বাবা–মায়েরা অনেক সময় অভিযোগ করেন, ছেলে সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত। পড়তে চায় না। খেতে খেতেও মোবাইল দেখে। একটু তলিয়ে দেখলে দেখা যাবে, এই প্রজন্ম এই শিক্ষাটা কিন্তু বাড়ি থেকেই পেয়েছে। ছেলে যদি দেখে তার বাবা–মা সারাক্ষণ মোবাইল হাতে ব্যস্ত, তার মধ্যেও সেই প্রবণতাই তৈরি হবে।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
খোলা ছাদ, একেবারেই সাদামাটা একটা রেস্তোরাঁ। বলে না দিলে আলাদা করে বোঝার উপায়ও নেই। ম্যাল থেকে একটু নেমে গেলেই চোখে পড়বে রেস্তোরাঁটা। সেখানকার প্রিয় খাদ্য নাকি চিকেন সসেজ। যারা আসে, এটাই আগে খায়।
সারা জীবন রবি ঠাকুর যে কত চিঠি লিখেছেন, তার হিসেব নেই। কিছু চিঠির হয়ত নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক চিঠির কোনও কপি নেই। বুদ্ধদেব গুহর লেখার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে এই চিঠি। চিঠিকেন্দ্রিক বেশ কিছু উপন্যাসও আছে। সেগুলি পড়তে পারেন। তাহলেই বুঝতে পারবেন চিঠির রোমাঞ্চ কতটা।
সে একটা উপন্যাসের অডিওবুক পুরো শুনত, তাহলেও বলতে পারত, আমি এই উপন্যাসটা পুরো শুনেছি। যদি সে একটা সিনেমাও পুরো দেখত, তাহলেও বলতে পারত, ওই ছবিটা পুরো দেখেছি। দিনের শেষে সেটাও একটা প্রাপ্তি হত। যে প্রাপ্তির কথা তার পাঁচ বছর পরেও মনে থাকত। কিন্তু আসলে সে কিছুই দেখেনি। তাই পরের দিন কোনওটাই মনে থাকে না। প্রাপ্তির ভাঁড়ার কার্যত শূন্য। হ্যাঁ, তারা কিছুই গ্রহণ করে না। শুধু প্রত্যাখ্যান করে চলে।
পুরীর স্বর্গদ্বার ভালো লাগে না, এমন মানুষ আছে কি না সন্দেহ। এইরকম আনন্দধাম বিশ্বে বোধহয় আর দুটি নেই। সি বিচের ওপর বসে থাকতে থাকতে কোথা দিয়ে যে সময় কেটে যায় বোঝাই যায় না। সন্ধ্যেবেলার কী অদ্ভুত মায়াবি পরিবেশ। ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস। একের পর এক সমুদ্রের ঢেউ আসছে আবার মিলিয়ে যাচ্ছে। অবিরাম।
সরস্বতী মানে কি শুধুই মেয়েদের শাড়ি পরা আর ছেলেদের মেয়ে দেখা? তার বাইরেও আরও অনেককিছু। পরের দিন অরন্ধন। যৌথ পরিবারে সে যেন এক মহারন্ধনের কর্মযজ্ঞ। ফেলে আসা সময়ে উকি দিয়ে টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো ফিরে দেখা। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
জয়রামবাটী বা কামারপুকুরের নাম তো আপনারা সবাই শুনেছেন। বেড়াতে যাওয়ার পক্ষে আদর্শ জায়গা। অনেক দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসছেন। কিন্তু জানেন কি কোয়ালপাড়া মঠের কথা? জয়রামবাটী থেকে মাত্র চার...
নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাদের মহুয়া খাওয়াল। একটা বোতলে করে মহুয়া ভরেও দিল। টাকা দিতে গেলাম। কিছুতেই নিল না। বলল, আপনারা মহুয়া খেতে চেয়েছেন, এ তো আমার সৌভাগ্য, এর জন্য টাকা নেব কেন! সেই কাকার আসল নাম আর মনে নেই। কিন্তু হোলি এলেই আমাদের সেই দোবরু পান্নার কথা খুব মনে পড়ে।
পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে। অহেতুক রাত জাগছে। নিষিদ্ধ সম্পর্কে আসক্তি আসছে। কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা দেশ চালান, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না? তাই, আমাদের দেশেও এই নিয়ম চালু হোক। রাত বারোটা নয়, রাত দশটা থেকে ফেসবুকের উৎপাত বন্ধ হোক।