শান্তিতে বাপের বাড়ি যাওয়ার উপায় নেই। প্রতিবারই কিছু না কিছু ঝামেলা ঠিক উদয় হয়। এবার আবার হাওয়া অফিস জানিয়েছে, তিতলি আসছে, বৃষ্টি হবে। অশূরকে নিয়ে ঝামেলা নেই, এবার নতুন উৎপাত শুরু করেছে বরুণ দেব। দেবীপক্ষের শুরুতেই রম্যরচনা কুণাল দাশগুপ্তর।
এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।
এতদিন ভাবতেন, কলকাতা লিগ কোনও টুর্নামেন্টই নয়। মোহনবাগানের জয় যেন চোখ খুলে দিল। মনে হল, এটা বোধ হয় বিশ্বকাপের কাছাকাছি। দারুণ একটা ছবির বিষয় পেয়ে গেলেন গোত্র গুপ্ত। রম্যরচনায় সেই কাহিনীই তুলে আনলেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
উন্নয়ন আর সৌজন্যের হাত থেকে রেহাই নেই। সুভাষ মুখুজ্জে থেকে সোমনাথ চাটুজ্জে। সুনীল গাঙ্গুলি থেকে সুচিত্রা সেন। এখনও সময় আছে। সৌমিত্র চাটুজ্জে, নীরেন চক্কোত্তিরা সাবধান হোন। আরও কারও কারও জন্য বিশেষ ছাড়। খোলা হচ্ছে ‘সৌজন্য প্রতিরোধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’। এমন অভিনব আইডিয়া নিয়ে দুরন্ত লেখা রবি করের।
অন্তরা চৌধুরি প্রচলিত সাহিত্যের বিরোধী লেখক রমানাথ রায়, যিনি সম্পূর্ণ নতুন এক ঘরাণার জন্ম দিয়েছিলেন। মানুষের মনোজগতের জটিল রূপ নিয়েই তাঁর গল্প। এই প্রসঙ্গে সমকালীন সমাজ ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক...
শিব, বিষ্ণু, কৃষ্ণ, কৃত্তিবাস এঁরা যা করেছেন, যা লিখেছেন সেটা ঠিক না সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ঠিক? অবশ্যই সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ঠিক। কারণ তিনি বিজেপি নেতা। তিনি ভুল বলতেই পারেন না। শিব, বিষ্ণু, কৃষ্ণ, কৃত্তিবাস এঁরা সবাই হিন্দুধর্ম বিরোধী।লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।
বেচারা বুদ্ধবাবু। এখন আর পার্টি অফিসেও যেতে পারেন না। বাড়িতেই থাকেন। কিন্তু তাতেও কি রেহাই আছে! বিপদ যে বাড়ি বয়ে আসে। আসে সৌজন্যের মোড়কে। এই বয়সে এসেও এমন বিড়ম্বনা যে তাঁর জন্য অপেক্ষা করবে, কে জানত! তবু বলব, এই বিপর্যয়ের জন্য তিনি নিজেই দায়ী। নিজেই নিজের বিপদ ডেকে আনলেন। বই পড়তে ভালবাসেন, এটুকু ওই মহীয়সী নারীকে না বললেই চলছিল না!
আদি তুঘলক বনাম নব তুঘলক। তিন বছর আগের সেই ভাইরাল হওয়া লেখা।
ফিরে এল বেঙ্গল টাইমসে। যদি কোনও চরিত্রের সঙ্গে মিল খুঁজে পান, তার দায় আপনার।
সন্দীপ লায়েক ------------------------------------------------ অমিয়বাবু খুব রগচটা শিল্পী ও কবি মানুষ। তবে মনটা বড়ই উদার। বিশেষত তার আপন জ্ঞাতি ভাইদের প্রতি। স্ত্রী রেনুকাদেবী সেটা সম্যক বোঝেন। বোঝে কাজের বুড়ি মাসি কমলাও।...
লালমোহনবাবুর নতুন উপন্যাস রসগোল্লা রহস্য। তাঁর ডিলিট পাওয়া আর কেউ আটকাতে পারবে না। কেন এমনটা বললেন ফেলুদা? রবিবারের সকালে এক অন্য সোনার কেল্লা। লিখেছেন দীপাঞ্জন দাস। দ্রুত পড়ে ফেলুন।।