সাঁতরাগাছিতে দুর্ঘটনার পরই হঠাৎ করে যেন টনক নড়েছে। কিন্তু আসল সমস্যাগুলো সেই আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। ব্রিজে কোথায় কী সমস্যা, সেদিকে ফোকাস চলে যাচ্ছে। কিন্তু আসল সমস্যা শুধু ব্রিজে নয়, ছড়িয়ে আছে নানা দিকে। সেদিকে আলো ফেললেন রজত সেনগুপ্ত।
কোনটা সবচেয়ে ভাল লাগল? নিঃসন্দেহে কিশোর কুমার জুনিয়র। তিনটে ছবির মধ্যে এই ছবিটাই আবার দেখা যায়। এই ছবিটাই নিসঙ্কেচে অন্যদের দেখতে বলা যায়। কিশোর কুমার আমার প্রিয় শিল্পী। তাঁর গানকে ঘিরে, মানুষটাকে ঘিরে একটা আলাদা আবেগ সেই ছোট বেলা থেকেই। আর এই সময়ের পরিচালকদের মধ্যে কৌশিক গাঙ্গুলি আমার প্রিয় পরিচালক। তাই কিশোর আর কৌশিকের যুগলবন্দী। না দেখে পারা যায়! লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
অদ্ভুত একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল ওদের মধ্যে। টুকাই কথা বলতে পারত না। কিন্তু পাখিটা অনর্গল ওর সঙ্গে কথা বলে যেত। কী বলত, তা শুধু সেই পাখিটাই জানে। কী জানি, হয়ত টুকাইও জানত। মাঝে মাঝে ভাবি, এত মানুষ থাকতে ওই পাখিটা শুধু টুকাইয়ের কাছেই কেন আসত ? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল এমনই এক ছবি।
বুক করা হত ট্রেনের পুরো কামরা। দেড়–দুমাসের লম্বা সফরে বেরিয়ে পড়া। রাঁধুনি তো থাকতই, সঙ্গে ধোপা–নাপিত। বেড়াতে গিয়েই প্রেম, বিয়ে। এমন কত অজানা কাহিনী কুণ্ডু স্পেশ্যালে। তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন অয়ন দাসের।
ষাট পেরোনো নস্টালজিয়া নিয়ে আবার খুঁজতে বেরোবো। ফিরে আসুক সেই ডাবল ডেকার। আবার সেই উদ্দেশ্যহীনভাবে না হয় বাসে উঠে পড়ব। ষাটোর্ধ্ব চোখ দিয়ে আবার খুঁজব আমার হারানো কলকাতাকে। লিখেছেন শ্যামল আচার্য।।
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ— ওপেন ফোরাম। আসলে, পাঠকের মুক্তমঞ্চ। নাগরিক জীবনের নানা সমস্যার কথা উঠে আসতে পারে। থানা, হাসপাতাল, অফিস— কোথাও অকারণ হয়রানির শিকার হলে, সেই কথাও উঠে আসতে পারে। আপনাদের বিভাগ, আপনারাই এগিয়ে নিয়ে চলুন।
সুগত রায়মজুমদার ব্যারাকপুর কালিয়ানিবাস যুবভারতীর দুর্গাপুজো এ বছর ব্যারাকপুর মহকুমার অন্যতম সেরার শিরোপা পেয়েছে। পুজোর দিনগুলি ছিল আনন্দ–মধুর। পুজোর দিনগুলিতে ছিল ঠাসা কর্মসূচি। সপ্তমী থেকে একাদশী মণ্ডপে ছিল এলাকাবাসীর ব্যস্ততা।...