সেই রেডিওটা আজও আছে। ধুলো ঝেড়ে আর নামানো হয় না। আর ব্যাটারি ভরে প্রাণসঞ্চার করা হয় না। না বোঝা সেই মহালয়ার অনুভূতিটাও একটু একটু করে ফিকে হয়ে আসছে। ফেলে আসা সেইসব শরৎ–শিউলি ভোরের নস্টালজিয়া। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
এই কথোপকথন ফাঁস হলে কার ক্ষতি? ম্যাথু যদি ভিডিও প্রকাশ করার জন্য দু কোটি চেয়ে থাকেন, তাহলে সেই ভিডিও দশগুণ দাম দিয়ে তৃণমূল কিনে নিতে পারে। দলের বদনাম এড়াতে কুড়ি কোটি কোনও ব্যাপারই নয়। তৃণমূল চুপি চুপি দিব্যি রফা করে নিতে পারত। ভিডিও নিয়ে এত ঢাকঢোল পেটানোর দরকার হত না। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
এক ফুটবল–পাগল দর্শকের মৃত্যু। অথচ, তা নিয়েও কিনা সোশ্যাল সাইটে বিদ্রুপ চলছে! এই বিকৃত মনের লোকেরা ফুটবলকে ভালবাসে! এমন সমর্থকেরা যে কোনও ক্লাবেরই লজ্জা। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।
বিজেপি নেতাদের অনুরোধ, আগে দিল্লির নেতাদের বলুন, সিবিআইয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে। আগে বলুন, সারদা–নারদার ফাইলগুলো ধুলো ঝেড়ে তাক থেকে নামাতে। আগে সারদা–নারদার কিনারা হোক। যদি পারেন, তারপর সিবিআই দাবি করবেন। তার আগে ভুলেও ওই নাম মুখে আনবেন না।লিখেছেন অনির্বাণ বসু।
পারলে ভাল সঙ্গী জুটিয়ে নিন। দেখবেন সেই সঙ্গীর হাতছানিতে আপনি ঠিক উঠে পড়েছেন। ভোরে ওঠার এমনই কিছু জরুরি টিপস।