যে কোনও জোট ভেস্তে দিতে তৃণমূল একাই যথেষ্ট

একসময় তিতিবিরক্ত হয়ে অটল বিহারী বাজপেয়ী নাকি বলেছিলেন, যাঁদের জয়ললিতা, মায়াবতী ও মমতার মতো বন্ধু থাকে, তাদের আর শত্রুর দরকার হয় না। সময় বদলেছে। নরেন্দ্র মোদি প্রায় সব ব্যাপারেই বাজপেয়ীর উল্টো রাস্তায় হাঁটেন। তিনি হয়ত মনে মনে উপলব্ধি করছেন, যাঁদের মমতার মতো বিরোধী থাকে, তাদের আর বন্ধুর দরকার হয় না।

এবার নতুন বৃত্তের সন্ধানে নীরজ

বয়স ২৫ বছর হলেও বেশ পরিণত। অলিম্পিক!‌ সেই ভাবনাকেও আপাতত সরিয়ে রাখছেন। আবার ফোকাস সেই এশিয়ান গেমসে। এই পদক জেতা হয়ে গেছে পাঁচ বছর আগেই। দ্বিতীয়বারের হাতছানি। আসলে, একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়েছে। নতুন বৃত্তটাকে নতুন করে শুরু করতে চান পানিপথের যুবক।

ক্রীড়া দিবসের জন্য এর থেকে ভাল দিন কী হতে পারত!‌

আন্তর্জাতিক আসরে ভারতের সবথেকে বেশি সাফল্য কোন খেলায়?‌ মানে, অলিম্পিকে সবথেকে বেশি সফল কোন খেলায়?‌ অবশ্যই হকি। আর সেই হকির কিংবদন্তি ধ্যানচাঁদের জন্মদিনকেই বেছে নেওয়া হয়েছে ক্রীড়া দিবস হিসেবে। এর চেয়ে ভাল দিন আর কীইই বা হতে পারত!‌

যাদবপুরের আর কোনও পরিচয় নেই!‌

কৃশাণু মজুমদার আমি একজন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। যদিও আমাকে হোস্টেলে থাকতে হয়নি। একজন আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে, পরবর্তীকালে মেসে থেকে পড়াশোনা করেছি। কিন্তু সাম্প্রতিককালে যাদবপুর নিয়ে যা যা আলোচনা হচ্ছে, তা...

পাহাড়, জঙ্গল, মেঘ, নির্জনতা— যেন কমপ্লিট প্যাকেজ

কোথাও ঘন জঙ্গল। কোথাও পাহাড়ি চড়াই–‌উতরাই। আর ভেসে আসা মেঘের মিছিল তো আছেই। পাহাড়ের ছোট্ট এক জনপদ। নানা বৈচিত্র‌্যে মোড়া। তাই নিয়েই লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

বৃষ্টিভেজা সেই আগন্তুক

শ্রাবণ মাস পড়ে গেল। শ্রাবণ মানেই বৃষ্টি। একটি বৃষ্টির দিনের কথা বলি। তখন আমাদের অল্প বয়স। বৃষ্টিকে পরোয়া করতাম না। বৃষ্টির মাঝেই খেলতাম। ক্রিকেটটা খেলা যেত না (তাছাড়া, তখন শীতকাল ছাড়া ক্রিকেট সেভাবে হতও না)। তবে ফুটবলটা দিব্যি খেলা যেত।

আঁকা বাঁকা পথ বেয়ে সুতানে

অরণ্য ঘেরা সুতানে ফেরা যাক। পৌঁছেই চোখে পড়বে এক বিশাল ওয়াচ টাওয়ার। সেখানে উঠে মাইলের পর মাইল এই আদিম অরণ্যের বিস্তৃতি দেখা যায়। যতদূর চোখ যাবে, শুধুই জঙ্গল। সেই ওয়াচ টাওয়ারের পাশেই রয়েছে এক সুবিশাল জলাশয়। একটা সরকারি কটেজও রয়েছে। তৈরি হয়ে গেছে। লকডাউনের কারণে কিছু কাজ থমকে গিয়েছিল। তখনও উদ্বোধন হয়নি। এখানে যাঁরা আসেন, তাঁরা মূলত মুকুট মণিপুর বা ঝিলিমিলিতে ঠাঁই নেওয়া পর্যটক। সেখান থেকে আশপাশ ঘুরতে গিয়ে সুতানে ঢুঁ মেরে যান। কিন্তু একটু পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারলে সুতান নিজেই একটা দুরন্ত পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

শ্রীকান্তর পঞ্চম খণ্ড কেন যে লিখলেন না!‌

তখন সিরিয়াল ছিল না। বই ছিল। খিড়কি থেকে সিংহদুয়ারের চৌহদ্দিতে আটকে থাকা মা–কাকিমাদের কাছে সেটাই ছিল অক্সিজেন। অলস দুপুরে মা–‌কাকিমা আপনার লেখা নিয়েই আলোচনা করেছে। তর্ক করেছে। বাঙালির চিরাচরিত পিএনপিসি!‌ তাও সেই আপনার লেখা নিয়েই। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।

‌ফুটবলের সংসারে নিখাদ সন্ন্যাসী

স্বরূপ গোস্বামী মহম্মদ হাবিবের কি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ছিল?‌ নিশ্চিতভাবেই ছিল না। টুইটার বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট?‌ এক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে বলা যায়, এগুলোর হয়ত নামই শোনেননি। ইদানীং, একটা ট্রেন্ড হয়েছে, মোটামুটি একটু...

প্যানিক ছড়ানোয় ২৪ ঘণ্টার জুড়ি নেই

অন্তরা চৌধুরি জীবন নিয়ে টানাটানি চলছে। এমনিতেই মানুষের জীবনে শান্তি নেই। রাতে ঘুম নেই। সারাক্ষণ শুধু দৌড়ের প্রতিযোগিতা। তার উপর কানের কাছে শুধু ডু অ্যান্ড ডোন্টস। ব্যাপারটা বুঝলেন না তো?‌...