পরমাঃ সময়ের থেকে এগিয়ে থাকা ছবি
অপর্ণা সেন বললেই মনে হয় সুন্দরী এক নায়িকা। কিন্তু পরিচালক অপর্ণা ? সেইদিকেই আলো ফেলা হল এই প্রতিবেদনে। বিশেষভাবে উঠে এল পরমা-র কথা। যা সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে থাকা ছবি। এই সুরই উঠে এল স্নেহা বিশ্বাসের লেখায়।
অপর্ণা সেন বললেই মনে হয় সুন্দরী এক নায়িকা। কিন্তু পরিচালক অপর্ণা ? সেইদিকেই আলো ফেলা হল এই প্রতিবেদনে। বিশেষভাবে উঠে এল পরমা-র কথা। যা সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে থাকা ছবি। এই সুরই উঠে এল স্নেহা বিশ্বাসের লেখায়।
মৃত্যুর দু’বছর ঘুরে দাঁড়াতে তুলে আনা হচ্ছে তাঁরই উদাহরণ। এখনও তিনি জীবন্ত। এখনও সেই তিনিই প্রেরণা। কে বলল, কাতারের গ্যালারিতে তিনি নেই! সেই কবে রবি ঠাকুর লিখে গেছেন, রাতের সব তারাই আছে দিনের আলোর গভীরে।
ফাইনালের সেই রাতটার কথা কখনই ভুলব না। একেবারে শেষপর্বে এসে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে পেনাল্টি দেওয়া হল। এডগার্ডো কোদেসাল লোকটাকে পেলে কী করতাম, কে জানে! সেনসিনি, ভয়লার, ব্রেহমে নামগুলো এখনও ভুলতে পারি না। ভুলতে পারি না মারাদোনার সেই কান্না। সুদূর এই বাংলায় বসে আমরাও যে সেদিন কেঁদেছিলাম!
আপনভোলা এক কবি। সংসারে থেকেও যিনি সন্ন্যাসী। ‘অবনী বাড়ি আছো’, বা ‘যেতে পারি কিন্তু কেন যাব’ আজ যেন প্রবাদের চেহারায়। মুখে মুখে ফেরে, মনে মনেও ফেরে। কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। তাঁর জন্মদিনে, তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা। লিখলেন শোভন চন্দ।।
ম্যান ইউ কর্তারা একবার ভেবেও দেখলেন না, এই সিদ্ধান্তে রোনাল্ডোর ওপর কতটা প্রভাব পড়বে! বিশ্বকাপ খেলতে নামার ঠিক আগে একজন খেলোয়াড় যদি জানেন, তাঁর ক্লাব তাঁকে ছেঁটে ফেলল, তাহলে তাঁর মানসিক অবস্থা কেমন হয়! তাঁর মনের ওপর দিয়ে কতটা ঝড় বয়ে যায়! এই অবস্থায় তিনি দেশের হয়ে ফোকাস করতে পারবেন?
জেরার ভিডিও যদি সামনে আসে, এই পুলিশ সমাজে মুখ দেখাতে পারবে তো? যদি সত্যিই ক্ষমতা থাকে, এই জেরার ভিডিও সামনে আনা হোক। তারপর এই পুলিশ কর্মীরা নিজের নিজের বাড়ি ফিরে যান। নিজের স্ত্রী বা সন্তানের দিকে তাকান। দেখবেন, তাঁদের চোখেও একরাশ ঘৃণা জমে আছে।
পেশাদারি জগতে একটা কথা খুব চালু আছে— সুইচ অন, সুইচ অফ। অর্থাৎ, যখন তুমি একটা কাজ করছ, তখন অন্যগুলো ভুলে যাও। ফুটবলের ক্ষেত্রেও কথাটা ভয়ঙ্করভাবে খাটে, যখন দেশের হয়ে খেলছ, তখন দেশের হয়েই ভাবো। তখন ক্লাবের জটিলতার কথা ভাবতে যেও না। কিন্তু রোনাল্ডো সেই ক্লাবের বিতর্ককেই টেনে আনলেন। তাও আবার বিশ্বকাপের ঠিক দোরগোড়ায়।
এই গতির দুনিয়ায় সারা শহরজুড়ে ট্রাম চালানো হয়ত সম্ভব নয়। তাই অনেক ব্যস্ত রাস্তায় স্বাভাবিক নিয়মেই ট্রাম উঠে যাবে। কিন্তু খিদিরপুর যাওয়ার রাস্তা তো বিরাট ব্যস্ত রাস্তা নয়। তাহলে, এই রাস্তায় ট্রাম ছুটতে বাধা কোথায়? তাছাড়া, ট্রাম লাইনের অনেকটাই মূল রাস্তার বাইরে। ফলে, যানজট তৈরি হওয়ার বা রাস্তা খারাপ হওয়ার তেমন আশঙ্কাও নেই। অন্তত এই রাস্তায় কি ট্রামকে বাঁচিয়ে রাখা যেত না?
মুড়ি মেলাকে কেন্দ্র করে আরও অন্যান্য জিনিসেরও পসরা বসে। যে যার মতো কেনাকাটা করে। কারও স্নান করতে ইচ্ছে হলে গামছা পরে নদীতে নেমে পড়লেই হল। দুপুরের খাবারের ভাবনা নেই। কারণ সঞ্জীবনী মা-এর মন্দিরে চারদিন ধরে চলে খিচুড়ি খাওয়ানো। সেখানে বসে পড়লেই হল। অনেকে দুপুরেও মুড়ি খেতেই পছন্দ করেন। তারপর দিনের শেষে একরাশ আনন্দ নিয়ে যে যার ঘরে ফিরে যায়। আবার একটা বছরের প্রতীক্ষা। প্রতীক্ষা মুড়িমেলার জন্য।