এবার আর কারও দম বন্ধ হচ্ছে না তো!‌

বিজেপির বড় চমক অবশ্যই শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নন্দীগ্রামে দাঁড়াবেন, তা তো জানাই ছিল। কিন্তু পাশাপাশি ভবানীপুরেও তাঁকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে বড়সড় ঝুঁকিই নিয়েছে বিজেপি। কোনও সন্দেহ নেই, শুভেন্দু নিজেও যথেষ্ট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আগেরবার মমতা ব্যানার্জির নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে যতটা সাহসিকতার পরিচায় দিয়েছিলেন, শুভেন্দুর এই ভূমিকা আরও বেশি দুঃসাহসী।

গম্ভীর নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন

জনতা যদি ধোনির কৃতিত্বকে বাড়তি গুরুত্ব দিতেই চায়, এত গোঁসা করার তো কিছু নেই। মুখে বলছেন, তারকা প্রথায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু তারকাদের ছেঁটে ফেলে নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন।

কপিল–‌ধোনিদের কথা তাহলে মনে পড়ল!‌

২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে আমেদাবাগে এই দুই বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে দেখা যায়নি। শোনা যায়, বোর্ডকর্তারা নাকি তাঁদের আমন্ত্রণই জানাননি। অন্তত কপিলদেবকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তা তো তিনি নিজেই প্রকাশ্যে বলেছেন। এবার বোর্ডের বোধোদয় হয়েছে দেখে ভাল লাগল।

চমক নেই, এটাই বড় চমক

এবারের প্রার্থী তালিকায় সেই অর্বাচীনদের ভিড় অনেকটাই কম। এটা অবশ্যই ভাল দিক। তাৎক্ষণিক দলবদলুদের ভিড় কম। এটাও একটা ভাল দিক। সত্যি কথা বলতে গেলে, তৃণমূলের পক্ষে এর থেকে ভাল প্রার্থী তালিকা আর কীই বা হতে পারত!‌

শুধু সাহিত্য নয়, এগিয়ে দিয়েছেন বাংলা সিনেমাকেও

শঙ্কর বললেই সবার আগে মনে পড়ে ‘‌চৌরঙ্গী’‌র কথা। বইটির বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। কতগুলি সংস্করণ হয়েছে, তা চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতোই। এখানেও সেই প্রশ্ন অনিবার্য, এটি যদি সিনেমা না হত, স্যাটা বোসের চরিত্র উত্তম কুমার যদি এমন প্রাণবন্ত অভিনয় না করতেন, তাহলে কি উপন্যাসটি এত জনপ্রিয় হত?‌

বাবা–‌মা বই না পড়লে ছেলেও পড়বে না ‌

বাবা–‌মায়েরা অনেক সময় অভিযোগ করেন, ছেলে সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত। পড়তে চায় না। খেতে খেতেও মোবাইল দেখে। একটু তলিয়ে দেখলে দেখা যাবে, এই প্রজন্ম এই শিক্ষাটা কিন্তু বাড়ি থেকেই পেয়েছে। ছেলে যদি দেখে তার বাবা–‌মা সারাক্ষণ মোবাইল হাতে ব্যস্ত, তার মধ্যেও সেই প্রবণতাই তৈরি হবে।

টি২০ বিশ্বকাপ:‌ ক্রিকেট বিশ্বায়নের পথে একধাপ

দেশে ও বিদেশে এভাবেই উঠে আসছে নানা শক্তি। আমরা যাদের বেড়ে ওঠার খবরও রাখি না। এবারের বিশ্বকাপ প্রদীপের তলায় জমে থাকা সেই অন্ধকারে কিছুটা আলো দেখাল। এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে বিশ্বায়নের পথে আরও একধাপ এগিয়ে দিল।

সিরিয়াল চলে?‌ এরপরেও শান্তি আছে!‌

ক্রমশ বঙ্গ জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠছে এই বোকা বোকা সিরিয়ালগুলো। রোজ সকাল থেকে কীসের আকর্ষণে টিভির সামনে বসে যায়, বুঝতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু যা বুঝেছি, এখান থেকে ভাল শিক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সারাক্ষণ শুধু কুচুটেপনা।লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

ওয়েব সিরিজ আসলে মেগা সিরিয়ালেরই নতুন সংস্করণ

ভাল কনটেন্ট অবশ্যই স্বাগত। নতুন প্রযুক্তি থেকেও মুখ ফিরিয়ে থাকার উপায় নেই। কিন্তু সেই প্রযুক্তির হাত ধরে, নতুন ধারার হাত ধরে আবার যদি সেই বিষবাষ্প ঢুকে পড়ে, তা বেশ উদ্বেগের। ওয়েব সিরিজের শুরুর দিনগুলোয় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গিয়েছিল, যাক, সিরিয়ালের কূটকচালি থেকে কিছুটা অন্তত মুক্তি পাওয়া গেল। কিন্তু গত কয়েক বছরে আস্তে আস্তে ওয়েব সিরিজেরও সিরিয়ালীকরণ হয়ে গেল। ভাল ছবিকে যেমন আর্ট ফিল্ম বলে দাগিয়ে দেওয়া হত, এখানেও ভাল কনটেন্ট আবার সেই সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে না তো!‌

ফিরে এসো, প্রিয় ডাবল ডেকার

ষাট পেরোনো নস্টালজিয়া নিয়ে আবার খুঁজতে বেরোবো। ফিরে আসুক সেই ডাবল ডেকার। আবার সেই উদ্দেশ্যহীনভাবে না হয় বাসে উঠে পড়ব। ষাটোর্ধ্ব চোখ দিয়ে আবার খুঁজব আমার হারানো কলকাতাকে।