ভোরে ঘুম ভাঙুক পাখির ডাকে। জানলা খুলে দেখুন, পাহাড়ের গায়ে আলো কীভাবে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে। সকালের চা শেষ করে পায়ে হেঁটে বেরিয়ে পড়ুন। কোনও গন্তব্যের প্রয়োজন নেই। সরু রাস্তা ধরে হাঁটুন। দু’পাশের বাড়ি দেখুন। পাহাড়ি মানুষের দৈনন্দিন জীবন দেখুন। কোনও অচেনা পাখির ডাক শুনে থমকে দাঁড়ান। ইচ্ছে হলে কোনও বাড়িতে ঢুকেও পড়তে পারেন। এটুকু বলতে পারি, গৃহকর্তা বিরক্ত হবেন না। চা খেতে খেতে গল্প জুড়ে দিতেই পারেন। অনেকটা সেই তু মান ইয়া না মান, ম্যায় তেরা ম্যাহেমান–এর মতো।
লাইব্রেরি দপ্তরের আসল সমস্যা কোনগুলো, সেগুলো বোঝার মতো সময় বা ইচ্ছে, কোনওটাই তাঁর আছে বলে মনে হয় না। কত গুলো লাইব্রেরি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে, কতজন গ্রন্থাগারিকের পদ শূন্য আছে, এগুলো নিয়ে তাঁর কোনও মাথাব্যথাই নেই। থাকলেও কাগজে প্রকাশিত খবরে তা অন্তত প্রকাশ পায়নি।
‘গেরুয়া গুন্ডামি’ কেন লেখা হল, তা নিয়ে হুঙ্কার না দিয়ে, গেরুয়ার সম্মান নিয়ে কারা এই গুন্ডামি করার সাহস পাচ্ছে, আগে তাদের হুঙ্কার দিন। শিক্ষাঙ্গনে এই দুর্বৃত্তদের প্রবেশ বন্ধ করুন। দোহাই, এই অসভ্যতাকে, এই গুন্ডামিকে রাষ্ট্রবাদ বলে চালাবেন না।
মহামান্য স্পিকার, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট, আর কবে আপনাদের ঘুম ভাঙবে? এখনও যদি নিজেদের চেয়ারের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন না হোন, আরও অনেক থাপ্পড় আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
পুজো আর দু’মাসও বাকি নেই। কোথায় যাবেন, নিশ্চয় এখনও ঠিক করে উঠতে পারেননি। এদিকে, ট্রেনের টিকিট কিন্তু এর মধ্যেই শেষ। আগে চার মাস আগে ট্রেনের টিকিট কাটা যেত। চার মাস...
হাঁটতে হাঁটতে বুঝলাম, এই পথের আসল সৌন্দর্য কোনও নির্দিষ্ট দৃশ্যে নয়। সৌন্দর্যটা লুকিয়ে আছে হাঁটার মধ্যেই। একা হাঁটতে হাঁটতে নিজের সঙ্গে কথা বলার মধ্যে। পাখির ডাক শুনতে শুনতে হঠাৎ কোনও পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে যাওয়ার মধ্যে। কিংবা কোনও কারণ ছাড়াই ভালো লেগে যাওয়ার মধ্যে।
এইসব কাজে প্রচার পাওয়া যায়। আসল সমস্যাকে গুলিয়ে দেওয়া যায়। নিজেদের দায়িত্বকে এড়ানোও যায়। কিন্তু সমস্যা যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই থেকে যায়।
‘পঞ্চায়েত’-এর মতোই এখানে গ্রাম আছে, কিন্তু এই গ্রামের দরজা দিয়ে ঢুকে পড়তে হয় আরও গভীরে। প্রশাসন নয়, এখানে আলোচনার কেন্দ্রে স্বাস্থ্য। হাসপাতাল নয়, আসলে আলোচনার কেন্দ্রে মানুষ। আর সেই মানুষগুলির সঙ্গে পরিচিত হতে গিয়েই সিরিজটি একসময় নিছক বিনোদন থাকে না। শহরের মানুষ হিসেবে আমরা গ্রামের কথা বলি। গ্রামকে ভালোবাসার কথাও বলি। কিন্তু কতটা চিনি?
সেই সময়ও নেই। পুরনো দূরদর্শনের সেই পর্দাও আর নেই। সন্ধ্যার নির্দিষ্ট সময়ে টিভির সামনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বসার সেই অভ্যাসও আজ নিছকই অতীত। কিন্তু কোনও কোনও দৃশ্যের মতো কিছু স্মৃতি থেকে যায়। পুরনো কোনও গল্পের চরিত্র হঠাৎ মনে পড়ে যায়। মনে হয়, কোথাও যেন রাজা সেনের ক্যামেরা এখনও চলছে।
রাজ্য রাজনীতি এমন এক আবহে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ভদ্রতা শব্দটা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। হাতে গোনা কিছু ভদ্রলোক যেন শিবরাত্রির সলতের মতো টিমটিম করে জ্বলছেন। তেমনই এক ভদ্রলোক ছিলেন আশিস ব্যানার্জি।...