আসলে, প্রতিটি প্রশাসনিক সভা হল এক সস্তা রুচির নাটক। সমস্যা সমাধানের সদিচ্ছা আদৌ কতখানি আছে, প্রশ্ন থেকেই যায়। এতখানি লোকদেখানো ব্যাপার থাকবে কেন? সমস্যার সমাধান নয়,নিজেকে পরিত্রাতা হিসেবে তুলে ধরার তাগিদটাই যেন বেশি। বাকি সবাই অযোগ্য, একমাত্র আমি আছি বলেই রাজ্যটা চলছে, এই বার্তাটাই যেন বড় বেশি করে ফুটে ওঠে। কী জানি, মুখ্যমন্ত্রী হয়ত সেই ছবিটাই তুলে ধরতে চান। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
টুটু বসু ছিলেন মোহনবাগানের সভাপতি। এবার হলেন সচিব। এটাকে জয় বলা যায়? প্রণব মুখার্জি যদি রাষ্ট্রপতি থেকে অবসর নিয়ে কোনও রাজ্যের রাজ্যপাল হতেন, তাহলে সেটা যেমন হত, এটাও কিছুটা তেমনই। আসলে, কোনও একটা পদ পেলেই হল। কোন পদের কী গুরুত্ব, এই কর্তারা বোঝেনই না। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।
সমর্থকদের আবেগ আছে বলেই কিন্তু কর্পোরেট সংস্থা এগিয়ে এসেছে। কিন্তু তারপর তারা আবেগটাকেই অস্বীকার করতে চাইছে। আই লিগের প্রথম ম্যাচে জয় এল, কিন্তু ক্লাবের ওয়েবসাইটে আপডেট টুকুও পাওয়া গেল না। নতুন স্পন্সরের হাত ধরে কোন পথে চলেছে ইস্টবেঙ্গল? বেঙ্গালুরু থেকে লিখেছেন দেবাঞ্জন বিশ্বাস।।