জোয়ারে কাছে, ভাটায় দূরে

জোয়ারে সমুদ্র কাছেই থাকে, কিন্তু ভাটা এলেই অনেকদূরে পালিয়ে যায়। এমনই এক সৈকত ওড়িশার চাঁদিপুর। আমাদের বাংলাতেও এমনই এক সৈকত আছে। চাইলে দু–‌তিনটে অলস দিন কাটিয়ে আসতেই পারেন। তাই নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন।।

সিরিয়াল চলে?‌ এরপরেও শান্তি আছে!‌

আপনার পরিবারে সবসময় সিরিয়াল চলে?‌ এর পরেও পরিবারে শান্তি বজায় আছে। আপনার মশাই বিরল পরিবার। কারণ, অভিজ্ঞতা বলছে, যে সংসারে যত সিরিয়াল, সেই সংসারে তত অশান্তি। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

‌ফিরে এসো, চিঠি

স্বরূপ গোস্বামী কত চিঠি লেখে লোকে কত সুখে প্রেমে আবেগে স্মৃতিতে, কত দুঃখে ও শোকে। সেই রানারও নেই। সেই চিঠির বোঝাও নেই। চিঠি নিয়ে এমন কত কবিতা, কত গান লেখা...

‌এপার বাংলায় উল্লাস ওপার বাংলায় কান্না

আমাদের কাছে পনেরোই আগস্ট মানে স্বাধীনতা দিবস। আনন্দের দিন। কিন্তু পাশের দেশে ছবিটা অন্যরকম। সেখানে পনেরোই আগস্ট মানে মর্মান্তিক এক হত্যাকান্ড। পনেরোই আগস্ট মানেই ভয়াবহ সেই স্মৃতি। পনেরোই আগস্ট মানে যন্ত্রনার দিন, কান্নার দিন।

না বোঝা সেই স্বাধীনতাটাই ঢের ভাল ছিল

স্বাধীনতা দিবস। একেক বয়সে একেক চেহারায় হাজির হয়। ছোটবেলায় ফুল নিয়ে স্কুলে যাওয়া। চকোলেট নিয়ে বাড়ি ফেরা। একটু বড় হয়ে, লুচি–‌আলুর দম। না বুঝে পালন করা সেই স্বাধীনতা দিবসের নস্টালজিয়া নিয়ে লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।

রম্যরচনা: স্বাধীনতা কানে কানে

সন্দীপ লায়েক আজ ভারতের একাত্তরতম স্বাধীনতা দিবস। আমরা আজ পশ্চিমবাংলার অলিতে গলিতে পথচারীদের সঙ্গে। জেনে নিলাম আজকের এই স্পেশাল দিনে কে কী প্ল্যান-প্রোগ্রাম করেছেন। উত্তরের শর্ত ছিল কানে কানে, ফিসফিসিয়ে।...

‌উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী

পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।

‌পনেরোই আগস্ট এলেই বাঙালি যে গান গাইবে….

পাড়ায় আজকাল আর মাইক বাজে না। রেকর্ডের যুগ তো কবেই ফুরিয়েছে। ক্যাসেটও যেন লুপ্তপ্রায় প্রজাতি। তবু গান কিন্তু থেমে নেই। নানা বিবর্তনের পরেও নানা উপলক্ষে সে ঠিক বেজে ওঠে। সে পঁচিশে বৈশাখ হোক বা পয়লা জানুয়ারি। সে ছাব্বিশে জানুয়ারি হোক বা পনেরোই আগস্ট।

স্বাধীনতায় আমরা কেমন

আবার এক স্বাধীনতা উৎসব এসে গেল।
‘স্বাধীনতা’ ‘স্বাধীনতা’ খেলা। তেরঙ্গা পতাকা উড়িয়ে, বন্দেমাতরম্ হুঙ্কার ছেড়ে, চেনা জানা কিছু স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম আউড়ে–তাঁদের নিয়ে জানা অজানা কিছু বক্তব্য দিয়ে মঞ্চ মাতানো কিছু বিদ্বজনের সাদা পোষাকে আনাগোনা–জয় হিন্দ ধ্বনি দেওয়া –এরই নাম আজ কাল স্বাধীনতা খেলা। লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।।