পরের চিত্রনাট্য নাও মিলতে পারে

কার্শিয়াংয়ে বিনয় তামাংয়ের ‘‌ঐতিহাসিক’‌ সভায় যা লোক হয়েছে, শতরূপ ঘোষের পথসভাতে এর থেকে বেশি লোক হয়। তাই গুরুং শেষ, পাহাড়ের রাশ বিনয়ের হাতে, এই মর্মে যে প্রচার হচ্ছে, সেই ফানুস দ্রুত চুপসে যাবে। হরকা বাহাদুর হালে পানি পেলেন না, সেখানে বিনয় তামাং!‌ নিজেই বুঝবেন, বাস্তবের মাটি কতটা রুক্ষ। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

এরকম দৃশ্য বাংলা আগেই দেখেছিল

রাম রহিমের শাস্তিতে উত্তাল হয়ে উঠল হরিয়ানা। রাস্তায় নেমে একজন ধর্ষক ও খুনির হয়ে মিছিল। কিন্তু আমাদের রাজ্য কি খুব আলাদা?‌ এখানেও সুপ্রিম কোর্ট সিবিআই নির্দেশ দিলেও মন্ত্রীরা প্রতিবাদে মিছিলে বেরিয়ে যান। চক্রান্তের গন্ধ পান, মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলেন। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

সদিচ্ছা নেই, তাই পাহাড় বৈঠক ফের ব্যুমেরাং হবে

শান্তি ফেরাতে গেলে সদিচ্ছা চাই। যেটা রাজ্য সরকারের নেই। বিনয় তামাংদের উস্কানি দিয়ে মোর্চায় বিভাজন আনা যায়, পাহাড়ে শান্তি আনা যায় না। প্রতিটি পদক্ষেপেই অস্বচ্ছ্বতা। তাই এই বৈঠকও প্রহসন হয়ে উঠবে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বাংলায় সেই পরম্পরা সমানে চলেছে

সুগত রায়মজুমদার ৬০–‌এর দশকের শেষদিক থেকে আজ একবিংশ শতাব্দীতেও ‌রিগিং ও ছাপ্পা ভোটে জেতা একই জিনিস চলছে পরম্পরাভাবে। সারা দেশে একমাত্র বাংলায় এই ঘটনা ঘটেই চলেছে। এর উৎপত্তি য়াটের দশকের...

এত মিল, তবু কাল্পনিক?‌

অনেকটা সত্যি। অনেকটা মনগড়া। সবমিলিয়ে সত্যি আর মিথ্যের দারুণ ককটেল হল ধনঞ্জয়। বিকল্প সম্ভাবনার কথা বলতে গিয়ে ফাঁদা হল অনেক আষাঢ়ে গপ্প। লিখেছেন বিপ্লব মিশ্র।।

দার্জিলিং মানে কি শুধুই দার্জিলিং?‌

বাঙালির মন খারাপ। সে দার্জিলিং যেতে পারছে না। যদি গুরুংরা আবার হামলা করে!‌ আরে বাবা, দার্জিলিং মানে কি শুধুই দার্জিলিং?‌ পাহাড়ের আনাচে কানাচে কত অজানা গ্রাম, অজানা ঠিকানা আছে, খোঁজ নিয়েছেন?‌ একটু খোঁজ নিন, ঘুরে আসুন। গুরুংরা যতই বনধ ডাকুক, পাইনের ফাঁক দিয়ে মেঘ ঠিক ভেসে বেড়াবে।

আবার যদি তেরো পার্বণ ফিরে আসত!

যাঁরা সারাদিন সিরিয়ালে মুখ গুঁজে থাকেন, তাঁরা বোধ হয় জানেন না আটের দশক বা নয়ের দশকে কেমন সিরিয়াল হত। তেরো পার্বন, সেই সময়, আদর্শ হিন্দু হোটেল- এসব কালজয়ী সিরিয়ালকে আবার ফিরিয়ে আনা যায় না? টিভি চ্যানেলগুলির কাছে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।

বই চুরিতে পিছিয়ে নেই বিদেশিরাও!‌

প্রায় ষোল বছর আগের কথা। বইমেলার শেষদিন। একটি ছবি ও তার অভিনব একটি ক্যাপশন। সেই মজার ঘটনার স্মৃতিচারণ করলেন সরল বিশ্বাস।।

কিশোর মনে ঝড় তোলা সেই শত্রু

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

কলকাতা কি সত্যিই নাটকের রাজধানী?‌

একসঙ্গে, একমঞ্চে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও দেবশঙ্কর হালদার!‌ নাট্যপ্রেমীদের কাছে অবশ্যই দারুণ একটা সুযোগ। কিন্তু তারপরেও হল ভর্তি হচ্ছে না?‌ এরা বুঝি সংস্কৃতিমনষ্ক? এরা বুঝি বুদ্ধিজীবী? এবার থেকে কলকাতার মানুষ দেখলে আর সমীহ বা ঈর্ষা করব না। বরং কিছুটা করুণা করতে পারি। জেলা থেকে আসা এক দর্শকের এমনই উপলব্ধি। পড়ুন।