিক বয়ান তুলে আনলেন সরল বিশ্বাস।

প্রশাসনিক বৈঠক মানেই সেই সস্তা চিত্রনাট্য

আসলে, প্রতিটি প্রশাসনিক সভা হল এক সস্তা রুচির নাটক। সমস্যা সমাধানের সদিচ্ছা আদৌ কতখানি আছে, প্রশ্ন থেকেই যায়। এতখানি লোকদেখানো ব্যাপার থাকবে কেন?‌ সমস্যার সমাধান নয়,নিজেকে পরিত্রাতা হিসেবে তুলে ধরার তাগিদটাই যেন বেশি। বাকি সবাই অযোগ্য, একমাত্র আমি আছি বলেই রাজ্যটা চলছে, এই বার্তাটাই যেন বড় বেশি করে ফুটে ওঠে। কী জানি, মুখ্যমন্ত্রী হয়ত সেই ছবিটাই তুলে ধরতে চান। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

ছিলেন সভাপতি, হলেন সচিব, সম্মান বাড়ল?‌

টুটু বসু ছিলেন মোহনবাগানের সভাপতি। এবার হলেন সচিব। এটাকে জয় বলা যায়?‌ প্রণব মুখার্জি যদি রাষ্ট্রপতি থেকে অবসর নিয়ে কোনও রাজ্যের রাজ্যপাল হতেন, তাহলে সেটা যেমন হত, এটাও কিছুটা তেমনই। আসলে, কোনও একটা পদ পেলেই হল। কোন পদের কী গুরুত্ব, এই কর্তারা বোঝেনই না। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।

ম্যাচের লাইভ আপডেট পাচ্ছি না কেন?‌

সমর্থকদের আবেগ আছে বলেই কিন্তু কর্পোরেট সংস্থা এগিয়ে এসেছে। কিন্তু তারপর তারা আবেগটাকেই অস্বীকার করতে চাইছে। আই লিগের প্রথম ম্যাচে জয় এল, কিন্তু ক্লাবের ওয়েবসাইটে আপডেট টুকুও পাওয়া গেল না। নতুন স্পন্সরের হাত ধরে কোন পথে চলেছে ইস্টবেঙ্গল?‌ বেঙ্গালুরু থেকে লিখেছেন দেবাঞ্জন বিশ্বাস।।

সবুজ মেরুন সভাপতি হতে চলেছেন গীতানাথ গাঙ্গুলি

নির্বাচন পর্ব শেষ। এবার নতুন সভাপতি বেছে নেওয়ার পর্ব। মোহনবাগানের সভাপতি হতে চলেছেন গীতানাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ক্লাবসূত্রের খবর, আপাতত তাঁকেই সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। আগামী বছর সচিব থেকে সভাপতি হয়ে যেতে পারেন টুটু বসু। সেক্ষেত্রে ক্লাবের নতুন সচিব হবেন সৃঞ্জয় বসু।

গাইছে বাউল বইছে কোপাই

হঠাৎ করেই বেড়িয়ে পড়া কোপাইয়ের সন্ধানে। গ্রাম্য হাট থেকে বাউল গান। আচমকা রি–‌ইউনিয়ন থেকে আড্ডা–‌হই হুল্লোড়। আক্ষেপ থেকে মুগ্ধতা। টুকরো টুকরো অনেক ছবি ধরা পড়ল সন্দীপ লায়েকের লেখায়।

শুধু ব্রিজ নয়, সাঁতরাগাছিতে সমস্যার পাহাড়

সাঁতরাগাছিতে দুর্ঘটনার পরই হঠাৎ করে যেন টনক নড়েছে। কিন্তু আসল সমস্যাগুলো সেই আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। ব্রিজে কোথায় কী সমস্যা, সেদিকে ফোকাস চলে যাচ্ছে। কিন্তু আসল সমস্যা শুধু ব্রিজে নয়, ছড়িয়ে আছে নানা দিকে। সেদিকে আলো ফেললেন রজত সেনগুপ্ত।

বারবার দেখার মতোই ছবি

কোনটা সবচেয়ে ভাল লাগল?‌ নিঃসন্দেহে কিশোর কুমার জুনিয়র। তিনটে ছবির মধ্যে এই ছবিটাই আবার দেখা যায়। এই ছবিটাই নিসঙ্কেচে অন্যদের দেখতে বলা যায়। কিশোর কুমার আমার প্রিয় শিল্পী। তাঁর গানকে ঘিরে, মানুষটাকে ঘিরে একটা আলাদা আবেগ সেই ছোট বেলা থেকেই। আর এই সময়ের পরিচালকদের মধ্যে কৌশিক গাঙ্গুলি আমার প্রিয় পরিচালক। তাই কিশোর আর কৌশিকের যুগলবন্দী। না দেখে পারা যায়!‌ লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

ছোট্ট টুকাই ও সেই টিয়া পাখি

অদ্ভুত একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল ওদের মধ্যে। টুকাই কথা বলতে পারত না। কিন্তু পাখিটা অনর্গল ওর সঙ্গে কথা বলে যেত। কী বলত, তা শুধু সেই পাখিটাই জানে। কী জানি, হয়ত টুকাইও জানত। মাঝে মাঝে ভাবি, এত মানুষ থাকতে ওই পাখিটা শুধু টুকাইয়ের কাছেই কেন আসত ? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল এমনই এক ছবি।

কুণ্ডুরা কেন স্পেশ্যাল?‌

বুক করা হত ট্রেনের পুরো কামরা। দেড়–‌দুমাসের লম্বা সফরে বেরিয়ে পড়া। রাঁধুনি তো থাকতই, সঙ্গে ধোপা–‌নাপিত। বেড়াতে গিয়েই প্রেম, বিয়ে। এমন কত অজানা কাহিনী কুণ্ডু স্পেশ্যালে। তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন অয়ন দাসের।