বেঙ্গল টাইমস... ই ম্যাগাজিন ... স্বাধীনতা সংখ্যা
১৫ আগস্ট এলেই বাঙালি যে গান গেয়ে ওঠে….
পাড়ায় আজকাল আর মাইক বাজে না। রেকর্ডের যুগ তো কবেই ফুরিয়েছে। ক্যাসেটও যেন লুপ্তপ্রায় প্রজাতি। তবু গান কিন্তু থেমে নেই। নানা বিবর্তনের পরেও নানা উপলক্ষে সে ঠিক বেজে ওঠে। সে পঁচিশে বৈশাখ হোক বা পয়লা জানুয়ারি। সে ছাব্বিশে জানুয়ারি হোক বা পনেরোই আগস্ট।
পুজো সংখ্যায় এত তাড়াহুড়ো কেন?
কে কখন পুজো সংখ্যা বের করবে, সেটা একান্তই তাদের নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু যেহেতু একই প্রতিষ্ঠান থেকে আনন্দমেলা আর আনন্দবাজার (পরে আসবে পত্রিকা, দেশ) বেরোয়, তাই একটা সমন্বয় রাখা দরকার। যেমন আনন্দবাজার বেরোনোর সাথে সাথেই যদি ‘দেশ’ বেরিয়ে যায়, তাহলে আনন্দবাজারের প্রতিও অবিচার হবে। তাই অন্তত পনের দিনের গ্যাপ রাখা হোক। আশা করি, আনন্দবাজার কর্তৃপক্ষ বিষয়টা ভেবে দেখবেন।
এপার বাংলায় উল্লাস, ওপার বাংলায় কান্না
আমাদের কাছে পনেরোই আগস্ট মানে স্বাধীনতা দিবস। আনন্দের দিন। কিন্তু পাশের দেশে ছবিটা অন্যরকম। সেখানে পনেরোই আগস্ট মানে মর্মান্তিক এক হত্যাকান্ড। পনেরোই আগস্ট মানেই ভয়াবহ সেই স্মৃতি। পনেরোই আগস্ট মানে যন্ত্রনার দিন, কান্নার দিন।
পরিচালকদের কাজটা আশি ভাগ এগিয়ে রাখল ‘নিয়তি’
হ্যাঁ, এমন একটা বিষয় নিয়ে উপন্যাসের মোড়কে একটা প্রামাণ্য দলিলের দরকার ছিল। এবং এই প্রজন্মের সাংবাদিকদের মধ্যে অর্ঘ্যই সেই কাজের যোগ্যতম ব্যক্তি। আসল কথা, পড়া, পড়া এবং পড়া। যে অভ্যেসটা কমতে কমতে প্রায় লুপ্তই হতে বসেছে। অর্ঘ্যর মধ্যে পড়াও আছে, শোনাও আছে। তাই সুপর্ণকান্তির তৈরি গানও অনায়াসে প্রতিবেদনের বিষয় হিসেবে উঠে আসে।
হাতে স্মার্টফোন! ওরা আসলে কিছুই দেখছে না
সে একটা উপন্যাসের অডিওবুক পুরো শুনত, তাহলেও বলতে পারত, আমি এই উপন্যাসটা পুরো শুনেছি। যদি সে একটা সিনেমাও পুরো দেখত, তাহলেও বলতে পারত, ওই ছবিটা পুরো দেখেছি। দিনের শেষে সেটাও একটা প্রাপ্তি হত। যে প্রাপ্তির কথা তার পাঁচ বছর পরেও মনে থাকত। কিন্তু আসলে সে কিছুই দেখেনি। তাই পরের দিন কোনওটাই মনে থাকে না। প্রাপ্তির ভাঁড়ার কার্যত শূন্য। হ্যাঁ, তারা কিছুই গ্রহণ করে না। শুধু প্রত্যাখ্যান করে চলে।
দর্শক সহযাত্রী হয়ে উঠল কই!
ব্যোমকেশ মানে তো শুধু ব্যোমকেশ নয়। সঙ্গে থাকা অজিতের ভূমিকায় অম্বরীশ ভট্টাচার্য। কমেডির জন্যই অম্বরীশের পরিচিতি। কিন্তু এখানে কিছুটা গণ্ডগোল করে ফেলেছেন চিত্রনাট্যকার। অজিতের ভূমিকায় অম্বরীশ, এটা সবসময়ই মাথায় ঘুরপাক খেয়েছে। ফলে, অজিতকে দিয়ে অহেতুক কমেডি করানো হয়েছে। ফলে, অজিত যতটা না অজিত, তার থেকে যেন বেশি জটায়ু।
দিল্লিতেও মামারা আছেন, তাই ভাগ্নে ঠিক ফিরে আসবেন
তিনি নিশ্চয় ফিরে আসবেন। কারণ, তিনি জানেন, তাঁকে বাঁচানোর লোক দিল্লিতে বসে আছেন। তিনি জানেন, তাঁর প্রমাণ লোপাট করার জন্য রাজ্যের পুলিশ যেমন আছে, তেমনই কেন্দ্রের সরকারও আছে। তিনি জানেন, রাজ্যে যেমন তাঁর পিসি আছেন, দিল্লিতেও তাঁর মামারা বসে আছেন। এই মামারা যতদিন আছেন, তিনি নিশ্চিন্ত।
সংসদের গরিমাই বোঝেন না প্রধানমন্ত্রী
সংসদের সে মান আর নেই। অনেকটাই নেমে গেছে। না আছে হোমওয়ার্ক। না আছে বাগ্মিতা। না আছে যুক্তির বিন্যাস। সবথেকে যেটা পীড়া দেয়, সেটা হল, কারও মধ্যেই শোনার মতো ধৈর্য নেই। একজন বলছেন, অন্যরা হল্লা করেই চলেছেন। নিজেরা নিজেদের কোথায় নামাচ্ছেন?
