বিশ্বকাপের টুকরো টুকরো স্মৃতি
বিশ্বকাপের সময় এইসব মুহূর্তগুলো ফিরে দেখলে কেমন হয়? সেইসব স্মৃতি নিয়েই বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ ফিচার। না, এখানে লেখার জন্য কোনও ফুটবল বোদ্ধা হওয়ার দরকার নেই। এমনকী ছেলেবেলায় ফুটবলে লাথি না মারলেও চলবে। শুধু সেই অনুভূতিটুকু নিজের লেখায় তুলে আনুন। পাঠিয়ে দিন বেঙ্গল টাইমসের ঠিকানায়।
চিত্রনাট্য মিলে যাচ্ছে, এবারও চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান!
কেন জানি না, তিরিশ বছর পর সেই ঘটনার সঙ্গে অনেকটা মিল পাচ্ছি। সেবারও পাকিস্তান কোনওরকমে সেমিফাইনালে উঠেছিল। এবারও তাই। সেবারও সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছিল। এবারও তাই। ঘটনাচক্রে এবারও সামনে সেই ইংল্যান্ড। সেবারও ফাইনাল হয়েছিল মেলসবোর্নে। এবারও তাই।
মুড়ি দিয়ে যায় চেনা
মুড়ি নিয়ে নাক উঁচু করার কিছু নেই। যে যার অভিরুচি অনুযায়ী খাবার খেতে পারে। মুড়ি সর্বোত্তম খাবার। মুড়ি মানেই যে শুধু বাঁকুড়া পুরুলিয়ার লোকেরাই খায় এমন ভাবনা ঠিক নয়। আসলে অনেক কলকাতাবাসীর সঙ্গে মিশে দেখেছি বাঁকুড়া–পুরুলিয়ার লকজনকে এবং তাদের কালচারের প্রতি অদ্ভুত এক ধরণের ঘৃণা ও বিতৃষ্ণা। এক ধরণের উন্নাসিকতা। এই মনোভাবের কোনও কারণ আমি তো খুঁজে পাইনি। এই লেখা না হয় সেই সঞ্চিত রাগের বহিঃপ্রকাশ হয়েই রইল।
রাহুল–রোহিতরা যদি সবজান্তাদের কথা একটু শুনতেন!
সেমিফাইনালের আগে বাংলা কাগজ পড়ুন। আর সেমিফাইনালের পর পড়ুন। এতরকম ভুল পরিকল্পনায় দল চলছে, আগে তো বোঝা যায়নি। সব বোঝা গেল হেরে যাওয়ার পর। ময়দানে একটা চালু কথা আছে, চললে পঞ্চানন, না চললেই পাঁচু। এতদিন ভারত জিতে আসছিল। তাই সবকিছুই ভাল লাগছিল। যেই হারতে হল, ওমনি সবকিছু খারাপ হয়ে গেল।
হ্যাঁ, আরণ্যকের সেই দোবরু পান্না
নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাদের মহুয়া খাওয়াল। একটা বোতলে করে মহুয়া ভরেও দিল। টাকা দিতে গেলাম। কিছুতেই নিল না। বলল, আপনারা মহুয়া খেতে চেয়েছেন, এ তো আমার সৌভাগ্য, এর জন্য টাকা নেব কেন! সেই কাকার আসল নাম আর মনে নেই। কিন্তু হোলি এলেই আমাদের সেই দোবরু পান্নার কথা খুব মনে পড়ে।
রাজ্যভাগের জল্পনায় অদ্ভুত এক ধোঁয়াশা সব শিবিরেই
হয়ত বিশেষ কোনও এক জায়গায় সম্মতি দেওয়াও আছে। লোকদেখানো কিছু বিরোধিতা, মিছিল, ভাঙচুর— এসব হবে। কিন্তু আসল জায়গায় নীরব সম্মতিই থাকবে। যেভাবে লোকসভা বা রাজ্যসভায় একের পর এক বিলের ক্ষেত্রে হয়েছে। বাইরে প্রতিবাদ, কিন্তু ভোটাভুটির সময় হয় সমর্থন, নইলে ওয়াক আউট করে পরোক্ষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়া। রাজ্যভাগের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তেমন হবে না তো?
উপেক্ষার উপযুক্ত জবাব দিন বাবররা
ভারতের নাগরিক হয়েও ভারতের এই তথাকথিত ‘দাদাগিরি’ মানতে পারিনি। বারবার মনে হয়েছে, এটা খুবই অন্যায় হচ্ছে। এই উপেক্ষা, এই অপমান পাক ক্রিকেটারদের প্রাপ্য নয়। হয়ত সেই কারণেই মন চেয়েছে, আন্তর্জাতিক আসরে পাকিস্তান ভাল কিছু করুক। বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ানরা রান করুন। শাহিন শাহ আফ্রিদিরা উইকেট নিন। যেভাবে ক্রিকেট বিশ্ব তাঁদের নিয়ে হেলাফেলা করছে, তার যোগ্য জবাব দিন এই ক্রিকেটাররা। তাতে ভারতীয় বোর্ডের অহমিকা যদি কিছুটা কমে।
এমন ‘গুরুদক্ষিণা’ সত্যিই কি আদবানির প্রাপ্য ছিল!
বিচক্ষণ আদবানি অঙ্কগুলো বোঝেন না, এমন তো নয়। রাজনৈতিক সৌজন্য ও সংযম দেখিয়ে হয়ত নীরব আছেন। কোনও একদিন এই সংযম শিথিল হতেই পারে। গত সাতবছর ধরে শ্রদ্ধা জানানোর অনেক নাটক তিনিও দেখে আসছেন। দেখতে দেখতে বয়স ৯৫ হয়ে গেল। জানি না, কতদিন সুস্থ থাকবেন। যতদিন সুস্থ থাকবেন, এই নাটকটা মঞ্চস্থ হতেই থাকবে।
সহজ কাজকে অকারণ জটিল করছে সিবিআই
অনুব্রত কোথায় লটারি কেটেছিলেন। সেই টিকিট আসলে তাঁর কিনা। এসব বিষয় নিয়ে অবান্তর চর্চা চলছে। প্রশ্নটা এখন আর অনুব্রত কোথা থেকে টাকা পেতেন, সেটা নয়। সেটা এতদিনে মোটামুটি অনেকটাই জানা হয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন হল, অনুব্রত কোথায় পাঠাতেন। গত দু’মাসে সেই প্রশ্নের কিনারা করতে এত টালবাহানা কেন?
