এখানেই তফাত। ছোট দেশ হয়েও যে দৃঢ়তা ও সৎসাহস বাংলাদেশ সরকার দেখাতে পারে, এত বড় দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেই সৎসাহস দেখাতে পারেন না। তিনি সত্যিই বড় অসহায়। সংখ্যাগুরুকে উস্কে দেওয়া খুব সহজ কাজ। এর জন্য বীরত্ব লাগে না। কিন্তু সংখ্যালঘুর পাশে দাঁড়িয়ে সংখ্যাগুরুর কাজের নিন্দা করতে হিম্মৎ লাগে বই কি। সেই হিম্মৎ কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর আছে! লিখেছেন অজয় কুমার।
ধরা যাক, আপনার পাশের বাড়ির কোনও ছেলে মাধ্যমিকে ফেল করেছে। পরের বছর সে আবার পরীক্ষা দিল। এবার পাশ করল। কিন্তু দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় পাশ করার পর তার বাবা যদি পাড়ায় মিষ্টি বিলি করে, সেটা কেমন দেখাবে!
তার আগে বার তিনেক দার্জিলিংয়ে গিয়েছি। কিন্তু সত্যি বলছি, ক্যাভেন্টার্সের কথা তার আগে কেউ বলেনি। তাই যাওয়াও হয়নি। সেখানে কার পা পড়েনি? সত্যজিৎ রায় থেকে ঋত্বিক ঘটক। অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খান্না। এডমন্ড হিলারি থেকে তেনজিং নোরগে। এতলোক যখন গিয়েছেন, তখন নিশ্চয় দামও আকাশছোঁয়া হবে। সে এক পাঁচতারা এলাহি ব্যবস্থা হবে। ভয়মিশ্রিত একটা রোমাঞ্চ নিয়েই গিয়েছিলাম।
আসলে, কোনটা গর্বের, কোনটা লজ্জার–এই সাধারণ বোধটুকুও হারিয়ে যাচ্ছে। যেটা লজ্জার বিজ্ঞাপন হতে পারে, সেটাকে গর্বের বিজ্ঞাপন হিসেবে তুলে ধরার কী হাস্যকর চেষ্টা।
শ্যামবাবু যদি তৃণমূলেই থাকতেন, তাহলে কি পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আদৌ সক্রিয় হত? তাহলে কি তাঁকে গ্রেপ্তার করার হিম্মৎ দেখাতো? যেই তিনি বিজেপিতে গেলেন, অমনি তিনি খারাপ লোক হয়ে গেলেন। অমনি, তাঁর কেলেঙ্কারি খোঁজা শুরু হয়ে গেল! কই, যাঁরা তৃণমূলের বর্তমান চেয়ারম্যান, তাঁদের কারও বিরুদ্ধে তো এমন তদন্ত হচ্ছে না।
আপনি ইতিহাসের ভারী ভারী বই পড়েছেন। কিন্তু এত ফেবু কমেন্ট পড়েছেন? এবার নিশ্চয় পড়লেন? মাত্র একটা লেখা লিখে কত পরিচিতি পেয়ে গেলেন। কেউ কেউ বলছে, কী সুন্দর লেখা। বলছে, বলুক। আপনি জাগো বাংলায় লিখেছেন, আর কিচ্ছু শুনতে চাই না। আপনাতে শুলে না চড়াতে পারলে আমাদের শান্তি নেই।
শুরুতে অনেকেই নাক সিঁটকেছিলেন। কিন্তু সত্যজিৎ রায় রবীন্দ্রনাথের গানে খালি গলার কিশোরকে ব্যবহার করার সাহস দেখিয়েছিলেন। আটের দশকে এল বেসিক অ্যালবাম। রবি ঠাকুরের গান বাড়ির ড্রয়িংরুম থেকে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে নিয়ে গিয়েছিলেন কিশোর কুমার। তাঁর কণ্ঠেই ‘অরাবীন্দ্রিক’দের কাছে অমরত্ব পেয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। জন্মদিনে কিশোর কুমারকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালন কুণাল দাশগুপ্ত।
নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। এমনকী রবি ঠাকুর বা নেতাজিরও রেহাই নেই। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে না হয় একটু ভিন্ন সুর থাকল। পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।
একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? বাংলার সাধারণ মানুষ বিষয়টিকে কীবাবে দেখেছিলেন? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে।
সম্রাট দত্ত একসঙ্গে ৭৮ জন নাকি রাজ্যে প্রথম হয়েছে। হ্যাঁ, এটাই মাধ্যমিকে সেরা চমক। এরপরেও মিস্টি মুখ চলছে। এর পরেও টিভিতে সাক্ষাৎকার চলছে। এরপরেও ঘটা করে রেজাল্ট বের করার প্রেস...