কেন জানি না, তিরিশ বছর পর সেই ঘটনার সঙ্গে অনেকটা মিল পাচ্ছি। সেবারও পাকিস্তান কোনওরকমে সেমিফাইনালে উঠেছিল। এবারও তাই। সেবারও সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছিল। এবারও তাই। ঘটনাচক্রে এবারও সামনে সেই ইংল্যান্ড। সেবারও ফাইনাল হয়েছিল মেলসবোর্নে। এবারও তাই।
মুড়ি নিয়ে নাক উঁচু করার কিছু নেই। যে যার অভিরুচি অনুযায়ী খাবার খেতে পারে। মুড়ি সর্বোত্তম খাবার। মুড়ি মানেই যে শুধু বাঁকুড়া পুরুলিয়ার লোকেরাই খায় এমন ভাবনা ঠিক নয়। আসলে অনেক কলকাতাবাসীর সঙ্গে মিশে দেখেছি বাঁকুড়া–পুরুলিয়ার লকজনকে এবং তাদের কালচারের প্রতি অদ্ভুত এক ধরণের ঘৃণা ও বিতৃষ্ণা। এক ধরণের উন্নাসিকতা। এই মনোভাবের কোনও কারণ আমি তো খুঁজে পাইনি। এই লেখা না হয় সেই সঞ্চিত রাগের বহিঃপ্রকাশ হয়েই রইল।