রিনচেনপং:‌ রবি ঠাকুর কিন্তু এখানে এসেছিলেন

ভোরে ঘুম ভাঙুক পাখির ডাকে। জানলা খুলে দেখুন, পাহাড়ের গায়ে আলো কীভাবে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে। সকালের চা শেষ করে পায়ে হেঁটে বেরিয়ে পড়ুন। কোনও গন্তব্যের প্রয়োজন নেই। সরু রাস্তা ধরে হাঁটুন। দু’পাশের বাড়ি দেখুন। পাহাড়ি মানুষের দৈনন্দিন জীবন দেখুন। কোনও অচেনা পাখির ডাক শুনে থমকে দাঁড়ান। ইচ্ছে হলে কোনও বাড়িতে ঢুকেও পড়তে পারেন। এটুকু বলতে পারি, গৃহকর্তা বিরক্ত হবেন না। চা খেতে খেতে গল্প জুড়ে দিতেই পারেন। অনেকটা সেই তু মান ইয়া না মান, ম্যায় তেরা ম্যাহেমান–‌এর মতো।