আশাজি যেন মহাভারতের কর্ণ

আশাজিকে সবসময় মহাভারতের কর্ণের মতো মনে হয়। ভাল ভাল গানগুলো কিন্তু আশাজিকে দেওয়া হয়নি। ওই গানগুলো গাওয়া যে কত কঠিন, নিজে গান গাই বলেই কিছুটা বুঝতে পারি। ওইসব গানে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা একমাত্র আশাজির পক্ষেই সম্ভব ছিল। অন্য কেউ গাইলে গানগুলো কোথায় হারিয়ে যেত! কেউ জানতেও পারত না।

‘‌প্রাক্তন’‌ হওয়াইভবিতব্য ছিলনীতীশ কুমারের

এতবড় আকারে জয় আসবে, ভাজপা নেতারাও ভাবেননি। সেই অবস্থায় নীতীশ কুমারকে সরিয়ে দিলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হত। তাই সময় নিয়ে তাঁকে সম্মানজনক পুনর্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। আপাতত তাঁর ঠিকানা রাজ্যসভা। হয়তো কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও আনা হতে পারে। যদিও নীতীশবাবু কতখানি কর্মক্ষম, তা নিয়ে সংশয় আছেন। জীবনের এই পর্যায়ে এসে এই পুনর্বাসন মেনে নেওয়া ছাড়া নীতীশবাবুর সামনেও আর কোনও রাস্তা খোলা ছিল না।

যেমন মোদি, তেমন তাঁর গ্যারান্টি‌

কথায় কথায় তিনি বলেন, ‘‌ইয়ে মোদি সরকার কী গ্যারান্টি হ্যায়।’‌ এই বাক্যটা শুনলেই কেমন যেন লাগে। নিজের মুখে নিজেই বলছেন ‘‌মোদি সরকার’‌। এনডিএ সরকার নয়, বিজেপি সরকার নয়, একেবারে ‘‌মোদি সরকার’‌। এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রীকে এমন নির্লজ্জভাবে নিজের নামে প্রচার করতে শোনা যায়নি।

ডিম রবে নিষ্ফলের, হতাশের দলে

অথচ সেও তো আরও পাঁচজনের মত নতুন জীবন পেতে পারত। এই পৃথিবীর রূপ রস গন্ধ অনুভব করতে পারত। বাঁচার অধিকার তো তারও আছে। আমরা যেন ধরেই নিয়েছি আমাদের রসনা তৃপ্ত করাতেই যেন ডিমের জীবনের একমাত্র সার্থকতা। অথচ আমরা যখন অম্লান বদনে ডিম খাই, তখন কি একবারও ভাবি কত মুরগির কোল খালি হয়ে গেল। প্লেটের ওপর সাজানো ডিমটাই হয়তো একটা ছোট্ট ফুটফুটে বাচ্চা হতে পারত। মায়ের সঙ্গে ঘুরঘুর করতে পারত। ভোরবেলায় ‘কোঁকর কোঁক’ করে অন্যদের ঘুম ভাঙাতে পারত। ডিমের এই নিঃসার্থ আত্মত্যাগের ইতিহাস কি মানব জাতি মনে রাখবে? নাকি ‘ডিম রবে চিরকাল হতাশের নিস্ফলের দলে?’

রাহুল জোট করতে যাবেন কেন?‌

বাংলায় দুজন বিধায়ক পাওয়ার থেকে লোকসভায় দুজন সাংসদ পাওয়া, সর্বোপরি তৃণমূলের সমর্থন পাওয়া যে অনেক বেশি জরুরি, এটা রাহুল বোঝেন। তাই খামোখা তিনি জোট করতে যাবেনই বা কেন?‌

কেউ কারও ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তোলে না

বিধানসভা বা লোকসভাকে বলা হয় আইনসভা। অর্থাৎ, সেখানে আইন তৈরি হয়। যাঁরা আইন তৈরি করছেন, যাঁরা সংবিধান সংশোধন করছেন, তাঁদের ন্যূনতম শিক্ষাটুকু থাকবে না?‌ কোন আইন তৈরি হচ্ছে, কোন আইনের পরিবর্তন হচ্ছে, এটুকু বোঝার মতো বিদ্যেটুকুও যদি না থাকে, এমন মানুষদের আইনসভায় পাঠানো কি খুব জরুরি?‌

বেঙ্গল টাইমস। ই–‌ম্যাগাজিন। ১ এপ্রিল সংখ্যা।।

দরজায় কড়া নাড়ছে ভোট। তিন শিবিরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণাও করে দিয়েছে। কারা কোথায় এগিয়ে?‌ সেইসঙ্গে টি২০ বিশ্বজয় নিয়ে রয়েছে কিছু আকর্ষণীয় লেখা। প্রয়াত সাহিত্যিক শঙ্করকে শ্রদ্ধার্ঘ্য। রয়েছে সাহিত্য, বিনোদন, ভ্রমণের মতো নিয়মিত বিভাগ।

যেখানেই তিনি, সেখানেই গ্যালারির রঙ হলুদ

তাঁর ঘরের মাঠ বলে কিছু নেই। যেখানে তিনি খেলতে যান, সেটাই তাঁর ঘরের মাঠ। সেখানেই গ্যালারির রঙ হয়ে ওঠে হলুদ। সবার গায়েই উঠে আসে সাত নম্বর জার্সি।

সহজ কথা এত সহজে কী করে বলতেন!‌

এই মুহূর্তে টলিউডের কজন অভিনেতা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য নিয়ে দেড় ঘণ্টা আলোচনা করতে পারেন?‌ এই পর্যায়ের লেখাপড়া কজনের আছে?‌ শীর্ষেন্দুর একটা উপন্যাস পড়েছেন, টলিউডে এমন লোক এখন খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। কে আসল পাঠক আর কে ওপর চালাকি করছে, লেখক ঠিক বোঝেন। রাহুলের আড্ডায় যেন ধরা দিলেন অন্য এক শীর্ষেন্দু।

মশাই, কদিন হাসপাতালে বা শ্মশানে গিয়েছেন?‌

রাস্তায় নামা, গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এগুলো তো অনেক বড় ব্যাপার। আগে এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরু হোক। শূন্যের গেরো এমনি এমনি কাটবে না। কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে।