দেশে ট্রেন চলেছিল এই দিনেই

এই দিনে কতকিছু! এই পনেরোই আগস্ট ভারতের বুকে চলতে শুরু করেছিল ট্রেন। বম্বে থেকে থানে। সেই রেলযাত্রা ও তার বিবর্তনের কথা তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর ।।

সেরা বিধায়ককে জ্ঞান সিংয়ের নামাঙ্কিত পুরস্কার দেওয়া হোক

কখনও ওয়েলে নেমে আসতেন না। চিৎকার করতেন না। অন্যকে অসম্মান করতেন না। পরিষদীয় শিষ্টাচারের সেরা বিজ্ঞাপন। বিধানসভার ইতিহাসে সবথেকে ভদ্র ও নিষ্কলঙ্ক মানুষটি চলে গেলেন। প্রতিবছর সেরা বিধায়ককে জ্ঞান সিং সোহনপালের নামাঙ্কিত পুরস্কার দেওয়া হোক। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

‘‌চাচা’‌ নেই, রাজনীতিতে ভদ্রতা যেন আরও ফিকে হয়ে গেল

রাজনীতিতে এমনিতেই ভদ্রলোক কমে যাচ্ছে। ভদ্রতা ও সৌজন্যের প্রতিমূর্তি হয়ে বেঁচে ছিলেন জ্ঞান সিং সোহনপাল। সেই ‘‌চাচা’‌ও চলে গেলেন। সত্যিই ভদ্রতা নামক শব্দটা আরও কিছুটা ফিকে হয়ে গেল।

সপ্তপদীর সেই গানটা —

মাত্র তিনদিনের সফর। পাহাড়ের বাঁকে অজানা মেঘের মিছিল। একইসঙ্গে চিঠি ও দিনলিপি। নানা মুহূর্ত, নানা অনুভূতি। সেই কোলাজ। বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।।

প্রোডিউসার নিশ্চয় একদিন ডায়েরি লিখবেন

প্রথম ছবি। ততটা ভাল না হতেই পারে। তাই বলে এমন আষাঢ়ে গপ্প কেন ফাঁদতে হবে?‌ তিনি কি দর্শককে এতই বোকা ভাবেন?‌ বিদেশের গল্প শুনিয়ে যাবেন, আর দর্শক হলের সামনে ভিড় জমাবে?‌ আসলে, সিনেমা দেখার অভ্যেসটাও শঙ্কুবাবুদের নেই। তাহলে বুঝতে পারতেন, এই ছবি নিয়ে আর যাই হোক, বড়াই করা চলে না। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

মুকুল রায় এতই বোকা!‌

মুকুল রায় বৈঠক করলেন অরুণ জেটলির সঙ্গে। বিজেপি কর্মীরা দারুণ উৎসাহিত, এই মুকুল এলেন বলে!‌ কোনও চান্স নেই। মমতার সম্মতি ছাড়া মুকুল রায় বৈঠক করেছেন, এটা বিশ্বাস করেন?‌ সেই বৈঠকের নির্যাস জানলে হয়ত হতাশই হতে হবে। লিখেছেন রজন সেনগুপ্ত।। ‌

কমরেড:‌ ছবি নয়, আস্ত গাঁজাখুরি

এমন ছবি নন্দনে?‌ কারা চালাচ্ছেন নন্দন?‌ এমন ছবি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়ে গেল?‌ কারা বসে আছেন সেন্সরের মাথায়?‌ একা শঙ্কু নয়, আরও অনেককে নিয়েই প্রশ্ন তুলতে হয়। শঙ্কু নিজেকে চেনালেন, এঁদেরও চিনিয়ে দিয়ে গেলেন। বাংলা ছবিতে অন্তত এটুকু অবদান শঙ্কুদেব পন্ডার থেকেই গেল। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।।

একই গান, অন্যরা ম্লান কিশোরের কাছে

একই গান। কিশোর গেয়েছেন, অন্যরাও গেয়েছেন। কিন্তু রফি, লতা বা আশা নয়, মহাকালের বিচারে শেষমেষ থেকে গেছে কিশোরের গানটাই। মানুষ ‘অশিক্ষিত’ গায়কের গানকেই বুকে ঠাঁই দিয়েছেন। এমনই অনেক গানের কথা তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

কিশোরকে মরণোত্তর সম্মান দিতে এত কুণ্ঠা কীসের ?‌

মানুষের হৃদয়ে তাঁর স্থান। কিন্তু রাষ্ট্রের কাছে তিনি এখনও ব্রাত্যজন। জীবিত অবস্থাতেও স্বীকৃতি পাননি। মৃত্যুর তিন দশক পরেও ছবিটা একইরকম। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।