ইতিহাস ও কল্পনার সীমারেখাটি ছবিতে সবসময় পরিষ্কার নয়। কোনটি নথিভুক্ত ঘটনা, আর কোনটি চিত্রনাট্যের প্রয়োজন থেকে তৈরি—দর্শক সব জায়গায় তা বুঝতে পারেন না। ইতিহাস-নির্ভর ছবির ক্ষেত্রে এই জায়গাটিই সবচেয়ে সাবধানে সামলানো দরকার ছিল।
বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই–ম্যাগাজিন। স্বাধীনতা সংক্রান্ত বেশ কিছু লেখা তো আছেই। সঙ্গে আছে সমকালীন রাজনীতি, সিনেমা, সাহিত্য, খেলা, ভ্রমণ ও আকর্ষণীয় ফিচার।
পিডিএএফ আপলোড করা হল। সঙ্গে ওয়েব লিঙ্ক। চাইলেই ডাউনলোড করা যায়।
১৫ আগস্ট তাই শুধু স্বাধীন ভারতের জন্মদিন নয়। এক তরুণ কবির জন্মদিনও। যে কবি লিখেছিলেন মানুষের জন্য, ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য। তাঁর জীবন থেমেছিল যাদবপুরের হাসপাতালের এক নিঃসঙ্গ ঘরে; কিন্তু তাঁর স্বপ্ন থামেনি।
স্বরূপ গোস্বামী ভারতের জাতীয় ক্রীড়া দিবস কবে? দিনটা হল ২৯ আগস্ট। এরকম একটা দিনকে বেছে নেওয়ার কারণ? আসলে, এই দিনটা হল ধ্যানচাঁদের জন্মদিন। আন্তর্জাতিক আসরে ভারতের সবথেকে বেশি সাফল্য কোন...
অন্তরা চৌধুরী ছোটবেলায় স্বাধীনতা দিবস কাকে বলে অত বুঝতাম না। স্কুলে সেদিন ক্লাস হবে না। কিন্তু ভোরবেলায় উঠে একবার স্কুল যেতে হবে। কারও খালি হাতে যাওয়া চলবে না। সবাইকেই বাড়ি থেকে অল্প...
পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী।
একই পরিবারে হয়তো বড় বউয়ের হয়নি, কিন্তু ছোট বউয়ের হয়েছে। এই বাড়িতে হয়নি, পাশের বাড়িতে হয়েছে। এর ফলে, একটা পারস্পরিক ঈর্ষাও তৈরি হচ্ছে। দুই গৃহবধূর মধ্যে একটা চাপা লড়াই তৈরি হয়ে যাচ্ছে। সরকার পক্ষ হয়তো যুক্তি দেখাবে, এত টাকা নেই। যুক্তি হিসেবে ভাল। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে, টাকা যে নেই, সেটা ভোটের আগে জানা ছিল না?
বন্ধুত্ব কতখানি গভীর হলে আর সরবোধ কত প্রখর হলে এমন খুনসুটির চিঠি লেখা যায়। এই ছোট ছোট খুনসুটিগুলোই বোধ হয় বন্ধু্ত্বকে প্রাণবন্ত রেখেছিল। আবার তাঁর নিজের হৃদয়ের একূল–ওকুল দুকূল যখন ভেসে যাচ্ছে প্রেমের প্লাবনে, তখন সেই প্রতিবাদের কবিই যেন বেশ লাজুক প্রেমিক। তিনি ‘হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল’। কিন্তু সাহস করে উঠতে পারছেন না। হারিয়ে যাচ্ছে কথার স্রোত।
স্নিগ্ধতায় মোড়া দু–তিনটে দিন। যার রেশ থেকে যাবে ফেরার পরেও। মনে হবে, সারান্ডার সেই রাস্তা, সেই শালবন, সেই মেঘাতুবুরুর মেঘ—সব কিছু বুঝি এখনও পিছনে পড়ে আছে।
দু’বছর পরেও যদি তদন্ত শেষ না হয়, দু বছর পরেও যদি মূল প্রশ্ন অজানাই থেকে যায়, তাহলে এমন তদন্তকারি সংস্থা আদৌ রাখার দরকার আছে কিনা, সেই প্রশ্নটাই সবার আগে তোলা উচিত। বিচারের পথ যত দীর্ঘ হয়েছে, মানুষের আস্থা ততটাই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে।